
পকেটে টান? টাকা হাতে থাকছে না? তাহলে এবারের জন্মাষ্টমীর আগেই করুন এই ছোট্ট কাজ। ভগবান শ্রীকৃষ্ণের জন্মতিথির আগে তাঁর প্রিয় ৭টি জিনিস ঘরে আনলে মা লক্ষ্মী প্রসন্ন হন এবং ঘরের অমঙ্গল দূর হয়।
*১. ময়ূরের পালক:*
শ্রীকৃষ্ণের মুকুটের শোভা এই ময়ূরের পালক সৌন্দর্য ও অহংকারহীনতার বার্তা দেয়। জন্মাষ্টমীর আগে ঠাকুরঘরে বা কৃষ্ণের মূর্তির পাশে একটি পরিষ্কার ময়ূরের পালক রাখা অত্যন্ত শুভ। এটি ঘরে পজিটিভ এনার্জি নিয়ে আসে এবং বাস্তু দোষ কাটায়।
*২. কাঠের বাঁশি:*
বাঁশি হলো ভালোবাসা ও সম্প্রীতির প্রতীক। জন্মাষ্টমীর আগে কৃষ্ণের সামনে একটি ছোট কাঠের বাঁশি রাখলে দাম্পত্য জীবনে পারস্পরিক বোঝাপড়া ও শান্তি বাড়ে। বাঁশির ফাঁকা ভেতরটি অহংকার ত্যাগের শিক্ষা দেয়।
*৩. তুলসী গাছ:*
শ্রীকৃষ্ণের পুজো ও ভোগ তুলসী পাতা ছাড়া অসম্পূর্ণ। জন্মাষ্টমীর আগে বাড়িতে একটি নতুন তুলসী গাছ এনে পর্যাপ্ত আলো-বাতাসযুক্ত জায়গায় বসান। তুলসী গাছ ঘরে পবিত্রতা ও ভক্তি বয়ে আনে এবং আর্থিক সমৃদ্ধি ঘটায়।
*৪. গরু ও বাছুরের মূর্তি:*
শ্রীকৃষ্ণের শৈশব ও রাখাল রূপের সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে গোকুলের গরুর দল। বাড়িতে গরু-বাছুরের একটি ছোট মূর্তি রাখলে ঘরের সব নেতিবাচক শক্তি দূর হয়ে পজিটিভ এনার্জি বাড়ে এবং ধন-সম্পদ বৃদ্ধি পায়।
*৫. লাড্ডু গোপালের মূর্তি:*
বাড়িতে এখনও গোপাল না থাকলে, এই জন্মাষ্টমীর আগেই লাড্ডু গোপালের মূর্তি বা ছবি এনে নিত্যপুজো শুরু করতে পারেন। মনে করা হয়, এতে ঘরে কুবেরের কৃপা বজায় থাকে এবং সমস্ত অমঙ্গল দূর হয়।
*৬. মাখন-মিশ্রি:*
লাড্ডু গোপালের সবচেয়ে প্রিয় ভোগ হল মাখন-মিশ্রি। জন্মাষ্টমীর দিন এই ভোগ নিবেদন করলে শ্রীকৃষ্ণ অত্যন্ত প্রসন্ন হন। শাস্ত্র মতে, এতে ঘরে কখনও অন্নের অভাব হয় না এবং সম্পর্কে মাধুর্য বাড়ে। পুজোর পর এই প্রসাদ পরিবারের সবাই গ্রহণ করুন।
*৭. গীতা গ্রন্থ:*
শ্রীকৃষ্ণের মুখনিঃসৃত বাণী হল শ্রীমদ্ভগবদগীতা। জন্মাষ্টমীর আগে একটি ছোট পকেট গীতা ঘরে আনা অত্যন্ত শুভ। প্রতিদিন একবার হলেও গীতা পাঠ করলে জীবনের সমস্ত বাধা কেটে যায়, সঠিক পথের সন্ধান মেলে এবং আর্থিক কষ্ট দূর হয়।