Debabrata Sarkar East Bengal: দীর্ঘ ২২ বছর পর, জাতীয় লিগ স্তরের প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন। আইএসএল জিতে ইতিহাস তৈরি করেছে লাল হলুদ ব্রিগেড। এসেছে অনেক কঠিন সময়। তারপরেও দাঁতে দাঁত চেপে লড়াই করে গেছেন ক্লাব কর্তা, ফুটবলার এবং সাপোর্ট স্টাফরা। বিনয়োগকারী সংস্থাও পাশে ছিল সর্বদা। দীর্ঘদিন ধরে লড়াই, একাধিকবার মন ভেঙে চূরমার হয়ে যাওয়া, ঘুরে দাঁড়িয়েও আবার ব্যর্থতা! সেই চেনা ছবিকেই এক লহমায় বদলে দিলেন স্প্যানিশ হেডস্যার অস্কার ব্রুজো। একদল দামাল ছেলেকে নিয়ে লড়ে গেছেন তিনি। কখনোই পিছিয়ে আসেনি ইস্টবেঙ্গল (east bengal fc)।
আর সেই প্রথম আইএসএল ট্রফি জিতে এবার আত্মবিশ্বাসী লাল হলুদ কর্তা দেবব্রত সরকার (debabrata sarkar east bengal club)। বুঝিয়ে দিলেন, তারাই ঠিক ছিলেন ইনভেস্টর ইস্যুতে। সময় লেগেছে, কিন্তু সাফল্য এসেছে। খোঁচা দিলেন মোহনবাগানকেও। কথায় কথায় বলেই দিলেন, তাদের ক্লাবের ট্রফি বাক্সবন্দি হয়ে অন্য কোথাও যায়না। ক্লাবেই রয়েছে, যে কোনও সমর্থক এসে দেখতে পারেন। এমনকি, কেন সঞ্জীব গোয়েঙ্কার অফার পেয়েও পিছিয়ে এসেছিল ক্লাব? সেটাও জানিয়ে দিলেন দেবব্রত।
ইস্টবেঙ্গল কর্তা বলছেন, “বৃষ্টিভেজা রাতে কেউ ছাতা নিয়ে যাচ্ছে, তাঁর ছাতার তলায় মাথা গুঁজে দিলে যদি মাথায় জল না লাগে, তাহলে ভালো! আমরা সঞ্জীব গোয়েঙ্কার থেকে প্রথম অফার পেয়েছিলাম, যে আমাদের সঙ্গে গাঁটছড়া বাঁধবার জন্য। আমরা ঐ টার্মস অ্যান্ড কন্ডিশনগুলো দেখে যেতে রাজি হইনি। তার কারণ, ওপার থেকে এসে তৈরি এই উদ্বাস্তুর ক্লাব। যারা রক্ত দিয়ে তৈরি করেছে, তাদের থেকে হস্তান্তর করে কাউকে দিয়ে দেবো, এটা আমরা হতে দিইনি। সেইজন্য ওনাদের সঙ্গে আমরা এগ্রিমেন্টটা করিনি। ওরা একবার সভ্য সমর্থকদের এগ্রিমেন্টটা প্রকাশ্যে এনে দেখাক।"
দেবব্রত সরকার জানালেন, "পৃথিবীর কোন ক্লাবটা আছে, যারা ধারাবাহিকভাবে ট্রফি পেয়ে গেছে? নেই। ব্যর্থতা একটা সাফল্যের অঙ্গ। সেটাকে পর্যবেক্ষণ করতে হয়। ধৈর্য ধরে এগিয়ে যেতে হয়। মাটিতে থাকতে হয়। লড়াইয়ের ময়দানে থাকতে হবে। লড়াইয়ের ময়দানের বাইরে গিয়ে কিছু হয়না। আমরা লড়াইয়ের ময়দানে ছিলাম, আছি এবং আগামীদিনেও থাকব।"
আরও খবরের আপডেট পেতে চোখ রাখুন আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।