পর্যটকের ছদ্মবেশে সমুদ্রে জঙ্গি প্রশিক্ষণ লস্কর-ই-তইবার! পাকিস্তানের চরনা দ্বীপে হচ্ছেটা কী?

Published : Nov 06, 2026, 04:57 PM IST
Terrorists of the Lashkar have been training in a maritime environment in a location near Karachi posing As Tourists

সংক্ষিপ্ত

পাকিস্তানের করাচির কাছে জনপ্রিয় পর্যটন কেন্দ্র চরনা দ্বীপ। সেখানেই পর্যটকের ছদ্মবেশে সমুদ্রপথে হামলার প্রশিক্ষণ নিচ্ছে লস্কর-ই-তইবার জঙ্গিরা! এমনই চাঞ্চল্যকর দাবি করে খবর প্রকাশ করেছে NDTV। গোয়েন্দা সূত্রের বরাত দিয়ে প্রকাশিত রিপোর্টে উঠে এসেছে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য।

পাকিস্তানের করাচির কাছে জনপ্রিয় পর্যটন কেন্দ্র চরনা দ্বীপ। সেখানেই পর্যটকের ছদ্মবেশে সমুদ্রপথে হামলার প্রশিক্ষণ নিচ্ছে লস্কর-ই-তইবার জঙ্গিরা! এমনই চাঞ্চল্যকর দাবি করে খবর প্রকাশ করেছে NDTV। গোয়েন্দা সূত্রের বরাত দিয়ে প্রকাশিত রিপোর্টে উঠে এসেছে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য। NDTV-র রিপোর্ট অনুযায়ী, করাচি থেকে প্রায় ৫০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত চরনা দ্বীপে স্কুবা ডাইভিং, কমব্যাট সুইমিং এবং জলের নীচে বিভিন্ন ধরনের অভিযান চালানোর প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে বলে গোয়েন্দা সূত্রের দাবি। পর্যটকদের কাছে জনপ্রিয় এই দ্বীপে প্রশিক্ষণ নিতে আসা জঙ্গিদের সাধারণ পর্যটক হিসেবে দেখানো হচ্ছে বলে দাবি করা হয়েছে।

প্রশিক্ষণের নেপথ্যে কারা?

রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে, লস্কর-ই-তইবার 'দাওয়া মেরিন উইং' বা 'সাদা-এ-হুররিয়ত'-এর সদস্যরা এই প্রশিক্ষণের সঙ্গে যুক্ত। প্রশিক্ষকদের সঙ্গে পাকিস্তানের মার্কাজি মুসলিম লিগের (PMML) যোগ রয়েছে বলেও গোয়েন্দা সূত্রের দাবি। ২০০৮ সালের ২৬ নভেম্বর মুম্বইয়ে ভয়াবহ জঙ্গি হামলায় সমুদ্রপথ ব্যবহার করেছিল লস্কর-ই-তইবার জঙ্গিরা। সেই হামলায় ১৬৬ জনের মৃত্যু হয়েছিল। NDTV-র রিপোর্টে বলা হয়েছে, ২০০৮ সাল থেকেই লস্করের একটি ছোট সামুদ্রিক শাখা সক্রিয় রয়েছে। এবার সমুদ্রপথে আরও বড় আকারের হামলার সক্ষমতা তৈরির চেষ্টা চলছে বলে গোয়েন্দা সূত্রের দাবি।

ভারতের নিরাপত্তা নিয়ে কী জানা যাচ্ছে?

এর আগেও এই সন্ত্রাসবাদী গোষ্ঠীকে পাকিস্তান-অধিকৃত কাশ্মীরের (PoK) মাংলা ড্যামে এবং বিভিন্ন জঙ্গি লঞ্চপ্যাডে তৈরি বিশেষ সুইমিং পুলে প্রশিক্ষণ নিতে দেখা গেছে। এর মধ্যে কয়েকটি স্থানে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ভারত সুনির্দিষ্ট বোমা ও ক্রুজ মিসাইল হামলা চালিয়েছিল। রিপোর্ট অনুযায়ী, সমুদ্রপথে সম্ভাব্য হুমকির বিষয়ে ভারতীয় নিরাপত্তা সংস্থাগুলি অবগত রয়েছে এবং প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করছে বলে সূত্রের দাবি। এদিকে জম্মু-কাশ্মীরেও লস্করের একটি নিয়োগ চক্রের সন্ধান পাওয়ার পর ছয়টি জায়গায় তল্লাশি চালিয়েছে কাউন্টার ইন্টেলিজেন্স কাশ্মীর (CIK)। বাজেয়াপ্ত হয়েছে ডিজিটাল ডিভাইস ও নথিপত্র। সিআইকে সদস্যরা বুদগাম, শ্রীনগর, অনন্তনাগের বিজবেহারা ও মাত্তান এবং পুলওয়ামার একটি গ্রামে তল্লাশি চালায়। সূত্র জানিয়েছে, অভিযানের সময় ডিজিটাল ডিভাইস ও নথিপত্র-সহ বিভিন্ন আপত্তিকর উপকরণ জব্দ করা হয়েছে।

তল্লাশি চালানো বাড়িগুলোর মধ্যে ২২ বছর বয়সি স্নাতক মহম্মদ ইয়াসিন মিরের বাড়িটিও ছিল। মিরের মা তাবাসুম শাহিন—যিনি একজন পাকিস্তানি নাগরিক—গত বছরের ২৯ এপ্রিল পাকিস্তান চলে যান এবং এরপর আর ফিরে আসেননি। তিনি ভিসা পাননি, নাকি স্বেচ্ছায় ফিরে আসেননি, তা এখনও স্পষ্ট নয়। তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, তিনি তাঁর ছেলের সঙ্গে যোগাযোগ বজায় রেখেছিলেন। এই যোগসূত্রটি নিয়েও সিআইকে তদন্ত চালাচ্ছে।

PREV
Read more Articles on
click me!

Recommended Stories

Paraguay Political Crisis: জনতার তুমুল ক্ষোভের মুখে পদত্যাগ প্যারাগুয়ের রাষ্ট্রপতি পেনিয়ার, ব্যাঙ্ক দেউলিয়া কাণ্ডে হারালেন গদি
US Iran Conflict: ৯ নভেম্বর ফের ইরানে হামলা আমেরিকার? ভোটে হারের পরেও কড়া সিদ্ধান্তের পথে ট্রাম্প