প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা-গ্রামীণের যোগ্যতার মানদণ্ডে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনের ঘোষণা করেছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী শিবরাজ সিং চৌহান। একই সঙ্গে রাজস্থানের জন্য প্রচুর টাকা অনুমোদন করা হয়েছে বলেও ঘোষণা করেছেন তিনি।
28
৩,৪৭৩ কোটি টাকার অনুমোদনপত্র হস্তান্তর
সোমবার রাজস্থানের বারানে আবাস যোজনা-গ্রামীণের রাজ্য-স্তরের কর্মসূচিতে অংশ নেন শিবরাজ সিং চৌহান। সেখানে মুখ্যমন্ত্রী ভজন লাল শর্মার হাতে রাজ্যে ২,৮৯,৩৫৫টি স্থায়ী বাড়ি নির্মাণের জন্য ৩,৪৭৩ কোটি টাকার অনুমোদনপত্র তুলে দেন তিনি।
38
আবাস যোজনার নিয়মে ৩টি বড় বদল
প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা-গ্রামীণ (PMAY-G) প্রকল্পের অধীনে স্থায়ী বাড়ির যোগ্যতার মানদণ্ডে তিনটি বড় বদল আনা হয়েছে, যার ঘোষণা করেছেন কেন্দ্রীয় গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রী শিবরাজ সিং চৌহান। গ্রামীণ এলাকার আরও বেশি দরিদ্র পরিবার যাতে এই পাকা বাড়ির সুবিধা পেতে পারেন, সেই উদ্দেশ্যেই পুরোনো ও কঠিন নিয়মগুলি শিথিল করা হয়েছে।
দু-চাকার গাড়ি থাকলেও মিলবে বাড়ি: পুরোনো নিয়মে পরিবারের কারও নামে কোনো দু-চাকার গাড়ি (মোটরসাইকেল বা স্কুটার) থাকলে তারা আবাস যোজনার তালিকা থেকে বাদ পড়ত। নতুন নিয়ম অনুযায়ী, পরিবারে দু-চাকার যান বা মোটরচালিত মাছ ধরার নৌকা থাকলেও তারা এখন থেকে স্থায়ী বাড়ির জন্য যোগ্য বলে বিবেচিত হবে।
58
দ্বিতীয় বদল
মাসিক আয়ের ঊর্ধ্বসীমা বৃদ্ধি: আগে যে পরিবারের কোনো সদস্যের মাসিক আয় ১০,০০০ টাকার বেশি ছিল, তারা এই প্রকল্পের সুবিধা পেত না। নতুন সংশোধনীতে এই আয়ের সীমা বাড়িয়ে প্রতি মাসে ১৫,০০০ টাকা করা হয়েছে। অর্থাৎ, পরিবারের মাসিক আয় ১৫,০০০ টাকা পর্যন্ত হলেও আবাস যোজনার বাড়ি পাওয়া যাবে।
68
তৃতীয় বদল
রেফ্রিজারেটর বা ফ্রিজ রাখার ছাড়: আগে নিয়ম ছিল যে বাড়িতে রেফ্রিজারেটর বা ফ্রিজ থাকলে সেই পরিবারকে আর্থিক দিক থেকে সচ্ছল ধরে নিয়ে তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হতো। বর্তমান ডিজিটাল ও আধুনিক যুগে ফ্রিজ একটি সাধারণ প্রয়োজনীয় জিনিস হয়ে ওঠায় এই নিয়মটি বাতিল করা হয়েছে। এখন বাড়িতে ফ্রিজ থাকলেও আবাস যোজনার ঘর পাওয়ার ক্ষেত্রে কোনো বাধা থাকবে না।
78
২৯ লক্ষের বেশি নতুন সম্ভাব্য সুবিধাভোগীর সমীক্ষা
রাজস্থানে ২৯,১৩,৭৪৯ জন নতুন সম্ভাব্য সুবিধাভোগীর ওপর সমীক্ষা চালানো হয়েছে। সরেজমিনে যাচাইয়ের পর যোগ্যদের আবাসন দেওয়া হবে। তালিকা জেলা ও পঞ্চায়েত স্তরে স্বচ্ছভাবে প্রদর্শনের নির্দেশ দিয়েছেন মন্ত্রী, যাতে আপত্তি শোনা যায় এবং যোগ্য কারও নাম বাদ না পড়ে।
88
পঞ্চায়েতই ঠিক করবে উন্নয়নের পরিকল্পনা
বিকশিত ভারত-জি রাম জি প্রকল্পে আগামী নয় মাসে রাজস্থানে ১২,০০০ কোটি টাকা বিনিয়োগের লক্ষ্য রয়েছে। প্রতিটি পঞ্চায়েতকে বছরে প্রায় ৮০ লক্ষ টাকা দেওয়ার লক্ষ্যও আছে। শিবরাজের কথায়, গ্রাম উন্নয়নের সিদ্ধান্ত দিল্লি বা জয়পুরে নয়, পঞ্চায়েত স্তরে নেওয়া হবে।