Saima Wazed: বাংলাদেশের কুর্সি থেকে হাসিনা বিদায় হতেই একের পর এক ঘা নেমেই চলেছে তার পরিবারে। এবার বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার পদ থেকে সরে দাঁড়ালেন হাসিনা কন্যা সায়মা ওয়াজেদ পুতুল। কেন তিনি পদত্যাগ করলেন? বিশদে জানতে দেখুন সম্পূর্ণ ফটো গ্যালারি…
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার আঞ্চলিক অধিকর্তার পদ ছাড়লেন হাসিনা কন্যা
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার আঞ্চলিক অধিকর্তার পদ ছাড়লেন হাসিনা কন্যা সায়মা ওয়াজেদ পুতুল। জানা গিয়েছে, তার বিরুদ্ধে উঠেছে আর্থিক দুর্নীতি, নিজের শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়ে ভুল তথ্য প্রদান সহ একাধিক অনিয়মের অভিযোগ। দীর্ঘদিন ধরে বেতনহীন ছুটিতে ছিলেন হাসিনা কন্যা। অবশেষে WHO প্রধান টেড্রস অ্যাডানম গেব্রিয়েসাসের কাছে নিজের পদত্যাগপত্র দিয়েছেন পুতুল।
25
কেন এই পদত্যাগের সিদ্ধান্ত?
এই বিষয়ে সংবাদ সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদন অনুযায়ী, হাসিনা কন্যা সায়মা ওয়াজেদ পুতুলের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ তুলে ২০২৫ সালের জুলাই মাস থেকে বেতনহীন ছুটিতে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে তাকে। ফলে দীর্ঘদিন বেতনহীন থাকায় একদিক যেমন আর্থিক সংকটে ভুগছেন হাসিনা কন্যা। তেমনই, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রতি আস্থা হারিয়ে নিজে থেকেই পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি।
35
হাসিনা কন্যা সায়মা ওয়াজেদ পুতুলের বিরুদ্ধে কী কী অভিযোগ রয়েছে?
এই বিষয়ে সূত্র মারফত খবরে জানা গিয়েছে, মুহাম্মদ ইউনূসের অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে বাংলাদেশের দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) হাসিনা-কন্যার বিরুদ্ধে দুর্নীতির তদন্ত শুরু করে। তার পরেই ২০২৫ সালের জুলাই মাসে সায়মাকে বেতনহীন ছুটিতে পাঠিয়ে দিয়েছিল হু। শুধু তাই নয়, চলতি বছরের অক্টোবর মাসে তার বরখাস্তের তোড়জোড়ও শুরু করেছিল বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। অবশ্য তার আগেই এই পদ ছাড়লেন তিনি।
জানা গিয়েছে, দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার দেশগুলির আঞ্চলিক প্রধান অধিকর্তা হিসেবে ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে পাঁচ বছরের জন্য তাঁকে কাজে নিয়োগ করা হয়। ওই বছরের অগাস্ট মাসে বাংলাদেশে তার মায়ের শেখ হাসিনার দলের সরকারে পতন ঘটলে তাদের পরিবারের বিরুদ্ধে একের পর এক দুর্নীতি, আর্থিক তছরূপের অভিযোগ ওঠে। আর এরপরই ২০২৫ সালের জুলাই মাস থেকে বেতনহীন ছুটিতে ছিলেন তিনি। এবার নিজেই ওই পদ থেকে সরে দাঁড়ানোর জন্য চিঠি দিয়েছেন।
55
চিঠিতে কী জানিয়েছেন হাসিনা কন্যা?
WHO প্রধানকে লেখা ওই চিঠিতে হাসিনা কন্যা সায়মা লিখেছেন যে, দীর্ঘদিন ধরে বেতনহীন থাকার কারণে তিনি যেমন আর্থিক সংকটে ভুগছেন তেমনই বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার দায়বদ্ধতার ওপর আস্থা হারিয়েছেন তিনি। এই কারণেই তার এই পদত্যাগ। শুধু তাই নয়, তার বিরুদ্ধে ওঠা সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করে হাসিনার মেয়ে আরও জানান, তিনি তার কাজের প্রতি দায়বদ্ধ ছিলেন। এবং আন্তরিকতার সঙ্গেই তিনি সমস্ত কাজ করে এসেছেন। নিজের দায়িত্ব পালন করেছেন।