৯ ঘণ্টার বদলে দিনে ১৪ ঘণ্টা কাজ করতে হবে! আইটি সংস্থার বায়নায় ক্ষুব্ধ কর্মীরা

Published : Jul 21, 2024, 09:17 PM IST
indian it sector hiring declines

সংক্ষিপ্ত

কর্ণাটকের দোকান ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান সংক্রান্ত আইন সংশোধনের জন্য চাপ রয়েছে কর্ণাটক সরকারের। রাজ্যের আইটি কোম্পানিগুলি চাইছে সংশোধিত আইনে কর্মীদের কাজের সময় বাড়িয়ে দেওয়া হোক। 

দিন আট ঘণ্টা নয়। বর্তমানে যে আইন চালু রয়েছে তাতে আইটি সেক্টরের কর্মীদের দিনে ৯ ঘণ্টা কাজ করানো যায়। সঙ্গে এক ঘণ্টার ওভারটাইম। কিন্তু কর্ণাটকে আইটি কর্মীদের কাজের সময় বাড়িয়ে ১৪ ঘণ্টা করার দাবি তুলেছে আইসি সেক্টরগুলি। মৌখিক নয়, রাজ্য সরকারের কাছে এই মর্মে প্রস্তাব জমাও দেওয়া হয়েছে ইতিমধ্যে। সূত্রের খবর তাতেই রীতিমত ক্ষুব্ধ কর্ণাটকের আইটি সেক্টরের কর্মীরা।

এই প্রস্তাব যদি কর্ণাটক সরকার মেনে নেয় তাহলে কর্মীদের সপ্তাহে ৭০ ঘণ্টা কাজ করতে হবে। কারণ আইটি সেক্টরগুলিতে ৫ দিনে সপ্তাহ। যদিও মুখ্যমন্ত্রী সিদ্দারামাইয়া এখনও এই নিয়ে কোনও কথা বলেনি।

সূত্রের খবর কর্ণাটকের দোকান ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান সংক্রান্ত আইন সংশোধনের জন্য চাপ রয়েছে কর্ণাটক সরকারের। রাজ্যের আইটি কোম্পানিগুলি চাইছে সংশোধিত আইনে কর্মীদের কাজের সময় বাড়িয়ে দেওয়া হোক। বেসরকারি সংস্থাগুলির দাবি কাজের সময় হবে ১২ ঘণ্টা। আর সঙ্গে ২ ঘণ্টা ওভারটাইম। আইটি সংস্থাগুলির প্রস্তাব আইটি ও কলসেন্টারের কর্মীদের দিনে ১২ ঘণ্টার বেশি ও টানা তিন মাসে ১২৫ ঘণ্টা কাজের ছাড়পত্র দেওয়া হোক। এই প্রস্তাব নিয়ে ইতিমধ্যেই আলোচনা চলছে সরকারের।

যদিও এই প্রস্তাবের তীব্র বিরোধিতা করেছে কর্ণাটক আইটি কর্মচারী ইউনিয়ন বা KITU । তাদের দাবি কাজের সময় যদি বাড়ান হয় তাহলে শিফটের সংখ্যা কমবে। তাকে একটি বড় অংশের কর্মীদের কাজ হারাবে। আইটি সংস্থাগুলিতে বর্তমানে তিনটি শিফটে কাজ হয়। কাজের সময় বাড়ালে দুটি শিফট থাকবে। তাতে একটি শিফটের কর্মীদের কাজ যাওয়ার সম্ভাবনা প্রবল। দেশের আইটি হাব বলে পরিচিত বেঙ্গালুরু। তাই কর্ণাটক সরকার যদি বেসরকারি সংস্থার প্রস্তাব মেনে নেয়, তাহলে দেশের বাকি অংশেও এর প্রভাব পড়বে বলেও আশঙ্কা করা হচ্ছে।

আরও খবরের জন্য চোখ রাখুন এশিয়ানেট নিউজ বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।

PREV
click me!

Recommended Stories

তারেক রহমানকে সস্ত্রীক ভারত সফরে আমন্ত্রণ মোদীর, চিঠি দিলেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে
AI-এর অপব্যবহার নিয়ে সতর্ক করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, নিরাপদ ব্যবহারে জোর