Car Accident: সিম কার্ডের মতো একটি ডিভাইস ইনস্টল করা হবে প্রতিটি গাড়িতে। যদি কোনও গাড়ি বিপজ্জনক গতিতে ছুটে আসে তাহলে ওই ডিভাইসের মাধ্যমে মিলবে সতর্কবার্তা।
Car Accident Prevention: এবার রাস্তায় গাড়ি একে অপরের সঙ্গে কথা বলবে। কারণ ভারত সরকার ভেহিকল-টু-ভেহিকল (V2V) কমিউনিকেশন প্রযুক্তি বাধ্যতামূলক করতে চলেছে। যেখানে গাড়িগুলো একে অপরের গতি, অবস্থান ও ব্রেক করার তথ্য সরাসরি আদান-প্রদান করবে, যা চালকদের তাৎক্ষণিক সতর্কতা দিয়ে দুর্ঘটনা (বিশেষ করে কুয়াশা ও কম দৃশ্যমানতায়) ৮০% পর্যন্ত কমাতে সাহায্য করবে, এবং এটি ২০২৬ সালের শেষের দিকে নতুন গাড়িতে চালু হতে পারে।
কীভাবে কাজ করবে এই প্রযুক্তি?
সরাসরি যোগাযোগ: গাড়িগুলো একে অপরের সাথে সরাসরি রেডিও সিগন্যালের মাধ্যমে যোগাযোগ করবে, ইন্টারনেট বা মোবাইল নেটওয়ার্কের প্রয়োজন হবে না।
অন-বোর্ড ইউনিট (OBU): প্রতিটি গাড়িতে একটি ছোট ডিভাইস (OBU) থাকবে যা অন্যান্য গাড়ির সাথে ডেটা শেয়ার করবে।
ডেটা শেয়ারিং: গতি, অবস্থান, ব্রেক করা, লেনের পরিবর্তন এবং জরুরি গাড়ির উপস্থিতি সম্পর্কে রিয়েল-টাইম তথ্য আদান-প্রদান করবে।
তাৎক্ষণিক সতর্কতা: একটি গাড়ি হঠাৎ ব্রেক করলে বা সামনে কোনো বিপদ থাকলে অন্য গাড়ির চালক সঙ্গে সঙ্গে সতর্কবার্তা পাবেন, যেমন "সামনে ব্রেক!"
এর সুবিধাগুলি কী?
দুর্ঘটনা হ্রাস: কুয়াশা, বৃষ্টি বা রাতে লুকানো বিপদ সম্পর্কে আগে থেকে জানাতে পারবে।
দ্রুত প্রতিক্রিয়া: চালকরা দ্রুত প্রতিক্রিয়া জানাতে পারবেন, যা সংঘর্ষ এড়াতে সাহায্য করবে।
জট কমানো: ট্র্যাফিকের গতিবিধি সম্পর্কে তথ্য দিয়ে যানজট কমাতেও সাহায্য করতে পারে।
বাস্তবায়ন-
কেন্দ্রীয় মন্ত্রী নীতিন গড়কড়ি এই প্রযুক্তি চালু করার ঘোষণা দিয়েছেন।
টেলিকম বিভাগ V2V যোগাযোগের জন্য নির্দিষ্ট স্পেকট্রাম (5.875–5.905 GHz ব্যান্ডে ৩০ মেগাহার্টজ) বরাদ্দ করেছে।
২০২৬ সালের শেষের দিকে নতুন গাড়িগুলোতে এটি বাধ্যতামূলক করা হতে পারে এবং ধীরে ধীরে পুরোনো গাড়িতেও চালু করার পরিকল্পনা রয়েছে।
সংক্ষেপে, এই প্রযুক্তি আমাদের রাস্তাকে আরও স্মার্ট এবং নিরাপদ করে তুলবে, যেখানে গাড়িগুলো একে অপরের সাথে "কথা বলে" আমাদের সুরক্ষার খেয়াল রাখবে।