প্রকাশ্য সভায় পাঞ্জাবি-হরিয়ানভি'দের চরম অপমান, জাতি বিদ্বেষী মন্তব্যে ফের বিতর্কে বিপ্লব

Published : Jul 20, 2020, 11:15 AM ISTUpdated : Jul 21, 2020, 11:01 AM IST
প্রকাশ্য সভায় পাঞ্জাবি-হরিয়ানভি'দের চরম অপমান, জাতি বিদ্বেষী মন্তব্যে ফের বিতর্কে বিপ্লব

সংক্ষিপ্ত

ফের একবার বিতর্কে বিপ্লবকুমার দেব এবার পঞ্জাবি ও হরিয়ানভিদের নিয়ে তিনি করলেন অবমাননাকর মন্তব্য যা জাতি বিদ্বেষের সামিল বলছেন অনেকে তবে ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রীর বিতর্কিত মন্তব্য এই প্রথম নয়  

বিপ্লবকুমার দেব-এর ছায়ার নামই যেন বিতর্ক। ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর থেকে অজস্রবার তিনি আলপটকা মন্তব্যে বিতর্কের ঝড় তুলেছেন। রবিবার এক অনুষ্ঠানে বক্তৃতা দিতে গিয়ে ফের একবার তেমনটাই ঘটালেন এই বিজেপি নেতা। পঞ্জাব ও হরিয়ানার বাসিন্দাদের সঙ্গে বাঙালিদের তুলনা করতে গিয়ে রীতিমতো জাতি বিদ্বেষী মন্তব্য করে বসলেন ত্রিপুরার বিজেপি সরকারের প্রধান।

রবিবার আগরতলায় ত্রিপুরা ইলেকট্রনিক মিডিয়া সোসাইটির এক সম্মেলন ছিল। সেখানেই প্রধান অতিথি হিসাবে এসেছিলেন ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী। বক্তৃতাকালে তিনি বলেন, পাঞ্জাবি এবং হরিয়ানভিরা শারীরিকভাবে শক্তিশালী হলেও তাদের 'বুদ্ধি'র অভাব রয়েছে। এর পাশাপাশি 'বাঙালিদের বুদ্ধি এবং মস্তিষ্ক'কে কেউ পরাস্ত করতে পারবে না। তিনি বলেন, পাঞ্জাবি সর্দাররা কোনও কিছুকে ভয় পায় না। তাদের সঙ্গে শারীরিকভাবে শক্তিতে পেরে ওঠা কঠিন। হরিয়ানায় আছে জাটরা। তারাও শারীরিকভাবে সুগঠিত। কিন্তু দুই জাতিই, তাঁর মতে দুর্বল মস্তিষ্কের। অন্যদিকে 'বাংলা ও বাঙালির কথা উঠলে বলতে হয়, এই বিশ্বে বাঙালিরা বুদ্ধির জন্যই পরিচিত। কোনও বাঙালির বুদ্ধি এবং মস্তিষ্ককে কেউ পরাজিত করতে পারে না'। কাজেই পঞ্জাবী এবং হরিয়ানভিদের পরাস্ত করতে গেলে শারীরিকভাবে নয়, বাঙালিদের কাজে লাগাতে হবে বুদ্ধি এবং মস্তিষ্ক।

এটা অনস্বীকার্য যে, ঘরোয়া আড্ডায় পঞ্জাবীদের বুদ্ধি নিয়ে হাসাহাসি করে থাকেন বাঙালিরা। নিজেদের বুদ্ধিবৃত্তির বরাই-ও কম করেন না। কিন্তু, ভারতের একটি অঙ্গরাজ্যের মুখ্য়মন্ত্রী হিসাবে প্রকাশ্যে এই কথা বলা অত্যন্ত গুরুতর বিষয়, জাতি বিদ্বেষের সামিল বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। তবে এখনও পর্যন্ত বিপ্লব দেবের যে সমস্ত বাণী শোনা গিয়েছে, তাতে তাঁর কাছ থেকে এটাই প্রত্যাশিত বলছেন বিরোধী দলের নেতারা।  

এর আগে তিনি কখনও বলেছেন হিন্দিকে জাতীয় ভাষা হিসাবে গ্রহণ করেন না যাঁরা তাঁরা দেশকে ভালোবাসেন না। কখনও বলেছেন, মেকানিকাল ইঞ্জিনিয়ারদের নয়, শুধুমাত্র সিভিল ইঞ্জিনিয়ারদেরই সিভিল সার্ভিসে যোগ দেওয়া উচিত। কখনও বলেছেন তাঁর সরকারের সমালোচকদের নখ উপরে দেওয়া হবে। আর মহাভারত ও পুরান নিয়ে নানান আজগুবি মন্তব্য তো আছেই।

 

PREV
click me!

Recommended Stories

'কলকাতায় গেলে ভয় লাগে, মনে হয় ভারতে নেই', মমতা সরকারকে আক্রমণ রবি কিষাণের
West Asia Crisis: ৪৮ ঘণ্টায় ৮ রাষ্ট্রপ্রধানকে ফোন মোদীর, কেন এই তৎপরতা?