
তৃণমূল কংগ্রেসের অন্দরে এখন ভাঙনের ঝড়। একে একে কলকাতা বিমানবন্দর থেকে দিল্লির পথে রওনা দিয়েছেন দলের বিক্ষুব্ধ সাংসদরা। দেব, মালা রায়, কাকলী ঘোষ দস্তিদার — সকলেই গন্তব্য এক, রাজধানী দিল্লি। আর সায়নী ঘোষ? তিনি আগেই পৌঁছে গিয়েছেন দিল্লি বিমানবন্দরে।
সূত্রের খবর, রবিবার বিকেল ৪টেয় কেন্দ্রীয় মন্ত্রী তথা পশ্চিমবঙ্গের BJP পর্যবেক্ষক ভূপেন্দ্র যাদবের বাসভবনে বসবে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক। সেখানে চূড়ান্ত হবে পরবর্তী কর্মপন্থা। বৈঠক শেষে বিক্ষুব্ধ সাংসদরা রাতের খাবার সারবেন বঙ্গভবনে।
সূত্রের দাবি, সোমবারই কাকলী ঘোষ দস্তিদারের নেতৃত্বে ১৯ জন বিক্ষুব্ধ সাংসদ তাঁদের স্বাক্ষর-সহ সরাসরি লোকসভা অধ্যক্ষের দরজায় যেতে পারেন। এই পদক্ষেপ তৃণমূলের সংসদীয় দলের ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করবে।
সবচেয়ে বড় প্রশ্ন এখন একটাই — সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় কি বিদ্রোহীদের সঙ্গে হাঁটবেন?
শনিবারই শতাব্দী রায়ের সঙ্গে একই গাড়িতে দেখা গিয়েছে তাঁকে। এমনকী অমিত শাহের সঙ্গেও বৈঠক করেছেন তিনি। স্বাক্ষর না থাকলেও রাজনৈতিক মহলে জল্পনা তুঙ্গে।
শুধু লোকসভা নয়, বিধানসভাতেও ভাঙছে তৃণমূল। ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে তৈরি হয়েছে 'নতুন তৃণমূল ব্লক'। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের একদা বিশ্বস্ত সহযোদ্ধারাই আজ পথ হাঁটছেন আলাদা।