
বৃহস্পতিবার জিএসটি কাউন্সিলের নতুন দফার সংস্কারকে স্বাগত জানালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তিনি জানান, এই পদক্ষেপের ফলে দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়া যাবে। করদাতাদের খরচও কমবে। পাশাপাশি স্বয়ংক্রিয় রিফান্ড এবং আস্থানির্ভর প্রশাসন গড়ে তোলা সহজ হবে। এক্স (X) হ্যান্ডেলে প্রধানমন্ত্রী মোদী লেখেন, গ্রেফতারির নিয়ম বাতিল, অপরাধের তকমা কমানো এবং প্রক্রিয়া সহজ করার বিষয়ে কাউন্সিলের সুপারিশগুলি করদাতা ও ব্যবসায়ীদের ওপর "খুবই ইতিবাচক প্রভাব" ফেলবে।
জিএসটি কাউন্সিলের অনুমোদিত নতুন দফার সংস্কারকে আমি স্বাগত জানাই। গ্রেফতারির নিয়ম বাতিল, অপরাধের তকমা কমানো এবং প্রক্রিয়া সহজ করার বিষয়ে কাউন্সিলের সুপারিশগুলি খুবই ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে। লক্ষ্য একদম স্পষ্ট: দ্রুত সিদ্ধান্ত। কম খরচ। স্বয়ংক্রিয় রিফান্ড। আস্থানির্ভর প্রশাসন। জিএসটি-কে আরও কার্যকর, স্বচ্ছ এবং নাগরিক-বান্ধব করে তোলার জন্য আমাদের যে নিরন্তর প্রচেষ্টা, এই পদক্ষেপ তারই অঙ্গ।
প্রধানমন্ত্রী মোদী বলেন, "জিএসটি কাউন্সিলের অনুমোদিত নতুন দফার সংস্কারকে আমি স্বাগত জানাই। গ্রেফতারির নিয়ম বাতিল, অপরাধের তকমা কমানো এবং প্রক্রিয়া সহজ করার বিষয়ে কাউন্সিলের সুপারিশগুলি খুবই ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।" তিনি আরও যোগ করেন, "লক্ষ্য একদম স্পষ্ট: দ্রুত সিদ্ধান্ত। কম খরচ। স্বয়ংক্রিয় রিফান্ড। আস্থানির্ভর প্রশাসন। জিএসটি-কে আরও কার্যকর, স্বচ্ছ এবং নাগরিক-বান্ধব করে তোলার জন্য আমাদের যে নিরন্তর প্রচেষ্টা, এই পদক্ষেপ তারই অঙ্গ।"
৫৭তম জিএসটি কাউন্সিলের বৈঠকের পরই প্রধানমন্ত্রীর এই মন্তব্য সামনে এল। এই বৈঠকে মূলত করদাতাদের জন্য নিয়মকানুন সহজ করা, বিবাদ কমানো এবং প্রক্রিয়াগত সংস্কারের ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। ৫৭তম জিএসটি কাউন্সিলের বৈঠকের পর সাংবাদিক সম্মেলনে অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন বলেন, "জিএসটি কাউন্সিল বিষয়টি দেখবে। বছরে মাত্র একবারই করের হারে পরিবর্তন আনা হবে এবং তা শুধুমাত্র ১ এপ্রিল থেকেই কার্যকর করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।"
বড়সড় সংস্কারের মধ্যে অন্যতম হলো, জিএসটি আধিকারিকদের গ্রেফতার করার ক্ষমতা কেড়ে নেওয়ার সুপারিশ করেছে কাউন্সিল। পাশাপাশি, ফৌজদারি মামলার ক্ষেত্রে আর্থিক সীমা ১ কোটি টাকা থেকে বাড়িয়ে ৫ কোটি টাকা করা হয়েছে।
সীতারামন বলেন, "জিএসটি-র অধীনে গ্রেফতারির ক্ষমতা বাতিল করার সুপারিশ করেছে কাউন্সিল।" সাধারণ জরিমানার অঙ্ক ২৫,০০০ টাকা থেকে কমিয়ে ১০,০০০ টাকা করারও সুপারিশ করেছে কাউন্সিল। এছাড়া ন্যূনতম শাস্তির নিয়ম বাতিল করে, সাজা দেওয়ার বিষয়টি আদালতের বিবেচনার ওপর ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। করদাতাদের জন্য আরও একটি স্বস্তির খবর হলো, ১০,০০০ টাকার কম অঙ্কের ক্ষেত্রে আর কোনও নোটিশ পাঠানো হবে না বলে সুপারিশ করেছে কাউন্সিল। এমনকি এই সীমার নিচে থাকা পুরনো নোটিশগুলোও প্রত্যাহার করে নেওয়া হবে। সীতারামন বলেন, "একইভাবে, ওই নির্দিষ্ট সীমার নিচে থাকা বকেয়া নোটিশগুলোও আমরা প্রত্যাহার করে নেব। যদি আগে নোটিশ পাঠানো হয়ে থাকে, তবে তা ফিরিয়ে নেওয়া হবে।"