
হড়পা বানে নিশ্চিহ্ন হয়ে গিয়েছে একের পর এক গ্রাম। পড়ে আছে শুধু কাদামাখা ধ্বংসস্তূপ। আকাশ থেকে ধরা পড়ল নেপালের ভয়ঙ্কর দৃশ্য। সদ্য সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে একটি ভিডিও। হেলিকপ্টার থেকে তোলা সেই ভিডিওতে ধরা পড়েছে ভয়ঙ্কর দৃশ্য।
চিন এবং নেপালের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত লেন্দে নদীর তীর থেকে বিশাল আকারের কাদা এবং ধ্বংসস্তূপ খসে পড়ার ফলে এই ভয়ঙ্কর হড়পা বানের সৃষ্টি হয়েছে। তীব্র স্রোত ভোটকোশী এবং ত্রিশূলী নদীর গতিপথের গ্রাম এবং শহরগুলোর ওপর আছড়ে পড়েছে। বহু বাড়ি, রাস্তা, সেতু, বিদ্যুৎকেন্দ্র ভেসে গিয়েছে। সেই বানে নিহত অন্তত ১৬৫ জন। ২৯১ বিদেশি-সহ অন্তত ৩৮৪ পর্যটকের খোঁজ নেই। তাদের মধ্যে ১৪১ জন ভারতীয়। আছে অস্ট্রেলিয়া, ব্রিটেন, মালয়েশিয়া, নেদারল্যান্ড, পর্তুগাল, দক্ষিণ আফ্রিকা, দক্ষিণ কোরিয়া, আমারেকির নাগরিকও আছে।
ভাইরাল হওয়া ভিডিও-তে দেখা গিয়েছে, নেপালের একাধিক গ্রাম কেবল কাদামাখা ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। ইন্টারন্যাশনাল ফেডারেশন অফ রেড ক্রস অ্যান্ড রেড ক্রেসেন্ট সোসাইটিজ-র নেপাল শাখার প্রধান ডেভিড ফিশার বলেন, অনেক গ্রাম এবং বাজার এলাকা পুরোপুরি নিশ্চিহ্ন হয়ে গিয়েছে। আকাশপথে উদ্ধার অভিযান চালিয়ে অনেককে নিরাপদে সরিয়ে নিয়েছে নেপালি সেনাবাহিনী। ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় নদীর তীরে বসবারসত বাসিন্দাদের নিরাপদ স্থানে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। দুর্যোগকবলিত এলাকায় বন্যার জন বহুতল ভবনগুলোও তলিয়ে যাওয়ার কারণে উদ্ধারকর্মীরা বেঁচে যাওয়ার কারণে উদ্ধারকর্মীরা বেঁচে যাওয়া মানুষদের সন্ধানে কাদা ও পলি ঘেঁটে চলেছেন।
এদিকে এই কঠিন সময়ে ভারত তার প্রতিবেশী নেপালের দিকে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছে। বিমান বাহিনী সহায়তা প্রদানের জন্য এগিয়ে এসেছে এবং প্রয়োজনীয় ত্রাণ সামগ্রী বহনকারী বিমানগুলো ইতোমধ্যে নেপালের উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছে। এই বিমান বাহিনীর বিমানগুলো নেপালের জন্য দেবদূতের চেয়ে কম কিছু নয়। ভারতীয় বিমান বাহিনীর তিনটি সবচেয়ে শক্তিশালী ও নির্ভরযোগ্য পরিবহন বিমান—সি-১৩০জে, সি-১৭ এবং সি-১৩০—প্রস্তুত রয়েছে। একটি সি-১৩০জে বিমান ১০ টন প্রয়োজনীয় ত্রাণ সামগ্রী ও ওষুধ নিয়ে ইতোমধ্যে নেপালের উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছে।
🚨 Nepal’s devastating floods are a warning the world cannot ignore.#WATCH Aerial footage shows the horrific aftermath as entire roads, bridges and buildings have been swallowed by floodwaters.
At least 97 people have been killed, while 403 people from 27 countries remain… pic.twitter.com/TAZ3cAtQRR— War Updates FC (@k_c_shivansh) August 26, 2026