Pakistan Accident: পাকিস্তানের বালুচিস্তানে ভয়াবহ বাস দুর্ঘটনা, খাদে পড়ে মৃত ৪০ যাত্রীর

Published : Jul 03, 2026, 03:02 PM IST
Pakistan Bus Crash Kills 40 in Balochistan Ravine Plunge

সংক্ষিপ্ত

পাকিস্তানের বালুচিস্তানে একটি যাত্রীবাহী বাস গভীর খাদে পড়ে যাওয়ায় অন্তত ৪০ জনের মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার শেরানি-ঝোব হাইওয়েতে এই দুর্ঘটনা ঘটে। বাসটি কোয়েটা থেকে ইসলামাবাদ যাচ্ছিল এবং ধারণক্ষমতার চেয়ে বেশি যাত্রী বহন করছিল বলে জানা গেছে। 

পাকিস্তানের পরিবহন ব্যবস্থার বেহাল দশা আরও একবার সামনে চলে এল। শুক্রবার বেলুচিস্তানের শেরানি-ঝোব হাইওয়েতে একটি যাত্রীবাহী বাস গভীর খাদে পড়ে যায়। দ্য এক্সপ্রেস ট্রিবিউনের রিপোর্ট অনুযায়ী, এই ভয়াবহ দুর্ঘটনায় অন্তত ৪০ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং ৮ জন গুরুতর আহত হয়েছেন।

দানাসার এলাকায় দুর্ঘটনাটি ঘটে। যাত্রীবোঝাই বাসটি কোয়েটা থেকে ইসলামাবাদ যাওয়ার পথে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলে। বেলুচিস্তান এবং খাইবার পাখতুনখোয়ার মধ্যে সংযোগকারী এই বিপজ্জনক পাহাড়ি রাস্তায় কোনও সেফটি ব্যারিয়ার বা সুরক্ষার ব্যবস্থা ছিল না, যা দুর্ঘটনার ঝুঁকি আরও বাড়িয়ে তোলে।

মেডিক্যাল এমার্জেন্সি রেসপন্স সেন্টার (MERC) জানিয়েছে, দুমড়ে-মুচড়ে যাওয়া বাসটি থেকে ৪০টি মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। বেঁচে যাওয়া যাত্রীদের ঝোবের ট্রমা সেন্টারে ভর্তি করা হয়েছে।

দ্য এক্সপ্রেস ট্রিবিউন আরও জানিয়েছে, এই বিশাল দুর্ঘটনায় উদ্ধারকাজের জন্য ৬টি অ্যাম্বুলেন্স, ১২ জন এমার্জেন্সি মেডিক্যাল টেকনিশিয়ান (EMT) এবং ১০টি হালকা গাড়ি ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়।

এই ভয়ঙ্কর দুর্ঘটনার পর সঙ্গে সঙ্গে বিশৃঙ্খলা তৈরি হয়। শেরানি এবং পার্শ্ববর্তী খাইবার পাখতুনখোয়ার স্থানীয় প্রশাসন দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে আসে।

শেরানির ডেপুটি কমিশনার হজরত ওয়ালি কাকার জানিয়েছেন, "আহতদের উদ্ধার করে কাছের হাসপাতালে পাঠানো হচ্ছে। অন্যদিকে, মৃতদের দেহ উদ্ধারের কাজও চলছে।"

পাকিস্তানের বাণিজ্যিক পরিবহন খাতে যে চূড়ান্ত নজরদারির অভাব রয়েছে, তা এই ঘটনায় স্পষ্ট। ওই আধিকারিক আরও জানান, যাত্রার মাঝপথে বাসটিতে অতিরিক্ত যাত্রী তোলা হয়েছিল।

দ্য এক্সপ্রেস ট্রিবিউন কাকারকে উদ্ধৃত করে জানিয়েছে, "বাসটি কোয়েটা থেকে ৩৬ জন যাত্রী নিয়ে রওনা দিয়েছিল। কিন্তু পথে অন্য একটি বাস খারাপ হয়ে যাওয়ায় সেখান থেকেও যাত্রী তুলে নেওয়া হয়।"

একসঙ্গে এতজন গুরুতর আহত আসায় শেরানি এবং ডেরা ইসমাইল খানের হাসপাতালগুলিতে মেডিক্যাল এমার্জেন্সি ঘোষণা করা হয়। এই অঞ্চলের স্বাস্থ্য ব্যবস্থা এত বড় বিপর্যয় সামাল দেওয়ার জন্য প্রস্তুত ছিল না।

রেসকিউ ১১২, ফ্রন্টিয়ার কোর (FC), পুলিশ এবং জেলা আধিকারিকরা একসঙ্গে উদ্ধারকাজ শুরু করলেও, এলাকার দুর্গম পাহাড়ি পথের কারণে উদ্ধারকাজে বেশ বেগ পেতে হয়।

দেশের জনসুরক্ষা নিয়ে প্রশাসনিক ব্যর্থতার অভিযোগ যখন বাড়ছে, তখনই আধিকারিকরা জানিয়েছেন, দুর্ঘটনার আসল কারণ জানতে একটি সরকারি তদন্ত শুরু করা হয়েছে।

 

PREV
Read more Articles on
click me!

Recommended Stories

আমেরিকার সব শর্তই মেনে নিয়েছে ইরান, দোহার শান্তি চুক্তির উল্টো কথা ট্রাম্পের মুখে
British Roads Melting at 40°C: ৪৫-৫০°C তাপেও কেন গলে না ভারতের রাস্তা? জানুন আসল কারণ