
২০২৬ সালের বাসন্তী পূজায় দেবী দুর্গার আগমন পালকিতে এবং গমন গজে (হাতি)। শাস্ত্র মতে, পালকিতে আগমন মড়ক বা রোগব্যাধি এবং গজে গমন অতিবৃষ্টি বা শস্যহানিকর পরিস্থিতির ইঙ্গিত দিলেও, দেবীর সৌম্য রূপ ও বসন্তকালীন আরাধনা জাগতিক সমৃদ্ধি ও শান্তির বার্তা নিয়ে আসে । চৈত্র নবরাত্রিতে এই পুজো চারদিক ধনাত্মকতায় ভরিয়ে দেয়।
২০২৬ সালের বাসন্তী পূজার বিশেষত্ব ও ধরিত্রীর ভাগ্য:
* আগমন পালকিতে (Palanquin): পঞ্জিকা মতে, মা দুর্গা যখন পালকিতে চড়ে আসেন, তখন শাস্ত্র মতে মড়ক, রোগব্যাধি বা অশুভ কোনো পরিস্থিতির আশঙ্কা থাকে। এটি অনেকটা অস্থির সময়ের ইঙ্গিত দেয়।
* গমন গজে বা হাতিতে (Elephant): দেবী যখন হাতিতে চড়ে গমন করেন বা বিদায় নেন, তখন তা সাধারণত শুভ লক্ষণ হিসেবে ধরা হয় না। এর ফলে অতিবৃষ্টি, বন্যা বা ফসলহানির সম্ভাবনা থাকে, যা ধরিত্রীর ওপর প্রভাব ফেলে।
* চৈত্র নবরাত্রির প্রভাব: ২৪ মার্চ থেকে শুরু হওয়া বাসন্তী পূজায় দেবী দুর্গার শৈলপুত্রী রূপের আরাধনা করা হয়, যা মনের শক্তি ও শান্তি বৃদ্ধি করে।
* ধরিত্রীর ভাগ্য: যদিও আগমন ও গমনের বাহন নিয়ে উদ্বেগের কারণ থাকতে পারে, তবুও বাসন্তী পূজা বসন্তের নতুন প্রাণ ও প্রকৃতির সজীবতার প্রতীক । ঋতু পরিবর্তনের এই সন্ধিক্ষণে দেবী অশুভ শক্তি বিনাশ করে ধরিত্রীতে নতুন আশা ও সমৃদ্ধি নিয়ে আসেন বলে বিশ্বাস।
উপসংহার: শাস্ত্রীয় বাহন বা যানবাহনের প্রভাব নিয়ে শঙ্কা থাকলেও, মা দুর্গা যেহেতু বসন্তের দেবী, তাই তাঁর এই পূজা অশুভ শক্তি নাশ করে পৃথিবীতে শান্তি ও স্বস্তি ফিরিয়ে আনবে। চৈত্র নবরাত্রির এই পবিত্র সময়ে প্রকৃতির রূপ বদলের সাথে সাথে মানুষের জীবনেও শুভ বার্তা বয়ে আসুক।