
Supreme Court of India: হিন্দু (Hinduism), শিখ (Sikhism) ও বৌদ্ধ (Buddhism) ছাড়া অন্য কোনও ধর্মের মানুষ তপশিলি জাতির স্বীকৃতি (Scheduled Castes Status) দাবি করতে পারবেন না। তপশিলি জাতি ও তপশিলি উপজাতির উপর অন্যায়-অত্যাচার প্রতিরোধ (Scheduled Castes and Scheduled Tribes (Prevention of Atrocities) Act) করার জন্য যে আইন রয়েছে, তারও সুবিধা পাবেন না হিন্দু, শিখ ও বৌদ্ধ ধর্ম ছাড়া অন্য ধর্মের মানুষজন। নির্দিষ্ট তিন ধর্ম ছেড়ে অন্য কোনও ধর্ম গ্রহণ করলেও তপশিলি জাতির স্বীকৃতি পাওয়া যাবে না। মঙ্গলবার এই রায় দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। এর আগে অন্ধ্রপ্রদেশ হাইকোর্ট (Andhra Pradesh High Court) এক রায়ে বলেছিল, কোনও একজন ব্যক্তি যদি খ্রিস্ট ধর্ম (Christianity) গ্রহণ করেন এবং সক্রিয়ভাবে এই ধর্ম পালন করেন, তাহলে তিনি আর তপশিলি জাতির সদস্য হিসেবে নিজেকে পরিচয় দিতে পারবেন না। সেই রায় বহাল রাখল সুপ্রিম কোর্ট।
গত বছরের মে মাসে চিন্তাদা আনন্দ (Chinthada Anand) নামে গির্জার দায়িত্বপ্রাপ্ত এক ব্যক্তির আর্জি খারিজ করে তাঁর তপশিলি জাতির স্বীকৃতি বাতিল করে দেয় অন্ধ্রপ্রদেশ হাইকোর্ট। এই ব্যক্তি দাবি করেন, তিনি জাত ও ধর্মের কারণে বৈষম্যের শিকার হচ্ছেন। কয়েকজন তাঁর উপর নির্যাতন চালাচ্ছে। অন্ধ্রপ্রদেশ হাইকোর্টের রায়ের বিরোধিতা করে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হন চিন্তাদা। তবে তাঁর আর্জি খারিজ করে দিল সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি পি কে মিশ্র (Justice PK Mishra) ও বিচারপতি এন ভি অঞ্জনিয়ার (Justice NV Anjaria) বেঞ্চ।
অনেকেই ধর্মান্তরিত হওয়ার পরেও তপশিলি জাতি ও উপজাতির তকমা ধরে রেখেছেন। কিন্তু মঙ্গলবার শীর্ষ আদালত যে রায় দিয়েছে, তারপর এই ধরনের ব্যক্তিরা সেই স্বীকৃতি হারাতে চলেছেন। ফলে সারা দেশেই এই রায়ের প্রভাব পড়তে চলেছে। এই রায় অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ হতে চলেছে।
আরও খবরের আপডেট পেতে চোখ রাখুন আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।