
Jamaat-ul-Mujahideen Bangladesh: বিহার থেকে সন্দেহভাজন জামাত-উল-মুজাহিদিন বাংলাদেশ (Jamaat-ul-Mujahideen Bangladesh) জঙ্গিকে গ্রেফতার করল দক্ষিণ দিনাজপুরের বংশীহারি থানার পুলিশ। বংশীহারি থানার অন্তর্গত কুশকারী অঞ্চলের বাসিন্দা মুজিবুর রহমানকে গ্রেফতার করে আনা হয়েছে। সন্দেহভাজন জেএমবি জঙ্গি হিসেবে বেশ কিছুদিন ধরেই এই যুবকের উপর তদন্তকারী সংস্থার নজর ছিল। পুলিশ সূত্রে খবর, বংশীহারি থানার আধিকারিক শুভতোষ সরকারের নেতৃত্বে এই অভিযান চালানো হয়। কলকাতা থেকে জাতীয় তদন্তকারী সংস্থার (National Investigation Agency) প্রতিনিধিদল বংশীহারিতে পৌঁছলে ধৃত মুজিবুরকে তাঁদের হাতে তুলে দেওয়া হতে পারে। এই সন্দেহভাজন জঙ্গির বিষয়ে আরও খোঁজ নিচ্ছেন তদন্তকারীরা।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, গত ২ জানুয়ারি প্রথমবার মুজিবুরের বাড়িতে অভিযান চালায় এনআইএ-র একটি দল। তারপর থেকেই এই সন্দেহভাজন জঙ্গির খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না। দীর্ঘ কয়েক মাস পর গত ২৯ সেপ্টেম্বর ফের কুশকারীতে মুজিবুরের বাড়িতে তল্লাশি চালায় এনআইএ এবং বংশীহারি থানার পুলিশ। কিন্তু সেবারও এই যুবকের সন্ধান পাওয়া যায়নি। তদন্তকারী দলের এই অভিযান ঘিরে কুশকারীতে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছিল। এনআইএ সূত্রে জানা গিয়েছে, গত ১ অক্টোবর মুজিবুরের বাবা মিজানুর রহমান কলকাতায় এনআইএ দফতরে হাজিরা দেন। পুলিশ সূত্রে মুজিবুরের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া ১৫টি মামলার উল্লেখ করা হয়েছে। অন্যদিকে, পরিবারের দাবি, বিএসসি পাশ করার পর ইউপিএসসি পরীক্ষার প্রস্তুতি নিচ্ছিল মুজিবুর। পরিবারের সদস্যরাই বিহার থেকে মুজিবুরকে ফিরিয়ে এনে পুলিশের কাছে আত্মসমর্পণ করতে বলেছিলেন।বিহার থেকে মুজিবুরকে গ্রেফতারের পর এবার এনআইএ-র তদন্তে কী নতুন তথ্য উঠে আসে, সে দিকেই নজর রয়েছে।
ধৃত সন্দেহভাজন জেএমবি জঙ্গির বিরুদ্ধে এতগুলি মামলা দায়ের হওয়ার অর্থ, সে দীর্ঘদিন ধরেই জঙ্গি কার্যকলাপ চালিয়ে যাচ্ছে। সে দেশের কোনও প্রান্তে নাশকতামূলক কাজের সঙ্গে সরাসরি জড়িত কি না, সে বিষয়ে অবশ্য এখনও সরকারকিভাবে কিছু জানা যায়নি।
আরও খবরের জন্য চোখ রাখুন এশিয়ানেট নিউজ বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।