Trump Name: ট্রাম্পের নাম সরাতে আরও ১২ ঘণ্টা চাই! মার্কিন আদালতে জানাল কেনেডি সেন্টার

Saborni Mitra   | ANI
Published : Jun 13, 2026, 04:15 PM IST
trumpKennedy Center Begins Removing Trump Name After Court Rejects Delay

সংক্ষিপ্ত

মার্কিন আদালতের নির্দেশে কেনেডি সেন্টার থেকে ডোনাল্ড ট্রাম্পের নাম সরানোর কাজ শুরু হয়েছে। তীব্র ঝড়ের কারণে নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে কাজ শেষ করা যায়নি। তাই আরও ১২ ঘণ্টা সময় চেয়েছিল কর্তৃপক্ষ। 

আদালতের নির্দেশে শেষ পর্যন্ত জন এফ. কেনেডি সেন্টার ফর দ্য পারফর্মিং আর্টস-এর দেওয়াল থেকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নাম সরানোর কাজ শুরু হল। নিউ ইয়র্ক টাইমসের রিপোর্ট অনুযায়ী, এক ফেডারেল বিচারক এই নাম পরিবর্তনকে বেআইনি ঘোষণা করার পরেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

মাঝ রাত থেকে কাজ শুরু

শনিবার স্থানীয় সময় ভোর ৩টের কিছু পর থেকে কেনেডি সেন্টারের সাদা মার্বেলের দেওয়াল থেকে ট্রাম্পের নাম লেখা অক্ষরগুলো খোলার কাজ শুরু হয়। এর আগে ওয়াশিংটনে তীব্র বজ্রসহ বৃষ্টি হয় এবং আইনি লড়াইও চলছিল।

দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস জানিয়েছে, আদালতের দেওয়া মধ্যরাতের ডেডলাইন মানতে পারেনি সেন্টার কর্তৃপক্ষ। সেন্টারের এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর ম্যাট ফ্লোকা ফেডারেল ডিস্ট্রিক্ট কোর্টকে জানান, খারাপ আবহাওয়ার কারণে কাজে দেরি হওয়ায় তাঁরা আরও ১২ ঘণ্টা সময় চেয়েছিলেন।

আড়ালে কাজ চলছিল!

জানা গেছে, শুক্রবার প্রায় আট ঘণ্টা ধরে কর্মীরা ট্রাম্পের নাম লেখা অংশের সামনে ভারা বা স্ক্যাফোল্ডিং তৈরি করেন। এরপর গোটা কাঠামোটি সাদা ত্রিপল দিয়ে ঢেকে দেওয়া হয়, যাতে নাম সরানোর প্রক্রিয়াটি বাইরে থেকে দেখা না যায়। সংবাদপত্রটির মতে, যারা ট্রাম্পের এই পদক্ষেপের সমালোচনা করছিলেন, তাদের জন্য এটি একটি বড় প্রতীকী জয়।

সিএনএন-এর খবর অনুযায়ী, এর আগে শুক্রবার একটি ফেডারেল আপিল আদালত কেনেডি সেন্টারের জরুরি আবেদন খারিজ করে দেয়। আইনি প্রক্রিয়া চলাকালীন নিম্ন আদালতের রায়ের ওপর স্থগিতাদেশ চেয়েছিল সেন্টার কর্তৃপক্ষ। তিন বিচারপতির প্যানেল—গ্রেগরি কাটজাস, প্যাট্রিসিয়া মিলেট এবং রবার্ট উইলকিনস—এই রায় দেন।

প্যানেল তাদের সিদ্ধান্তের কোনও কারণ ব্যাখ্যা করেনি। তবে এই মাসের শেষে নিম্ন আদালতের আদেশের ওপর স্থগিতাদেশের অনুরোধ নিয়ে দুই পক্ষকে অতিরিক্ত লিখিত যুক্তি জমা দিতে বলেছে।

নাম বিতর্ক

যদিও সেন্টারের ওয়েবসাইট এবং প্রচারমূলক সামগ্রী থেকে ট্রাম্পের নাম আগেই সরানো হয়েছিল, কিন্তু বিল্ডিংয়ের বাইরের বড় অক্ষরে লেখা "দ্য ডোনাল্ড জে. ট্রাম্প অ্যান্ড" অংশটি আইনি সুরাহার আশায় রয়ে গিয়েছিল।

সিএনএন-এর উদ্ধৃতি দিয়ে ২২ পাতার একটি ফাইলে বিচার বিভাগের আইনজীবীরা তাঁদের পুরনো যুক্তিই তুলে ধরেন। তাঁদের আশঙ্কা, যদি সরকার এই মামলায় শেষ পর্যন্ত জেতে, তাহলে আবার পুরনো নামে ফিরে গেলে মানুষের মধ্যে বিভ্রান্তি তৈরি হতে পারে।

ফাইলিংয়ে আর্থিক উদ্বেগও প্রকাশ করা হয়েছে। আইনজীবীদের যুক্তি, ট্রাম্পের নাম সরানো হলে ডোনারদের সঙ্গে চুক্তি প্রভাবিত হতে পারে।

বিচার বিভাগের আইনজীবীরা আপিল আদালতকে বলেন, "এই কয়েকশ মিলিয়ন ডলারের পুরোটাই হয় ফেরত দিতে হবে, অথবা সেন্টার আর পাবে না।" তাঁদের দাবি, সেন্টারের নিয়ম অনুযায়ী, যদি "ফাইলিং, মার্কেটিং, ব্র্যান্ডিং, দেওয়াল বা অন্য কোনও জায়গা" থেকে ট্রাম্পের নাম সরানো হয়, তবে অনুদানের টাকা ফেরত দিতে হবে।

তবে আইনি লড়াই চললেও, আপাতত আদালত বিল্ডিং, ওয়েবসাইট, প্রচারমূলক সামগ্রী এবং অন্যান্য সব জায়গা থেকে ট্রাম্পের নাম সরানোর নির্দেশ দিয়েছে।

 

PREV
Read more Articles on
click me!

Recommended Stories

Iran Nuclear Deal: তাহলে কি শেষ হল যুদ্ধ? পরমাণু অস্ত্র বানাবে না বলে পাকাপাকি প্রতিশ্রুতি দিল ইরান
US-Iran: ইরানের শান্তি প্রস্তাব ‘ভুয়ো’, ট্রাম্পের এক টুইটে ফের বাড়ল উত্তেজনা?