নিজেকে ক্ষমা করলেন না ট্রাম্প, মুক্তি পেলেন অবশ্য তাঁর সব 'অপরাধী' বন্ধুরাই

Published : Jan 20, 2021, 02:06 PM ISTUpdated : Jan 20, 2021, 02:07 PM IST
নিজেকে ক্ষমা করলেন না ট্রাম্প, মুক্তি পেলেন অবশ্য তাঁর সব 'অপরাধী' বন্ধুরাই

সংক্ষিপ্ত

বুধবারই হোয়াইট হাউস ছাড়ছেন ট্রাম্প তার আগে প্রয়োগ করলেন রাষ্ট্রপতির ক্ষমা করার ক্ষমতা তাতেই মুক্ত তাঁর বন্দি ও অভিযুক্ত প্রায় সকল মিত্ররাই তবে নিজেকে এবং তাঁর পরিবারের সদস্যদের ক্ষমা করেননি ট্রাম্প  

বুধবারই হোয়াইট হাউস ছাড়ছেন ট্রাম্প। তার আগে প্রথামতো শেষ মুহুর্তের ক্ষমা হিসাবে তিনি মুক্তি দিলেন তাঁর প্রাক্তন প্রধান কৌশলবিদ স্টিভ ব্যানন-কে। বুধবার দুপুরে মার্কিন রাষ্ট্রপতির কার্যালয় ছাড়ার আগে ট্রাম্প আরও অন্তত ১৪০ জনকে ক্ষমা করছেন বলে জানা গিয়েছে। এই তালিকায় যেমন দীর্ঘদিন কারাগারে কাটানো অপরিচিত কিছু নাম রয়েছে, তেমনই রয়েছে ট্রাম্পের প্রাক্তন বেশ কয়েকজন রাজনৈতিক মিত্ররা। তবে আশঙ্কা সত্যি না করে, শেষ পর্যন্ত নিজেকে এবং তাঁর পরিবারের সদস্যদের ক্ষমা করার রাস্তায় হাঁটেননি ট্রাম্প।

স্টিভ ব্যানন-এর বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল আমেরিকার দক্ষিণ সীমান্তে প্রাচীর তৈরির বিষয়ে ট্রাম্পের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি পূরণ করার নাম করে তিনি বহু মনুষের অর্থ আত্মস্বাত করেছেন। ট্রাম্পের প্রচারদলের এক আধিকারিক এবং তাঁর নিজের বেতন বাবদ ওই তহবিল থেকে প্রায় ১০ লক্ষ ডলারের বেশি তিনি সরিয়ে নিয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। ব্যাননের সঙ্গে সঙ্গে ট্রাম্পের ক্ষমা পেয়েছেন, তাঁর প্রচার দলের প্রাক্তন চেয়ারম্যান পল ম্যানাফোর্ট, তাঁর জামাইয়ের বাবা চার্লস কুশনার, দীর্ঘকালীন বন্ধু এবং উপদেষ্টা রজার স্টোন, তাঁর প্রাক্তন জাতীয় সুরক্ষা উপদেষ্টা মাইকেল ফ্লিন, দুর্নীতির অভিযোগে অভিযুক্ত ডেট্রয়েটের প্রাক্তন মেয়র ক্লোমে কিলপ্যাট্রিক, অস্ত্র অপরাধে অভিযুক্ত রেপার লিল ওয়েইন এবং কোডাক ব্ল্যাক প্রমুখ।

তবে ট্রাম্প নিজেকে বা তাঁর পরিবারের কোনও সদস্য বা তাঁর ব্যক্তিগত আইনজীবি রুডি গিলিয়ানি-কে অভক্ষিযোগমুক্ত করেননি। হোয়াইট হাউসের একটি সূত্র জানিয়েছে, ট্রাম্প রাষ্ট্রপতির শেষ অধিকরার প্রয়োগ করে নিজেকে ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে সব অভিযোগ মুছতে আগ্রহী ছিলেন। কিন্তু, হোয়াইট হাউসের আধিকারিকরা তাঁকে বোঝান, তিনি নিজেকে বা তাঁর পরিবারকে ক্ষমা করলে, মানুষ মনে করবে তাঁরা সত্যিই অপরাধী। এরপরই ট্রাম্প সেই রাস্তা থেকে সরে আসেন। তবে ওই সূত্র আরও জানিয়েছে, হোয়াইট হাউসের আধিকারিকরা ব্যানমকে ক্ষমা করারও বিরুদ্ধে ছিলেন। কিন্তু, প্রমাণ ছাড়া ভোটে জালিয়াতির বিষয়ে যে ট্রাম্প দাবি তুলেছিলেন, তার পক্ষে সমর্থন আদায়ের জন্য সম্প্রতি ব্যাননের সঙ্গে ফের যোগাযোগ করেছিলেন ট্রাম্প। তাই, ব্যাননকে ক্ষমা করাটা তাঁর বাধ্যবাধকতা ছিল, বলে মনে করা হচ্ছে।

 

 

PREV
click me!

Recommended Stories

US-Iran Conflict: আমেরিকা-ইরান যুদ্ধে কে জিতল? মিডিয়া সার্ভেতেই সব পরিষ্কার!
Bilateral Trade Agreement: বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে কথা বলতে জুনে ভারতে আসছে মার্কিন প্রতিনিধিদল