
Krishanu Dey Birth Anniversary: 'শেষ তারা কৃশানু।' শনিবার প্রয়াত কিংবদন্তি ফুটবলারের জন্মদিবসে এই শীর্ষক বই প্রকাশিত হল। কলকাতা আন্তর্জাতিক বইমেলার শেষদিকে এই বই প্রকাশ করা হয়। তবে শনিবার আনুষ্ঠানিকভাবে ইস্টবেঙ্গল ক্লাবে (East Bengal Club) এই বই প্রকাশ করা হল। কিংবদন্তি ফুটবলারকে নিয়ে এই বই লিখেছেন তাঁর ছেলে সোহম দে এবং সাংবাদিক কৃশানু মজুমদার। বই প্রকাশ অনুষ্ঠানে ছিলেন কৃশানু দে-র স্ত্রী পনি দে, ঘনিষ্ঠ বন্ধু ও সতীর্থ বিকাশ পাঁজি, কিংবদন্তি গোলকিপার ভাস্কর গঙ্গোপাধ্যায়, প্রাক্তন ফুটবলার ও কোচ বিশ্বজিত ভট্টাচার্য, গায়ক মনোময়, চিকিৎসক নারায়ণ বন্দ্যোপাধ্যায়। ইস্টবেঙ্গল ক্লাবের শীর্ষকর্তা দেবব্রত সরকারও ছিলেন। সবাই প্রয়াত তারকা ফুটবলারের স্মৃতিচারণা করেন। শুধু ফুটবলারই নয়, মানুষ কৃশানু দে-র কথাও উঠে আসে।
এই অনুষ্ঠানে মনোময়, নায়ারণবাবু আক্ষেপ করেন, এখন আর সেভাবে বাঙালি ফুটবলারদের দেখা যাচ্ছে না। কৃশানু দে-র মতো আর কাউকে পাওয়া গেল না। সে কথা শুনে বিকাশ বলেন, 'আমি বিশ্বাস করি, ঘষে-মেজে কৃশানু দে-কে তৈরি করা যায় না। ও জন্মগত প্রতিভাবান ফুটবলার ছিল। তবে আমি একটা ছেলের মধ্যে কৃশানুর কিছুটা ছায়া দেখতে পাচ্ছি। ভেটারেন্স ক্লাবে খেলছে ছেলেটা। আমি ওকে বলেছি, তোমার যা দরকার আমাকে বলবে। ও গরিব ঘরের ছেলে। আমি ওর সব দায়িত্ব নিয়েছি। আশা করি ও বড় ফুটবলার হয়ে উঠবে।'
১৯৮৮ সালে কৃশানু দে-র কার্টিলেজ ছিঁড়ে গিয়েছিল। এই চোটের জন্য তাঁকে দীর্ঘদিন মাঠের বাইরে থাকতে হয়। সেই কার্টিলেজ এখনও রেখে দিয়েছেন এই ফুটবলারের স্ত্রী পনি। তিনি ইস্টবেঙ্গল ক্লাবের সংগ্রহশালায় স্বামীর একজোড়া বুটও দিয়েছেন। শনিবার সেই বুট, কৃশানু দে-র নামাঙ্কিত ভিভিআইপি বক্স দেখে আবেগতাড়িত হয়ে পড়েছিলেন পনি। যাঁরা কৃশানু দে-র সঙ্গে একই দলে বা বিপক্ষ দলে খেলেছেন অথবা তাঁর খেলা দেখেছেন, তাঁরাও মনে মনে চার দশক পিছিয়ে যাচ্ছিলেন।
আরও খবরের আপডেট পেতে চোখ রাখুন আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।