India helps Bangladesh: বাংলাদেশে যতই ভারত-বিরোধিতা বৃদ্ধি পাক না কেন, ভারত সবসময় বাংলাদেশকে সাহায্য করতে চাইছে। এবার ট্রেনের বিশেষ কোচ দিয়ে বাংলাদেশকে সাহায্য করল ভারতীয় রেল (Indian Railways)। তবে এই সাহায্যের মধ্যেও হয়তো বাংলাদেশের ভারত-বিরোধীরা 'ভারতীয় আগ্রাসন' দেখতে পাবে।

DID YOU
KNOW
?
বাংলাদেশে ভারত-বিরোধিতা
গত ২ বছরে বাংলাদেশে ভারত-বিরোধিতা চরম পর্যায়ে পৌঁছে গিয়েছে। তারপরেও বিভিন্নভাবে বাংলাদেশকে সাহায্য করে চলেছে ভারত।

Indian Railways: আন্তর্জাতিক রেল সহযোগিতার ক্ষেত্রে আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক ছুঁতে চলেছে ভারতীয় রেল। বাংলাদেশের (Bangladesh Railway) জন্য তৈরি ২০টি এলএইচবি ব্রডগেজ যাত্রীবাহী কোচের (LHB broad-gauge passenger coaches) প্রথম রেক বুধবার কাপুরথালার রেল কোচ ফ্যাক্টরি থেকে বাংলাদেশে পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু হল। বাংলাদেশ রেলের জন্য এই কোচগুলি তৈরি করেছে ভারতীয় রেলের কাপুরথালা রেল কোচ ফ্যাক্টরি। প্রথম রেকে আছে মোট ২০টি কোচ। এর মধ্যে তিনটি শীতাতপ নিয়ন্ত্রণিত স্লিপার কার, তিনটি শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত চেয়ার কার, ১২টি সাধারণ চেয়ার কার এবং দু'টি পাওয়ার কার। রেল মন্ত্রকের (Ministry of Railways) সূত্র অনুযায়ী, বাংলাদেশ রেলের নির্দিষ্ট চাহিদা অনুযায়ী কোচগুলিতে একাধিক বিশেষ নকশা ও প্রযুক্তিগত পরিবর্তন করা হয়েছে। এর মধ্যে বেশ কিছু বৈশিষ্ট্য এলএইচবি ধরনের কোচে প্রথমবারের মতো ব্যবহার করা হয়েছে। এই বিশেষভাবে তৈরি কোচগুলি রেল কোচ ফ্যাক্টরির নকশা, ইঞ্জিনিয়ারিং ও উৎপাদন সক্ষমতার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক গ্রাহকদের প্রয়োজন অনুযায়ী পণ্য তৈরি করার দক্ষতাও তুলে ধরছে।

বাংলাদেশ রেলকে আগেও সাহায্য ভারতের

বাংলাদেশ রেলকে ভারতের রেল কোচ ফ্যাক্টরির সহযোগিতার ইতিহাস অবশ্য নতুন নয়। ২০১৫-১৬ সালে কাপুরথালার এই কারখানা বাংলাদেশ রেলের জন্য সফলভাবে ১২০টি এলএইচবি ব্রডগেজ যাত্রীবাহী কোচ সরবরাহ করেছিল। সেই সফল সম্পর্কের ধারাবাহিকতায় ফের রেল কোচ ফ্যাক্টরির উপর ভরসা রেখেছে বাংলাদেশ রেল। রেল মন্ত্রকের এক আধিকারিক জানিয়েছেন, রাইটস সংস্থার (RITES) মাধ্যমে ২০২৪ সালে রেল কোচ ফ্যাক্টরিকে ২০০টি ব্রডগেজ যাত্রীবাহী কোচ তৈরির অর্ডার দেওয়া হয়। সাতটি ভিন্ন ভ্যারিয়েন্টে এই কোচগুলি তৈরি হওয়ার কথা।

রেলের মাধ্যমে ভারত-বাংলাদেশের সম্পর্কের উন্নতির আশা

প্রথম ২০ কোচের রেকের রোল-আউট ভারতীয় রেলের পাশাপাশি রেল কোচ ফ্যাক্টরির জন্যও একটি গুরুত্বপূর্ণ সাফল্য হিসেবে দেখা হচ্ছে। এর মাধ্যমে ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে রেল সহযোগিতা আরও শক্তিশালী হবে বলে আশা করা হচ্ছে। এই প্রকল্প শুধু দুই দেশের রেল যোগাযোগের ক্ষেত্রেই গুরুত্বপূর্ণ নয়। এর মাধ্যমে আন্তর্জাতিক রেলবাজারে ভারতীয় রেলের উৎপাদনকারী সংস্থাগুলির জন্য নতুন সম্ভাবনার দরজা খুলতে পারে। আধুনিক প্রযুক্তির রেল কোচের নকশা ও উৎপাদনে ভারতের সক্ষমতা ক্রমশ বাড়ছে। দেশের বাইরেও রেল পরিকাঠামো এবং যাত্রী পরিবহণ সংক্রান্ত প্রকল্পে ভারত ভবিষ্যতে আরও বড় ভূমিকা নিতে পারে। বাংলাদেশের জন্য তৈরি এই কোচগুলি সেই সম্ভাবনাকেই আরও জোরালো করছে।

আরও খবরের জন্য চোখ রাখুন এশিয়ানেট নিউজ বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।