Donald Trump On Iran: এক সপ্তাহের বেশি সময় গড়ালেও কিছুতেই যেন থামছে না যুদ্ধের আঁচ। ফের ইরানের তৈল সমৃদ্ধ দ্বীপে হামলা চালাল আমেরিকা। শুধু তাই নয়, ভবিষ্যতেও এমন হামলা হবে বলে ফের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। পড়ুন আরও…
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প (Donald Trump) জানিয়েছেন যে, মার্কিন বাহিনী ইরানের গুরুত্বপূর্ণ খার্গ দ্বীপে শক্তিশালী বোমা হামলা চালিয়েছে। তাঁর দাবি, দ্বীপে থাকা সব সামরিক লক্ষ্যবস্তু ধ্বংস করা হয়েছে। পাশাপাশি তিনি সতর্ক করে বলেছেন, পরবর্তী লক্ষ্য হতে পারে ওই অঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ তেল অবকাঠামো। এই হামলার কয়েক ঘণ্টা আগেই মার্কিন প্রতিরক্ষা সচিব Pete Hegseth ঘোষণা করেছিলেন যে, এদিন ইরানের বিরুদ্ধে “সবচেয়ে তীব্র হামলা” চালাবে মার্কিন বাহিনী।
27
ইরানের খার্গ দ্বীপ গুঁড়িয়ে দেওয়ার দাবি ট্রাম্পের
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন যে, তার নির্দেশে মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (CENTCOM) ইরানের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চল 'খার্গ দ্বীপ'-এ একটি ভয়াবহ বিমান হামলা চালিয়েছে। এঅ বিষয়ে তিনি নিজের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম 'ট্রুথ সোশ্যাল'-এ দেওয়া এক বার্তায় তিনি এই অভিযানের কথা জানান।
37
সোশ্যাল মিডিয়ায় কী বলেছেন ট্রাম্প?
ট্রাম্প তার পোস্টে এই হামলাকে মধ্যপ্রাচ্যের ইতিহাসে অন্যতম শক্তিশালী সামরিক অভিযান হিসেবে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন, "কিছুক্ষণ আগে, আমার নির্দেশে মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড মধ্যপ্রাচ্যের ইতিহাসের অন্যতম শক্তিশালী বোমাবর্ষণ সম্পন্ন করেছে। আমরা ইরানের মুকুটের রত্ন হিসেবে পরিচিত 'খার্গ দ্বীপ'-এর প্রতিটি সামরিক লক্ষ্যবস্তুকে পুরোপুরি ধ্বংস করে দিয়েছি।"
ইরানের তেল রফতানির প্রধান কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত এই খার্গ দ্বীপ। ট্রাম্পের দাবি অনুযায়ী, এই হামলাটি ছিল অত্যন্ত সুপরিকল্পিত এবং এর লক্ষ্য ছিল ওই অঞ্চলে ইরানের সামরিক সক্ষমতাকে পুরোপুরি অচল করে দেওয়া। তিনি এই অভিযানকে তার প্রশাসনের একটি বড় সাফল্য হিসেবেও উল্লেখ করেছেন।
57
ইরানের জ্বালানি খাতের প্রাণকেন্দ্র খার্গ
মধ্যপ্রাচ্যে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যেই ইরানের প্রধান তেল রফতানি কেন্দ্র এবং কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ 'খার্গ আইল্যান্ড' (Kharg Island) নিয়ে বড় বিবৃতি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। পারস্য উপসাগরে অবস্থিত এই দ্বীপটির জ্বালানি পরিকাঠামোয় আমেরিকা উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবেই কোনও হামলা চালায়নি বলে জানিয়েছেন তিনি। তবে একই সঙ্গে কড়া হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, ইরান যদি এই অঞ্চলে পণ্যবাহী জাহাজ চলাচলে কোনও প্রকার বাধা সৃষ্টি করে, তবে ওয়াশিংটন তার সিদ্ধান্ত বদলাতে বাধ্য হবে।
67
কী জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প?
সম্প্রতি এক বিবৃতিতে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প জানান, খার্গ আইল্যান্ডের সামরিক লক্ষ্যবস্তুগুলোতে মার্কিন বাহিনী সফল অভিযান চালালেও সেখানকার তেল শোধনাগার ও রপ্তানি টার্মিনালগুলো অক্ষত রাখা হয়েছে। ইরান থেকে রপ্তানি হওয়া খনিজ তেলের প্রায় ৯০ শতাংশই এই দ্বীপের মাধ্যমে বিশ্ববাজারে পৌঁছায়। তাই এই পরিকাঠামো ধ্বংস করা হলে বিশ্বজুড়ে তেলের বাজারে বড় ধরনের অস্থিরতা তৈরি হতে পারত।
77
হরমুজ প্রণালীতে বাধা দিলে তেল শোধনাগারে হামলা
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আবারও মধ্যপ্রাচ্য ইস্যুতে তার কঠোর অবস্থানের কথা জানান। সম্প্রতি একটি সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে তিনি ইরানের তেল অবকাঠামো এবং আন্তর্জাতিক নৌ-পথের নিরাপত্তা নিয়ে সরাসরি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন। ট্রাম্প তার পোস্টে উল্লেখ করেন যে, মানবিক বা 'ভদ্রতার' খাতিরে তিনি বর্তমানে দ্বীপ অঞ্চলের তেল অবকাঠামো ধ্বংস না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তবে এই সিদ্ধান্ত যে স্থায়ী নয়, সেটিও তিনি স্পষ্ট করে দিয়েছেন।