শুধু ভারতেই নয়, গণেশ পূজিত হন বিশ্বের নানা দেশে। বিশ্বের বৃহত্তম মুসলিম দেশে চলে গণেশের ছবি দেওয়া নোট! জানেন সেই দেশ কোনটি? আর কেনই বা তাদের নোটে গণেশের ছবি রাখা হয়েছে? আসুন, জেনে নেওয়া যাক।
শুধু ভারতেই নয়, গণেশ পূজিত হন বিশ্বের নানা দেশে। ভাষা, ধর্ম বা সংস্কৃতির গণ্ডি পেরিয়ে বিঘ্নহন্তা গণেশকে আপন করে নিয়েছে অনেকেই।
24
গণেশের ছবিসহ নোট চালু
ইন্দোনেশিয়ার প্রায় ৮৭% মানুষ মুসলিম। সেই দেশের ২০,০০০ রুপিয়া নোটের ওপর গণেশের ছবি রয়েছে। নোটের একদিকে গণেশ ও দেশের প্রথম শিক্ষামন্ত্রী কি হজর দেবন্তরার ছবি। অন্যদিকে রয়েছে ক্লাসরুমের ছবি। ইন্দোনেশিয়ার সংস্কৃতিতে গণেশকে জ্ঞান ও বিদ্যার দেবতা মানা হয়। তাই শিক্ষাব্যবস্থার প্রতীক হিসেবে তাঁর ছবি ব্যবহার করা হয়েছে। অনেকে বিশ্বাস করেন, ১৯৯০-এর দশকে আর্থিক সংকটের সময় গণেশের ছবিসহ নোট চালু করায় দেশের মুদ্রা স্থিতিশীল ছিল।
34
জাপান ও থাইল্যান্ডে পূজিত গণেশ
জাপানে গণেশ 'কাঙ্গিতেন' বা 'শোতেন' নামে পরিচিত। সৌভাগ্য, ব্যবসায় উন্নতি ও ভালোবাসার দেবতা হিসেবে তাঁকে পুজো করা হয়। থাইল্যান্ডে গণেশকে 'ফ্রা ফিকানেট' বলা হয়। তিনি শিল্প, সঙ্গীত ও বিদ্যার দেবতা। সেখানকার চাচোয়েংসাও প্রদেশে গণেশের ৩৯ মিটার (প্রায় ১২৮ ফুট) উঁচু একটি ব্রোঞ্জের মূর্তি রয়েছে, যা বিশ্বের অন্যতম বৃহত্তম।
নেপালের কাঠমান্ডু উপত্যকায় গণেশের চারটি প্রধান মন্দির রয়েছে। সেখানে তাঁকে শহরের রক্ষাকর্তা হিসেবে পুজো করা হয়। তিব্বতি বৌদ্ধধর্মে গণেশকে 'মহাড়ক্ত গণপতি' বলা হয়। তিনি বাধা দূর করেন এবং সম্পদ দেন। শ্রীলঙ্কায় তামিল ও সিংহলি বৌদ্ধরা শুভ কাজে 'পিল্লাইয়ার' (গণেশ) পুজো করেন। মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর ও মরিশাসে গণেশ চতুর্থীতে সরকারি ছুটি থাকে।