Nepal Flash Flood Update: নেপাল-তিব্বত সীমান্তে ভয়াবহ ধসের কারণে হড়পা বান। এই প্রাকৃতিক বিপর্যয়ে ১৬০ জনেরও বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে। কৈলাস যাত্রায় গিয়ে আটকে পড়েছেন বহু ভারতীয়, নিখোঁজ অন্তত ১৩৩ জন।
মার্কিন জিওলজিক্যাল সার্ভে জানিয়েছে, এই ধসের তীব্রতা ছিল রিখটার স্কেলে ৫.২ মাত্রার ভূমিকম্পের সমান। বরফ, পাথর, মাটি আর জলের বিশাল স্রোত 'হ্লেন্ডে খোলা' নদীতে এসে মেশে। সেখান থেকে 'ভোতে কোশি' ও 'ত্রিশূলী' নদী দিয়ে জল ভয়ংকর রূপ নিয়ে নিচু এলাকা প্লাবিত করে।
25
লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে মৃতের সংখ্যা
এই ভয়ংকর বন্যায় এখনও পর্যন্ত ১৬৩টি মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। নুয়াকোট, রসুয়া, ধডিং, চিতওয়ান, গোর্খার মতো জেলাগুলি সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত। চিতওয়ানে ৬৪ জন ও ধডিংয়ে ২৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। নেপালের বিদেশমন্ত্রী শিশির খনাল জানিয়েছেন, একশো বছরের মধ্যে এটি সবচেয়ে বড় বিপর্যয়।
A massive flash flood hit the 🇳🇵Nepal-Tibet border, damaging roads and bridges. 🚨
- Tragically, 8 people died, while 384 travelers including 105 Indian tourists—are missing. Intense rescue operations are underway. pic.twitter.com/HTMKbdpKYi
— Info Room (@InfoR00M) August 26, 2026
35
নিখোঁজ বহু ভারতীয়
পবিত্র কৈলাস মানসসরোবর যাত্রায় গিয়ে এই বিপর্যয়ে আটকে পড়েন বহু পুণ্যার্থী। এদের মধ্যে ১৩৩ জন ভারতীয় নিখোঁজ, যাঁরা তামিলনাড়ু, মহারাষ্ট্র, উত্তরপ্রদেশ ও কেরালার বাসিন্দা। সদগুরু জানিয়েছেন, ঈশা ফাউন্ডেশনের ৭৭ জন সদস্যও আটকে পড়েছেন। ভারত সরকার ১০ টন ত্রাণ সামগ্রী পাঠিয়েছে।
Devastating flash flood hits Nepal’s Rasuwa district 💔 Lives lost. Hundreds still missing including Indian tourists and Kailash pilgrims. Bridges and roads washed away. Rescue teams working through the day. May Mahadev protect everyone. 🙏#Nepal pic.twitter.com/7PlVpr2zNo
হড়পা বানের তোড়ে অন্তত ১৯টি মোটরবাইক যাওয়ার মতো সেতু ভেসে গিয়েছে। মাত্র ৩০ সেকেন্ডে একটি বিশাল সেতু ভেঙে পড়ার ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। ৩৫৪ মেগাওয়াট ক্ষমতার ৮টি বিদ্যুৎ প্রকল্পও সম্পূর্ণ নষ্ট হয়ে গিয়েছে। বেত্রাবতী থেকে রসুওয়াগধি পর্যন্ত ৪২ কিমি রাস্তা ভেসে যাওয়ায় উদ্ধারকাজ ব্যাহত হচ্ছে।
55
নেপালজুড়ে জারি সতর্কতা
নেপালের এই জলপ্রবাহ বিহারের গণ্ডক নদীর দিকে আসায় সতর্কতা জারি হয়েছে। বাল্মীকিনগর ব্যারেজের ৩৬টি গেটই খুলে দেওয়া হয়েছে। পশ্চিম চম্পারণ, গোপালগঞ্জ, মুজফফরপুর জেলায় জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী (NDRF) মোতায়েন করা হয়েছে। ৪,০০০-এর বেশি মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরানো হয়েছে।