
KitKat Heist Memes: সাধারণত চোরেরা সোনা-দানা বা টাকা-পয়সা চুরি করে। কিন্তু ইউরোপের একদল চোরের বোধহয় খুব ‘ব্রেক’-এর দরকার ছিল। তাই তারা নেসলে কোম্পানির একটা গোটা ট্রাকই হাওয়া করে দিয়েছে, যাতে ১২ টন, অর্থাৎ ৪ লাখেরও বেশি কিটক্যাট চকলেট ভরা ছিল। গল্পটা সিনেমার মতো শোনালেও, এটাই সত্যি। এই ঘটনায় নেসলে কোম্পানির মাথায় হাত, আর ইন্টারনেট জুড়ে শুরু হয়েছে মিমের বন্যা।
ঘটনাটি ঘটেছে ইতালি এবং পোল্যান্ডের মাঝে। নেসলের কারখানা থেকে একটি ট্রাকে প্রায় ১২,০০০ কেজি (৪,১৩,৭৯৩টি বার) কিটক্যাট চকলেট লোড করা হয়েছিল। এই চালানটি ইউরোপের বাজারে বিক্রির জন্য যাচ্ছিল, কিন্তু মাঝ রাস্তাতেই ট্রাকটি তার ভেতরের সমস্ত চকলেট সমেত 'মিস্টার ইন্ডিয়া' হয়ে যায়। চোরেরা এতটাই নিখুঁতভাবে এই ডাকাতি করেছে যে, পুলিশ এবং কোম্পানি এখনও কোনও কিনারা খুঁজে পায়নি।
এই চুরির পর নেসলে একটি অফিসিয়াল বিবৃতি দিয়েছে। কোম্পানি জানিয়েছে যে ১২ টন কিটক্যাট সত্যিই চুরি গেছে। তবে ভালো খবর হল, এর ফলে বাজারে চকলেটের যোগানে কোনও প্রভাব পড়বে না। কিন্তু, নেসলে ক্রেতা, খুচরো বিক্রেতা এবং পাইকারি বিক্রেতাদের জন্য একটি সতর্কতা (Consumer Warning) জারি করেছে। কোম্পানি বলেছে, যে কোনও প্যাকেট কেনার আগে ভালো করে দেখে নিতে। চোরদের চুরি করা কিটক্যাট প্যাকেটগুলিতে একটি বিশেষ 'ব্যাচ কোড' (Batch Code) আছে। যদি আপনার মনে হয় যে আপনার কাছে চুরির মাল এসেছে, তাহলে প্যাকেটের কোডটি কীভাবে যাচাই করবেন, নেসলে তা জানিয়ে দিয়েছে। পেন্টাগন নয়, বরং স্থানীয় পুলিশই এখন এই 'চকলেট মার্ডার মিস্ট্রি'র সমাধান করার চেষ্টা করছে। নেসলে স্পষ্ট করে দিয়েছে যে চুরি হওয়া মাল ট্র্যাক করা সম্ভব।
এই অদ্ভুত চুরির ঘটনা ইন্টারনেটে হাসাহাসি আর আলোচনার জন্ম দিয়েছে। নেটিজেনরা সোশ্যাল মিডিয়ায় নেসলের পিছনে লেগেছে আর প্রশ্ন করছে, "ভাই, ১২ টন চকলেট দিয়ে आखिर হবেটা কী?"
এত্ত চকলেট কেন?: এক ইউজার লিখেছেন, 'কেউ ১২ টন কিটক্যাট কেন চুরি করবে? চোরদের কি গোটা পৃথিবীকে একটা ব্রেক দেওয়ার খুব দরকার পড়েছিল?'
কিটক্যাটের আকাল
সিনেমার প্লট: আরেকজন কমেন্ট করেছেন, 'আমার তো মনে হচ্ছে এটা কোনও হাসির সিনেমার গল্প, যা সত্যি হয়ে গেছে।'