Supreme Court On Sir: এসআইআর বা পশ্চিমবঙ্গে হওয়া ভোটার তালিকা নিবিড় সমীক্ষার কাজ কতটা বৈধ? এই নিয়ে শীার্ষ আদালতে মামলা গড়ালেও ধোপে টিকলো না সেই ইস্যু। এসআইআর নিয়ে কড়া পর্যবেক্ষণ সুপ্রিম কোর্টের। কী বলল দেশের সর্বোচ্চ আদালত? জানুন আরও বিশদে…
বাংলায় বিধানসভা নির্বাচন পর্বে হওয়া ভোটার তালিকা বিশেষ সমীক্ষা বা এসআইআর কতটা বৈধ তা নিয়ে এবার অবস্থান স্পষ্ট করল শীর্ষ আদালত। এই বিষয়ে সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্ত, বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী এবং বিচারপতি বিপুল মনুভাই পাঞ্চোলির বেঞ্চ জানিয়েছে যে, SIR-কে কোনওভাবেই বেআইনি বলা যাবে না।
25
কী বলছে শীর্ষ আদালত?
নির্বাচন কমিশনের এসআইআর করার ক্ষমতা রয়েছে। এটাকে বেআইনি প্রক্রিয়া বলা যাবে না বলেও এদিন জানিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। নির্বাচন কমিশন আইন ও সংবিধান মেনেই কাজ করেছে। আইনগত ক্ষমতার বাইরে গিয়ে কমিশন কাজ করেছে এমনটা বলা যাবে না বলেও জানিয়েছে আদালত।
35
নির্ভুল ভোটার তালিকা তৈরি নিয়ে পদক্ষেপ সুপ্রিম কোর্টের
অবাধ, শান্তিপূর্ণ ও সুষ্ঠু নির্বাচন শুধু ভোট গ্রহণ প্রক্রিয়াকেই বলা যাবে না। নির্ভুল, সঠিক এবং বিশ্বাসযোগ্য ভোটার তালিকা তৈরি করাটাই এর আসল ভিত্তি।
কোনও প্রক্রিয়ায় যদি যথাযথ সুরক্ষা ব্যবস্থা থাকে তাহলে তা সংবিধানসম্মতভাবে কার্যকর করা সম্ভব। এসআইআর প্রক্রিয়া এমনভাবে করা হয়েছে যাতে ভোটার তালিকা নির্ভুল হয় এবং ভোটারদের অধিকার অক্ষুন্ন থাকে। এস আই আর এর উদ্দেশ্য সম্পূর্ণ বৈধ এবং সংবিধানসম্মত। আইন মিনিং এস আই আর প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নাম বাদ দেওয়া হয়েছে।
55
ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ নিয়ে কী বলল সুপ্রিম কোর্ট?
এসআইআর প্রক্রিয়াকে ইচ্ছাকৃতভাবে ভোটারদের নাম বাদ দেওয়ার প্রক্রিয়া বলাটা ঠিক হবে না। কারণ, কমিশন যে সমস্ত নথি চেয়েছে তার সমস্ত কিছুই নাগরিকদের কাছে থাকার কথা। ভোটার তালিকায় নাম না থাকা মানেই তাকে বিদেশি নাগরিক বলে ঘোষণা করা যাবে না। এসআইআর এর মাধ্যমে নাম বাদ দেওয়ার প্রক্রিয়ার কোনও মতে আইনবিরুদ্ধ নয়। কারণ এই প্রক্রিয়ায় নিয়মিত নোটিশ জারি এবং শুনানির অধিকার বজায় রাখা হয়েছে। যদি কোনও ভোটারের নাম ভুলবশত বাদ চলে যায়, তাহলে তিনি পুনরায় আবেদন করার সুযোগ পাবেন। এবং কমিশন আইন অনুযায়ী তা খতিয়ে দেখে সিদ্ধান্ত নিতে পারবে।