
Iran Attack Fact Check: ইজরায়েল-ইরান হামলা-পাল্টা হামলার দাগ কি এবার পড়ল বিশ্বের উচ্চতম বিল্ডিংয়ের ওপরেও? এদিন বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে দাবি করা হয়, দুবাইয়ের আকাশে ইরানের মিসাইল দেখা গিয়েছে। এরপর বলা হয়, দুবাই মেরিনা এলাকায় ইরান থেকে ছোড়া একটি ক্ষেপণাস্ত্র আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা প্রতিহত করে ধ্বংস করে ফেলেছে। বুর্জ খলিফার এলাকায় বিস্ফোরণের শব্দ শোনার পর আতঙ্ক ছড়ায় এমনও বলা হয়। সঙ্গে বলা হয় এমার্জেন্সি পরিস্থিতির জেরে বিশ্বের সবচেয়ে উঁচু বিল্ডিং বুর্জ খলিফা থেকে বহু মানুষকে দ্রুত সরিয়ে নেওয়া শুরু হয়েছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।
ঘটনাকে ঘিরে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে গোটা দুবাই জুড়ে। খবরটা একেবারে দাবানলের মত ছড়িয়ে পড়ে। তবে দুবাই প্রশাসনের পক্ষ থেকে এই খবর পুরোপুরি মিথ্য়া বলা জানানো হয়। ইরানের কোনও ক্ষেপনাস্ত্র বা মিসাইল দুবাইয়ে আসেনি বলে জানানো হয়েছে। মেরিনা এলাকায় মিসাইল আছড়ে পড়া, বা বুর্জ খলিফা খালি করার সব খবরও পুরোপুরি ভুয়ো বলে উড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। তবে আবুধাবিতে ইরানের ক্ষেপনাস্ত্রের হামলায় একজনের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করা হয়েছে। ইরানের পাল্টা আক্রমণের পর কাতার এয়ারওয়েজের সব বিমানও বন্ধ করা হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যে যাওয়া বড় বড় আন্তর্জাতিক বিমান সংস্থাগুলি সব উড়ান বাতিল করেছে বা অন্য পথে ঘুরিয়ে দিচ্ছে।
দেখুন ভাইরাল ভিডিওটি
ইরানের বুকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইজরায়েলের যৌথ বড় মাপের হামলার পর মধ্যপ্রাচ্য জুড়ে যুদ্ধকালীন পরিস্থিতি। ইজরায়েল, ইরান তো বটেই বাহারিন, কাতার, জর্ডন, ওমানেও আকাশপথ পুরোপুরি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। পাল্টা হামলায় ইজরায়েলের ওপর ভয়াবহ ব্যালিস্টিক মিসাইল হামলা চালিয়েছে। সেখানেই শেষ নয় বাহারিন, ইউএই সহ মোট ৬টি দেশে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটি ও বায়ুসেবা ঘাঁটিগুলিতে মিসাইল ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইরান। ইরান-ইজরায়েল যুদ্ধে যারা মোটের ওপর নিরপেক্ষ ভূমিকা নেয় সেই সব দেশগুলিতে মিসাইল হামলা হয়েছে। সংযুক্ত আরবআমিরশাহির আবুধাবিতে ইরানের হামলায় একজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গিয়েছে। সৌদি আরবেও বিস্ফোরণের খবর মিলেছে।
ইরান উপসাগরীয় অঞ্চলের অন্তত ৬টি দেশে থাকা মার্কিন সামরিক ঘাঁটিকে নিশানা করেছে। এর মধ্যে রয়েছে বাহরিনের মার্কিন নৌবাহিনীর পঞ্চম নৌবহরের সদর দফতর, সংযুক্ত আরব আমিরশাহির আল-ধাফরা ঘাঁটি, কাতারের আল-উদেইদ, কুয়েতের আল-সালেম। পাশাপাশি জর্ডন ও সৌদি আরবের নামও উঠে এসেছে। বিভিন্ন জায়গায় বিস্ফোরণ, আকাশে ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করা এবং ভাঙা ধ্বংসাবশেষ পড়ার খবর মিলেছে। বাহারিন সরকার জানিয়েছে, তাদের দেশে হামলার প্রভাব পড়েছে এবং রাজধানী মানামায় চরম বিশৃঙ্খলা তৈরি হয়েছে।