নিজেদের দীর্ঘদিনের দাবি আদায়ে আন্দোলনে নামলেন প্রায় ৩ লক্ষ সরকারি কর্মী। বুধবার, ২১ অক্টোবর এবং বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর—এই দু’দিন গণছুটিতে থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তাঁরা।
নিজেদের দীর্ঘদিনের দাবি আদায়ে আন্দোলনে নামলেন প্রায় ৩ লক্ষ সরকারি কর্মী। বুধবার, ২১ অক্টোবর এবং বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর—এই দু’দিন গণছুটিতে থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তাঁরা। এর জেরে রাজ্যজুড়ে সরকারি দফতরের কাজকর্ম ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
26
দীর্ঘদিন ধরে একাধিক দাবি নিয়ে সরকারের বিরুদ্ধে সরব কর্মী সংগঠনগুলি। তাদের অভিযোগ, দাবি পূরণের আশ্বাস মিললেও এখনও পর্যন্ত প্রত্যাশিত পদক্ষেপ করেনি সরকার। সেই প্রতিবাদেই ২১ ও ২২ অক্টোবর গণছুটিতে থাকার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
36
প্রায় ৩ লক্ষ কর্মী এই আন্দোলনে যোগ দেবেন। বুধবার চণ্ডীগড়ের পঞ্জাব সিভিল সেক্রেটারিয়েট ভবনে ধর্নায় বসারও পরিকল্পনা রয়েছে তাঁদের। দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন কর্মীরা।
46
কর্মীদের অন্যতম প্রধান দাবি, বকেয়া মহার্ঘ ভাতা বা DA মিটিয়ে দিতে হবে। পাশাপাশি, পুরনো পেনশন ব্যবস্থা পুনরায় চালু করা, অস্থায়ী কর্মীদের স্থায়ীকরণ এবং প্রবেশনারি সময়কালে বেতন সংক্রান্ত সমস্যার সমাধান করার দাবিও জানিয়েছেন তাঁরা।
56
কর্মী সংগঠনের দাবি, হাই কোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী তাঁদের ১৮ শতাংশ বকেয়া মহার্ঘ ভাতা পাওয়ার কথা। কিন্তু মুখ্যমন্ত্রী ভগবন্ত মানের সঙ্গে সাম্প্রতিক বৈঠকের পর মাত্র ৮ শতাংশ DA দেওয়ার বিষয়টি সামনে এসেছে বলে দাবি তাঁদের। কর্মীদের বক্তব্য, তাঁদের প্রাপ্য এবং দাবির তুলনায় এই পরিমাণ যথেষ্ট নয়।
66
গণছুটির কারণে সরকারি দফতরে বিভিন্ন পরিষেবা পেতে দেরি হতে পারে। অন্যদিকে, বাস পরিষেবা ব্যাহত হলে যাতায়াতের জন্য বিকল্প পরিবহণের উপর নির্ভর করতে হতে পারে যাত্রীদের। এখন দেখার, কর্মীদের দাবির বিষয়ে পঞ্জাব সরকার কোনও সমাধানসূত্র বের করতে পারে কি না। আপাতত দু’দিনের এই আন্দোলনকে ঘিরে রাজ্যের সরকারি পরিষেবা ও গণপরিবহণ ব্যবস্থা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।