Iran-US Tensions: আলি খামেইনি ও তাঁর ছেলেকে হত্যার বিকল্প, ইরান নিয়ে আমেরিকার পরিকল্পনা ফাঁস

Published : Feb 21, 2026, 01:29 PM IST
Iran-US Tensions

সংক্ষিপ্ত

ইরান নিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের পরিকল্পনা ফাঁস। যার মধ্যে রয়েছে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেইনি এবং তাঁর ছেলে মোজতবা খামেইনিকে হত্যা করা।

ইরান নিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের পরিকল্পনা ফাঁস। যার মধ্যে রয়েছে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেইনি এবং তাঁর ছেলে মোজতবা খামেইনিকে হত্যা করা। এক্সিওসের এক প্রতিবেদনে মার্কিন প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন সূত্রের বরাত দিয়ে বলা হয়েছে, ট্রাম্পের একজন সিনিয়র উপদেষ্টা বলেছেন, আয়াতুল্লাহ, তাঁর ছেলে এবং মোল্লাদের নির্মূল করা হবে। মোজতবাকে তাঁর বাবার সম্ভাব্য উত্তরসূরি হিসেবে দেখা হয়। তবে, উপদেষ্টা জোর দিয়ে বলেছেন যে কোনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। তিনি বলেন, "প্রেসিডেন্ট এখনও আঘাত করার সিদ্ধান্ত নেননি। আমি জানি কারণ আমরা আঘাত করিনি। তিনি হয়তো কখনও তা করবেন না। তিনি আগামীকাল ঘুম থেকে উঠে বলতে পারেন এটাই করো।"

ট্রাম্পই সিদ্ধান্ত নেবেন

এক্সিওসের এক প্রতিবেদন অনুসারে, মার্কিন প্রতিরক্ষা বিভাগ ট্রাম্পের সামনে একাধিক সামরিক বিকল্প পেশ করেছে। প্রতিটি পরিস্থিতির জন্য সেখানে কিছু না কিছু করার বিকল্প আছে। দ্বিতীয় একটি সূত্র নিশ্চিত করেছে যে খামেইনি এবং তাঁর ছেলেকে হত্যার পরিকল্পনা কয়েক সপ্তাহ আগে ট্রাম্পের কাছে পাঠানো হয়েছিল, যা ইঙ্গিত দেয় যে এই ধরনের সম্ভাবনা কিছুদিন ধরেই বিবেচনাধীন ছিল। আরেকজন সিনিয়র উপদেষ্টা বলেছেন যে ট্রাম্প ইচ্ছাকৃতভাবে কৌশলগত অস্পষ্টতা বজায় রেখেছেন। ট্রাম্প তাঁর বিকল্পগুলি উন্মুক্ত রেখেছেন। তিনি যে কোনও মুহূর্তে আক্রমণের সিদ্ধান্ত নিতে পারেন।

হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র আনা কেলি নির্দিষ্ট সামরিক পরিকল্পনা সম্পর্কে মন্তব্য করতে রাজি হননি। তিনি বলেন, “গণমাধ্যম প্রেসিডেন্টের চিন্তাভাবনা নিয়ে যতটা ইচ্ছা জল্পনা চালিয়ে যেতে পারে, তবে কেবল তিনিই জানেন তিনি কী করতে পারেন আর কী করতে পারেন না।"

ট্রাম্পের হুঁশিয়ারি

ইরানের শীর্ষ নেতৃত্বের উপর সরাসরি যে কোনও আঘাত ওয়াশিংটন এবং তেহরানের মধ্যে উত্তেজনার পারদ বৃদ্ধি করবে। মধ্যপ্রাচ্যে আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার অবনতি ঘটাতে পারে। বৃহস্পতিবার ট্রাম্প ইরানের প্রতি তার সতর্কীকরণ আরও জোরদার করে বলেন, তেহরানকে একটি অর্থবহ পরমাণু চুক্তিতে সম্মত হতে হবে, নাহলে খারাপ কিছু ঘটবে। যদিও ক্রমবর্ধমান উত্তেজনা প্রশমনের জন্য সুইৎজারল্যান্ডের জেনেভায় পরোক্ষ আলোচনা চলছে। তেহরানের পরমাণু কর্মসূচি বাতিল বা তীব্রভাবে নিয়ন্ত্রণ করার জন্য চাপ দিচ্ছে ওয়াশিংটন। ইরান যদিও পরমাণু অস্ত্র থাকার দাবিকে বরাবরই অস্বীকার করে। তারা আগেই জানিয়েছেন যে পরমাণু কর্মসূচি সম্পূর্ণ বেসামরিক উদ্দেশ্যে। পরমাণু সমৃদ্ধকরণ তার সার্বভৌম অধিকার।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ২০০৩ সালের ইরাক যুদ্ধের পর থেকে মধ্যপ্রাচ্যে তার বৃহত্তম বিমান শক্তি মোতায়েন করেছে। কমান্ড-এন্ড-কন্ট্রোল বিমান এবং শক্তিশালী বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সহ উন্নত যুদ্ধবিমান - F-35s, F-22s, F-15s এবং F-16s - অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। মার্কিন নৌবাহিনীর বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্য এবং পূর্ব ভূমধ্যসাগরে ১৩টি জাহাজ রয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে বিমানবাহী রণতরী ইউএসএস আব্রাহাম লিঙ্কন এবং ক্ষেপণাস্ত্র বহনে সক্ষম ডেস্ট্রয়ার। দ্বিতীয় একটি রণতরী ইউএসএস জেরাল্ড আর ফোর্ড এবং এর স্ট্রাইক গ্রুপও পথে রয়েছে। প্রতিবেদন অনুসারে, মার্কিন সামরিক বাহিনী এই সপ্তাহান্তের প্রথম দিকেই ইরানে হামলা চালাতে পারে। যদিও ট্রাম্প এখনও পর্যন্ত কোনও হামলার অনুমোদন দেননি। হোয়াইট হাউস সিচুয়েশন রুমে বৈঠকে জাতীয় নিরাপত্তা কর্তাদের বলা হয়েছে যে মার্চের মাঝামাঝি সময়ে সমস্ত বাহিনী সেখানে পৌঁছবে বলে আশা করা হচ্ছে।

PREV
Read more Articles on
click me!

Recommended Stories

যুদ্ধের আবহে এলপিজি সংকটে ফলে গেল জ্যোতিষীর ভবিষ্যদ্বাণী? ২০২৫-এর সেই চাঞ্চল্যকর টুইট ভাইরাল
Narendra Modi: ইরান যুদ্ধ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ, ফোনে মোদী কথা বলেন ইরানি প্রেসিডেন্টের সঙ্গে