Pariksha pe Charcha: ছাত্রদের থেকে শেখা ও বিকশিত ভারত নিয়ে আলোচনায় মোদী

Published : Feb 09, 2026, 01:53 PM IST
Pariksha pe Charcha: ছাত্রদের থেকে শেখা ও বিকশিত ভারত নিয়ে আলোচনায় মোদী

সংক্ষিপ্ত

'পরীক্ষা পে চর্চা'-য় প্রধানমন্ত্রী মোদী ছাত্রছাত্রীদের সঙ্গে কথা বলেন এবং জানান যে তিনি তাদের থেকে শেখেন। তিনি যুব সমাজকে বিকশিত ভারত ২০৪৭-এ অবদান রাখতে, প্রযুক্তির দাস না হয়ে বিচক্ষণতার সঙ্গে তা ব্যবহার করতে বলেন।

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী সোমবার 'পরীক্ষা পে চর্চা'-র নবম সংস্করণের দ্বিতীয় পর্বে ছাত্রছাত্রীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। অনুষ্ঠানের প্রথম পর্বটি ৬ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হয়েছিল। দ্বিতীয় পর্বে, প্রধানমন্ত্রী দেশের বিভিন্ন শহর - দেবমোগরা, কোয়েম্বাটুর, রায়পুর, গুয়াহাটি এবং দিল্লির ছাত্রছাত্রীদের সঙ্গে কথা বলেন।

ছাত্রছাত্রীদের সঙ্গে কথা বলার সময় প্রধানমন্ত্রী মোদী বলেন, "আমি বহু বছর ধরে 'পরীক্ষা পে চর্চা'-র মাধ্যমে দশম ও দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্রছাত্রীদের সঙ্গে কথা বলছি। আমি শেখানোর জন্য নয়, শেখার জন্য এই আলোচনায় অংশ নিই।"

বিকশিত ভারত ২০৪৭ এবং যুব সমাজের ভূমিকা নিয়ে প্রধানমন্ত্রী

বিকশিত ভারত ২০৪৭ লক্ষ্যে যুব সমাজ কীভাবে অবদান রাখতে পারে, এক ছাত্রের এই প্রশ্নের উত্তরে প্রধানমন্ত্রী মোদী বলেন যে ছাত্রছাত্রীরা দেশের ভবিষ্যৎ নিয়ে ভাবছে দেখে তিনি খুশি। তিনি বলেন, "আমার দেশের দশম ও দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্রছাত্রীদের মনেও বিকশিত ভারত ২০৪৭-এর স্বপ্ন রয়েছে দেখে আমার খুব ভালো লেগেছে। এটা আমার জন্য অত্যন্ত আনন্দের বিষয়। আমাদের উন্নত দেশগুলোর অভ্যাস গ্রহণ করা উচিত, লাল আলোতে গাড়ির ইঞ্জিন বন্ধ করা উচিত, খাবার নষ্ট করা উচিত নয় এবং অপচয় কমানো উচিত... আমাদের জীবনে শৃঙ্খলা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।"

প্রযুক্তিকে সরঞ্জাম হিসেবে ব্যবহার করুন, প্রভু হিসেবে নয়

এক ছাত্রের প্রশ্নের উত্তরে প্রধানমন্ত্রী প্রযুক্তির ওপর অতিরিক্ত নির্ভরশীল হওয়ার বিরুদ্ধে সতর্ক করে বলেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) এবং মোবাইল ফোনকে সরঞ্জাম হিসেবে ব্যবহার করা উচিত এবং দৈনন্দিন জীবনকে নিয়ন্ত্রণ করতে দেওয়া উচিত নয়। প্রধানমন্ত্রী বলেন, "আমাদের চেষ্টা করা উচিত AI বা মোবাইলকে প্রভু না বানানোর; কিছু বাচ্চা স্মার্টফোন না দেখলে খাবার খায় না। আমরা AI-কে দক্ষতার সঙ্গে ব্যবহার করতে পারি। আমাদের প্রযুক্তির দাস হওয়া উচিত নয়... আমাদের প্রযুক্তির মাধ্যমে নিজেদের সম্ভাবনাকে প্রসারিত করতে হবে... AI-কে ভয় পাওয়ার কোনো প্রয়োজন নেই।"

শৃঙ্খলা, শিক্ষা এবং প্রতিভা প্রসঙ্গে

প্রধানমন্ত্রী অনুপ্রেরণার পাশাপাশি শৃঙ্খলার গুরুত্বের ওপর জোর দিয়ে বলেন, সাফল্য অর্জনের জন্য শুধু অনুপ্রেরণাই যথেষ্ট নয়। তিনি আরও বলেন, খেলাধুলা বা অন্যান্য প্রতিভা বিকাশের পাশাপাশি শিক্ষাকে অবহেলা করা উচিত নয় এবং একটি ভারসাম্যপূর্ণ পদ্ধতির প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন। তিনি বলেন, "যদি শৃঙ্খলা না থাকে, তাহলে যতই অনুপ্রেরণা থাকুক না কেন, তার কোনো লাভ হবে না। ধরুন, দুই কৃষক একে অপরের থেকে অনুপ্রেরণা নিলেন, কিন্তু যদি সময়মতো কাজ না করা হয়, তাহলে ফসলের ক্ষতি হতে পারে। অর্থাৎ, শৃঙ্খলা ছাড়া কৃষকের ক্ষতি হতে পারে। অনুপ্রেরণার সঙ্গে যখন শৃঙ্খলা যুক্ত হয়, তখন তা সোনায় সোহাগার মতো কাজ করে।"

পড়াশোনা ও খেলাধুলার ভারসাম্য

তিনি বলেন, “জীবনে এবং সামাজিক জীবনেও শিক্ষার প্রয়োজন আছে। একে ছোট করে দেখা উচিত নয়। কখনও এই ভুল করবেন না যে, 'আমি খেলাধুলায় খুব ভালো, তাই আমার পড়াশোনা করার দরকার নেই।' কিন্তু এটাও সত্যি নয় যে শুধু শিক্ষাই সবকিছু সামলে নেবে। আপনার মধ্যে যে প্রতিভা আছে, তার বিকাশ ঘটানো উচিত। খেলোয়াড় হওয়ার জন্য খেলুন, সেটাই মূল বিষয়। কিন্তু জীবনে খেলা থাকাও জরুরি। জীবনকে খেলা হওয়া থেকে বাঁচাতে চাইলে জীবনে খেলা থাকা উচিত। আপনাকে পড়াশোনার পাশাপাশি খেলতেও হবে।”

PREV
Read more Articles on
click me!

Recommended Stories

ইতিহাস তৈরি করতে চলেছেন কেরলের মহিলা থানিয়া নাথন, তিনি প্রথম দৃষ্টিহীন বিচারক হতে চলেছেন
২% DA Hike-এর ঘোষণা মার্চেই? হোলির আগেই কপাল খুলতে পারে সরকারি কর্মীদের