
Kyiv Attack: রাশিয়ার আক্রমণে ধ্বংসস্তুপে পরিণত ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভ। কিয়েভকে লক্ষ্য করে রাশিয়া ব্যাপক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালাল। রাতভর রাশিয়ার ব্যাপক হামলার পর কিয়েভে ধ্বংসস্তূপের ছবি সামনে এসেছে। এর আগে স্টারোবেলস্কে ছাত্ররা ঘুমিয়ে থাকা অবস্থায় একটি কলেজ হস্টেলে ইউক্রেনের হামলার অভিযোগ ওঠে। সেই ঘটনার পরই কড়া জবাবের হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন পুতিন। ইউক্রেনের তরফে আরও দাবি করা হয়েছে, এই হামলায় রাশিয়ার বহুল আলোচিত 'ওরেশনিক' (Oreshnik) হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহৃত হয়েছে। তবে হামলায় ঠিক কতগুলি ওরেশনিক ব্যবহার করা হয়েছে, তা নিয়ে এখনও জানা যায়নি।
ওরেশনিককে রাশিয়ার মধ্যম পাল্লার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র (IRBM) হিসেবে বর্ণনা করা হয়, যা একাধিক পৃথক ওয়ারহেড বহনের সক্ষমতা রাখে। রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন আগেও এই অস্ত্রকে অত্যন্ত উচ্চগতির এবং প্রতিরোধ করা কঠিন বলে দাবি করেছিলেন। প্রতিরক্ষা বিশ্লেষকদের মতে, এই ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা একাধিক লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে সক্ষম।
দেখুন রুশ হামলার পর কিয়েভের অবস্থা
ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভ্লোদোমির জেলেনস্কি হামলার আগেই দেশবাসীকে সতর্ক করেছিলেন যে রাশিয়া কিয়েভ-সহ ইউক্রেনের বিভিন্ন এলাকায় বড় আকারের ধারাবাহিক হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে এবং সেখানে ওরেশনিক ব্যবহারের সম্ভাবনাও রয়েছে বলে গোয়েন্দা তথ্য পেয়েছে ইউক্রেন। রাতভর চলা হামলায় কিয়েভ ও আশপাশের একাধিক এলাকায় বিস্ফোরণ, আগুন এবং পরিকাঠামোগত ক্ষতির খবর সামনে এসেছে। স্থানীয় প্রশাসনের দাবি, আবাসিক এলাকা, গুদাম, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং অন্যান্য কাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। হতাহতের ঘটনাও ঘটেছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে।
রাশিয়ার পাল্টা বার্তা
এই হামলার পেছনে রাশিয়ার পাল্টা বার্তা রয়েছে কি না, তা নিয়েও আলোচনা শুরু হয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে রাশিয়া-নিয়ন্ত্রিত অঞ্চলে হামলার অভিযোগকে কেন্দ্র করে মস্কো কড়া প্রতিক্রিয়ার ইঙ্গিত দিয়েছিল। ইউক্রেন অবশ্য সাধারণ নাগরিককে লক্ষ্য করে হামলার অভিযোগ অস্বীকার করেছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, কিয়েভ অঞ্চলে এত উন্নত ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহারের অভিযোগ সামনে আসা শুধু যুদ্ধক্ষেত্রের ঘটনাই নয়, এর কূটনৈতিক ও কৌশলগত তাৎপর্যও রয়েছে।