
হড়পা বানে বিধ্বস্ত নেপালে এবার নতুন করে আবারও বন্যার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। সেদেশের ধারচুলা জেলায় ধস নেমেছে। তার জেরেই আংশিকভাবে আটকে গিয়েছে চৌলানি নদীর গতিপথ। সেখানে জল জমছে হুহু করে। যার জেরে নতুন করে বন্যার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। রীতিমত উদ্বিগ্ন নেপাল প্রশাসন। স্থানীয় প্রশাসনের কথায়, নদী প্লাবিক হতে পারে। আর সেই কারণেই অববাহিকা অঞ্চলের সকল বাসিন্দাদের সতর্ক করা হয়েছে। আপাতত নদীর দিকেই নজর রাখছে স্থানীয় প্রশাসন। প্রস্তুত রয়েছে বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী।
প্রশাসন জানিয়েছে আপি হিমল গ্রামীণ পুরসভার অন্তর্গত ভাট্টারে ধস নেমেছে। যার জেরে ভগ্নস্তূপ অনেকটাই অবরুদ্ধ করেছে নদীর গতিপথকে। যার একটি ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে। যা অত্যান্ত ভয়ঙ্কর। দেখুন সেই ভিডিওঃ
Massive landslides block the Chaulani River..
Huge landslides occurred in the Api Himal region of Darchula district in Nepal, partially blocking the flow of the Chaulani River.
Authorities have alerted people living in downstream areas, warning that the blocked water could… pic.twitter.com/fdhib23D3v— Naveen Reddy (@navin_ankampali) September 5, 2026
নদীর তীরে যারা বসবাস করেন, তাদের ইতিমধ্যেই সতর্ক করা হয়েছে। পরিস্থিতির উপর নজর রাখতে বলা হয়েছে। বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীকেও প্রস্তুত থাকতে বলা হয়েছে। সুদূরপশ্চিমের মুখ্যমন্ত্রী খগরাজ ভট্ট বিপর্যয় মোকাবিলার জন্য সব রকম প্রস্তুতি সেরে রাখতে নির্দেশ দিয়েছেন। জরুরি পরিষেবার নম্বরও প্রকাশ করা হয়েছে। নেপালের সশস্ত্র পুলিশ বাহিনীকেও বিষয়টি জানান হয়েছে। চৌলানি নদীর জলপ্রবাহ এখনও পর্যন্ত স্বাভাবিক রয়েছে। তবে বালাঞ্চের চামেলিয়া জলবিদ্যুৎ কেন্দ্রের আধিকারিকরা উদ্বেগে রয়েছেন।
চৌলানি নদীর আর এক নাম চামেলিয়া। আপি হিমেল অঞ্চলে উৎস এই নদীর। নদীটি পড়েছে মহাকালী নদীতে যা নেপাল ও ভারতের সীমান্ত তৈরি করেছে। এই চামেলিয়ার উপর রয়েছে আরও একটা জলবিদ্যুৎকেন্দ্র। যার কর্মীরাও উদ্বেগে রয়েছে।
গত ২৬ আগস্ট হড়পা বানের পরে নেপালের বিভিন্ন জলবিদ্যুৎ প্রকল্পে প্রায় ৯০০ শ্রমিকের খোঁজ এখনও পাওয়া যায়নি। তাদের মধ্যে ৫০০ জন সুড়ঙ্গে আটকে থাকতে পারেন বলেও আশঙ্কা। ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে প্রাণের সন্ধান করছেন উদ্ধারকারীরা। অন্যদিকে হড়পা বানে নেপালে নেপালে মৃতের সংখ্যা ১৩৪৪।