গ্যালওয়ানে সেনা সরলেও উত্তেজেনা বাড়ছে দক্ষিণ চিন সাগরে, সামুদ্রিক মহড়া নিয়ে বেজিংকে হুঁশিয়ারি পেন্টাগনের

Published : Jul 06, 2020, 04:17 PM IST
গ্যালওয়ানে সেনা সরলেও উত্তেজেনা বাড়ছে দক্ষিণ চিন সাগরে, সামুদ্রিক মহড়া নিয়ে বেজিংকে হুঁশিয়ারি পেন্টাগনের

সংক্ষিপ্ত

ক্রমশই উত্তপ্ত হয়ে উঠছে চিন সাগর নিজের দাখল ছাড়তে নারাজ বেজিং হুঁশিয়ারি দিচ্ছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র  চিন সাগররের গুরুত্ব ক্রমশই বাড়ছে   

চিনের রাষ্ট্রায়াত্ত্ব সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছিল দক্ষিণ চিন সাগরের পুরো নিয়ন্ত্রণ রয়েছে চিনের পিপিলস লিবারেশন আর্মির হাতে। চিন এই এলাকায় অ্যান্টি এয়ার ক্রাফ্ট ক্যারিয়ার ডিএফ ২১ডি ও ডিএফ-২৬এর বিস্তৃতী পরীক্ষা করে দেখছে। মার্কিন এয়ার ক্র্যাফ্টের গতিও নির্ধারণ করতে পারবে চিন। গ্লোবাল টাইমসে এই খবর প্রকাশি হওয়ার পরই রীতিমত হুংকার ছেড়েছে মার্কিন নৌবাহিনী। নৌবাহিনীর তরফে বলা হয়েছ দক্ষিণ চিন সাগরে আন্তর্জাতিক জলে প্রতিপক্ষের চোখ রাঙানি সহ্য করা হবে না। পাশাপাশি জানান হয়েছে মার্কিন নৌবাহিনী উপস্থিত রয়েছে। 

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দুই ইউএসএস রোনাল্ড রোগান ও ইউএসএস নিমিটজকে  সামরিক মহড়ায় অংশ নিতে চিন সাগরে পাঠিয়েছে। আর এই মহড়াটি দীর্ঘ পরিকল্পিত। চিন নিজের এলাকায় প্রতিপক্ষ  প্যারাসেল দ্বীপের কাছেই মহড়া চালায়। কারণ এই দ্বীপটির দখলদারি নিয়ে চিনের সঙ্গে বিবাদ রয়েছে ভিয়েতনামের। যে কারণে আমেরিকা সহ বিশ্বের বহু দেশই সমালোচনা করেছে চিনের। কিন্তু তারপরেও মার্কিন মহড়া মেনে নিতে পারছে না চিন। 

কারণ মার্কিন নৌবাহিনীর দক্ষিণ চিন সাগরে পারমাণবিক শক্তিদ্বারা চালিত বিমান বাহক ক্যারিয়ার পরিচালনা অপরিহার্যভাবে শক্তির প্রদর্শন তো বটেই পাশাপাশি হংকংসহ বেশ কয়েকটি প্রতিবেশী দেশের পাশে থাকার বার্তাও। সম্প্রতি হংকং ইস্যুতে বেজিং-এর সঙ্গে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মতবিরোধ প্রকাশ্যে এসেছে। হংকং ইস্যুতে মার্কিন হস্তক্ষেপ পছন্দ করছে না চিন। তা স্পষ্ট করে দিয়েছে শি জিংপিং প্রশাসন। 

দক্ষিণ চিন সাগরে চিনে ছাড়াও রয়েছে ভিয়েতনাম, ফিলিপিন্স, কম্বোডিয়া, তাইওয়ানের মত দেশ। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রেও চিন সাগরের গুরুত্ব অপরিসীম। কারণ পণ্যবাহি অধিকাংশ জাহাজই এই এলাকা দিয়ে চলাচল করে। 

৭ বছর আগেই উহানের ল্যাবে ছিল করোনার মত ভাইরাল স্ট্রেইন, পরীক্ষাগারে কি 'মারণাস্ত্র' তৈরি করছিল চিন

ভারতের ওপর চাপ বাড়াতে অন্য কৌশল বেজিং-এর, আচমাকাই ভূটানের বনভূমিতে ড্রাগনের নিঃশ্বাস ...

পাল্টা করোনাভাইরাস ইস্যুতে বিশ্বে তচিনকে কোনঠাসা করতে উদ্যোগ নিয়েছে মার্কিন প্রশাসন। চিন প্রথম থেকে মহামারির তথ্য গোপন করছিল বলে অভিযোগ মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের। যদিও চিনের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে জানুয়ারি মাসেই বিশ্বকে এই রোগের প্রাদুর্ভাব নিয়ে সতর্ক করা হয়েছে। কিন্তু তারপরেও বিশ্বের কোনও দেশই গুরুত্ব দেয়নি বলে অভিযোগ বেজিং-এর। 

তবে সব মিলিয়ে চিনের সঙ্গে আমেরিকার দূরত্ব ক্রমশই বাড়ছে। যার আঁচ পড়ছে চিন সাগরেও। বেশ কয়েক মাস ধরেই চিন সাগরে সামরিক শক্তি বৃদ্ধি করার চেষ্টা করছে পেন্টাগন। কিন্তু চিন সাগরে নিজের অংশ ছাড়তে নাজার বেজিং। 


 

PREV
click me!

Recommended Stories

PM Modi in Australia: ভারত আমাদের ভরসার দেশ: মেলবোর্নে মোদীকে স্বাগত জানিয়ে বললেন ভিক্টোরিয়ার প্রিমিয়ার
Ethnic Unity Law: সীমান্ত পেরিয়েও চলবে ধরপাকড়, চিনের নতুন আইনে টার্গেট সংখ্যালঘু ও ভিন্নমতাবলম্বীরা