mysterious temples: ভারত শুধুমাত্র উৎসবের দেশ নয়। এই দেশ অলৌকিকতারও। এই দেশে এমন কয়েকটি মন্দিররয়েছে যার গভীরে লুকিয়ে রয়েছে রহস্য। যার কার্যকারণের ব্যাখ্যা এখনও পর্যন্ত স্পষ্ট করে দিতে পারে না বিজ্ঞানও। দেখুন তেমনই ১০টি মন্দির।
অসমের গুয়াহাটির নীলাচল পাহাড় অবস্থিত প্রাচীন এই মন্দির। এটি শক্তিপীঠ হিসেবেও পরিচিত। এই দেবী রক্তস্রবা দেবী নামে পরিচিত। জুন মাসে অম্বুবাচির সময় রক্তাক্ত হয় দেবী। এই সময় তিন দিন বন্ধ থাকে মন্দির। মন্দির সংলগ্ন ঝর্নার জলও লাল হয়ে যায়।
210
মহেন্দিপুর বালাজি মন্দির (রাজস্থান)
রাজস্থানের দৌসা জেলায় অবস্থিত। এই মন্দির ভূত তাড়ানোর জন্য গোটা দেশেই পরিচিত। এই মন্দিরের পরিবেশ এতটাই ভয়ঙ্কর যে অনেক দর্শনার্থী মুর্ছা যান বা চিৎকার করে ওঠেন। এখানে প্রসাদ বিলি করা হয় না। এই মন্দির থেকে বেরিয়ে যাওয়ার সময় পিছনে ফিরে তাকাতে নেই।
310
কৈলাস মন্দির (মহারাষ্ট্র)
মহারাষ্ট্রের ইরোলা গুহায় অবস্থিত বহু প্রাচীন কৈলাস মন্দির। এটি শিবকে উৎসর্গ করা। একটিমাত্র আগ্নেয়শিলা কেটে তৈরি করা হয়েছিল। কিন্তু প্রশ্ন- কী করে তৈরি করা হয়েছিল? বিজ্ঞানীদের দাবি খুব অল্প সময় তৈরি হয়েছিল এই মন্দির। কিন্তু সেই সময় আধুনিক প্রযুক্তি বা যন্ত্রপাতি ছিল না। তাই প্রশ্ন কী করে দ্রুত নির্মাণ হয়েছিল মন্দিরটি?
কেরলের তিরুবন্তপুরমে অবস্থিত পদ্মনাভস্বামী মন্দির। এটি ভগবান বিষ্ণুর মন্দির। এই মন্দির বিখ্যাত গুপ্তভাণ্ডার আর বিপুল ধন-সম্পদের জন্য। এই মন্দিরের কয়েকটি কক্ষ এখনও বন্ধ, তা খোলা যায়নি। শোনা যায় সেগুলি যারা যারা খোলার চেষ্টা করেছে তাদের ও তাদের পরিবারের সদস্যদের জীবন বিপন্ন হয়েছে। তবে এর কারণ এখনও বলতে পারেনি বিজ্ঞান।
510
জ্বালামুখী মন্দির (হিমাচলপ্রদেশ)
জ্বালামুখী মন্দির অর্থাৎ আলোর দেবীর মন্দির। হিমাচলপ্রদেশের কাংড়া জেলায় অবস্থিত। একটি শিলা থেকে অবিরাম আগুন জ্বলছে। অবিরাম জ্বলতে থাকা শিলাটি আগ্নেয়শিলা। ভক্তদের বিশ্বাস অগ্নিশাখা স্বয়ং জ্বলাদেবী। কিন্তু আগুনের উৎস কী তার ব্যাখ্যা দিতে পারেনি বিজ্ঞান।
610
নিধিবন মন্দির (উত্তরপ্রদেশ)
উত্তরপ্রদেশের বৃন্দাবনের নিধিবন মন্দির। ভক্তদের বিশ্বাসএখানে প্রতিরাতেই আসেন ভগবান শ্রীকৃষ্ণ আর রাধারান। মন্দির সংলগ্ন গাছগুলি পেঁচানো আর ফাঁপা। যা স্থানীয়দের কাছে গোপী নামে পরিচিত। সূর্যাস্তের পরেই এই মন্দিরের দরজা বন্ধ করা হয়। কিন্তু তারপরই শোনা যায় ঝুমুর আর বাঁশির শব্দ। কিন্তু শব্দের উৎস বলতে পারে না বিজ্ঞান। পাশাপাশি গাছের আকার নিয়েও রয়েছে রহস্য।
710
বীরভদ্র মন্দির (অন্ধ্রপ্রদেশ)
বীরভদ্র মন্দির স্থানীয়দের কাছে লেপক্ষী মন্দির নামেও পরিচিত। এটি অন্ধ্রপ্রদেশ অবস্থিত. শিবের উগ্ররূপ পুজো করা হয়। মন্দিরে রয়েছে রহস্যময় একটি পিলার, যা মটি স্পর্শ করে না। কিন্তু কেন এমন পিলার তৈরি করা হয়েছিল তারও কোনও ব্যাখ্যা দিতে পারেনি বিজ্ঞান।
810
জগন্নাথ মন্দির (ওড়িশা)
ওড়িশার পুরীতে রয়েছে জগন্নাথ মন্দির। এই মন্দির নিয়ে রহস্যের অন্ত নেই। মন্দির শীর্ষ ধ্বজা সর্বদাই ওড়ে হাওযার বিপরীতে। কিন্তু কেন? উত্তর নেই। বাঙালিদের প্রশ্ন, এই মন্দিরর গর্ভগৃহে ঢুকে আর কোনও দিন বার হননি মহাপ্রভু চৈতন্যদেব। কোথায় গেলেন তিনি? তার মৃতদের কোথায়? রহস্যের সমাধানে নামে ব্যক্তিদের আচমকাই মৃত্যু হয়েছে। কিন্তু কেন ? এরও উত্তর নেই।
910
সূর্য মন্দির (ওড়িশা)
ওড়িশার সূর্যমন্দির, কোনার্ক নামে পরিচিত। এই মন্দিরে পুজো হয় না। সূর্যের প্রথম আলো মন্দিরের গর্ভগৃহে। সূর্যাস্তের পর মন্দির প্রাঙ্গনে শোনা যায় নুপুরের আওয়াজ। যার কোনও ব্যাখ্যা নেই।
1010
তিরুপতি বালাজী (আন্ধ্রপ্রদেশ)
এই মন্দিরে শ্রীকৃষ্ণ বেঙ্কটেশ্বর নামে পুজিত হন। দেব-বিগ্রহের মাথায় যে চুল রয়েছে তা আসল চুল। কিন্তু কোথা থেকে এলো? এই প্রশ্নের যেমন ব্যাখ্যা নেই বিজ্ঞানে তেমনই ব্যাখ্যা নেই মন্দিরের দেবতা মাঝেমধ্যেই ঘেমে যান কেন। তাই এই মন্দির নিয়েও রহস্য রয়েছে ভক্তদের মধ্যে।
Religion News (ধর্মের খবর): Read latest news and updates on religion in bengali , Spiritual News, Puja Vratham, Fasting Rule. Find Bengali Religious News, Spiritual News on Asianet Bangla News.