
বাংলাদেশ সেনাবাহিনী নাইখংছড়িতে গোপনে একটি নতুন সেনানিবাস নির্মাণ করছে। প্রয়োজনীয় কাঠামো নির্মাণের প্রস্তুতি চলছে। এই এলাকাটি বাংলাদেশ-মায়ানমার সীমান্তের কাছে অবস্থিত এবং এখানে সশস্ত্র রোহিঙ্গা যোদ্ধাদের উল্লেখযোগ্য উপস্থিতি রয়েছে। অন্তত দুটি বাংলাদেশি সূত্র পৃথকভাবে নর্থইস্ট নিউজকে জানিয়েছে যে, নতুন সেনা ঘাঁটিটি নির্মাণের জন্য একটি নির্দিষ্ট ভূখণ্ড পতাকা টাঙিয়ে চিহ্নিত করার কাজ চলছে। বাংলাদেশি সূত্রগুলো জানিয়েছে যে, নতুন সেনানিবাস এলাকাটি বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ১০ম পদাতিক ডিভিশনের সদর দফতর রামুর (কক্সবাজার জেলা) কাছে নির্মিত হবে। বান্দরবান জেলার শেষ গ্রাম কেওকরাডং বাংলাদেশ-মায়ানমার-ভারত ত্রি-সংযোগস্থলের খুব কাছে অবস্থিত। ভারতীয় অংশে রয়েছে মিজোরাম জেলার দুদুকসোরা এবং আরও সামনে পারওয়া, যেখানে একটি বিএসএফ ইউনিট মোতায়েন রয়েছে।
ভারত-মায়ানমার সীমান্তের কাছে সামরিক সেনানিবাস
বিভিন্ন প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে, টেকনাফের উত্তরে এবং বান্দরবান জেলার নাইখংছড়ির অদূরে শিলখালিতে জমি পরিষ্কার ও মাটি সমান করার কাজ শুরু হয়েছে। গত বছরের এপ্রিলে নর্থইস্ট নিউজের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল যে, সেনাবাহিনী কক্সবাজার জেলার পূর্ব উপকূলে শিলখালিতে একটি নির্মাণের পরিকল্পনা করেছে, যা একটি সরবরাহ ঘাঁটি হিসেবে কাজ করবে।
তুর্কি অস্ত্র মোতায়েন করা হবে?
এই সরবরাহ ঘাঁটির জন্য জমি চূড়ান্ত করা হয়েছিল। ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান ব্যক্তিগতভাবে শিলখালির আশপাশের এলাকা পরিদর্শন করেন এবং প্রস্তাবিত সরবরাহ ঘাঁটির জন্য স্থান নির্বাচন করেন। টেকনাফ থেকে ৩০ কিলোমিটার উত্তরে অবস্থিত শিলখালি বঙ্গোপসাগরের তীরে একটি ছোট গ্রাম। এখানে প্রধানত তুরস্কের তৈরি ফিল্ড গান ও ট্যাঙ্ক-বিধ্বংসী গাইডেড অস্ত্রের পাশাপাশি মর্টার ও ছোট অস্ত্রের জন্য একটি ফিল্ড ফায়ারিং রেঞ্জ রয়েছে । তুরস্ক থেকে নতুন ড্রোন এবং আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা কেনারও পরিকল্পনা রয়েছে। তাই প্রশ্ন হল এখানে তুর্কি অস্ত্র মোতায়েন করা হবে কি না?