
সঙ্গীর সঙ্গে নিত্যদিনের ঝগড়ার পেছনে মা-বাবা বা শ্বশুরবাড়ির লোকেদের অযাচিত হস্তক্ষেপ, ভিন্ন মতাদর্শ, পারিবারিক প্রথা বা বয়স্কদের নিয়ে মতবিরোধ বড় কারণ হতে পারে। এই হস্তক্ষেপ ব্যক্তিগত স্পেসে টানাপড়েন তৈরি করে, যা সম্পর্কের উষ্ণতা কমিয়ে দেয়। এর জন্য একে অপরের প্রতি বিশ্বাস বজায় রাখা এবং নিজস্ব সীমানা (Boundary) নির্ধারণ করা অত্যন্ত জরুরি।
* পারিবারিক মতবিরোধ: শ্বশুরবাড়ির লোকেদের সাথে বোঝাপড়ার অভাব বা মা-বাবার কথায় সংসারের সিদ্ধান্ত নেওয়ার প্রবণতা দাম্পত্যে বড় ঝগড়ার কারণ হতে পারে। অনেক সময় বাবা-মায়ের প্রতি অতিরিক্ত নির্ভরশীলতা সঙ্গীর মনে অসন্তোষ সৃষ্টি করে।
* ব্যক্তিগত স্বাধীনতা ও গোপনীয়তা: শ্বশুরবাড়ির লোকেদের অত্যধিক নাক গলানো (Interference) যখন স্বামী-স্ত্রীর নিজেদের মতের বিরুদ্ধে যায়, তখন মনে হতাশা তৈরি হয়।
* মতাদর্শের পার্থক্য: দুই পরিবারের সংস্কৃতি ও পালনের রীতিনীতি ভিন্ন হতে পারে, যা বিয়ের পর স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে মানিয়ে নেওয়ার সমস্যা বা ঝগড়া তৈরি করে।
• সীমানা নির্ধারণ (Set Boundaries): কোন বিষয়ে পরিবারকে কতটা জানানো হবে বা কোন সিদ্ধান্তের ক্ষেত্রে পরিবারের মত নেওয়া হবে, তা স্বামী-স্ত্রীকে নিজেদের মধ্যে আগেই ঠিক করে নিতে হবে। * শান্ত আলোচনা: মেজাজ খারাপ থাকলে সাথে সাথে প্রতিক্রিয়া না দিয়ে কিছুটা সময় নিন এবং পরে শান্ত হয়ে আলোচনা করুন। * নিজস্ব সময়: পরিবারের লোকেদের থেকে কিছুটা আলাদা সময় (Quality Time) কাটান, যেমন বাইরে ঘুরে আসা বা নিজেদের পছন্দের কাজ করা। * পারস্পরিক বোঝাপড়া: সঙ্গীর কথা মনোযোগ দিয়ে শুনুন এবং সহানুভূতিশীল হোন। সমস্যা সমাধানে দুজনেই উদ্যোগ নিন।
যদি পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়, তবে পেশাদার কাউন্সেলিং বা থেরাপি নেওয়া যেতে পারে।