Durand Cup 2026: দুরন্ত জয় ইস্টবেঙ্গলের। ডুরান্ড সেমিতে লাল হলুদ ব্রিগেড। ডুরান্ড কাপের কোয়ার্টার ফাইনালে রবিবার, কলকাতার যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে মুখোমুখি হয় ইস্টবেঙ্গল বনাম ভারতীয় সেনাবাহিনীর ফুটবল দল। সেই ম্যাচেই ১-০ গোলে জয় ছিনিয়ে নিল ইস্টবেঙ্গল। ইন্ডিয়ান আর্মি ফুটবল টিমকে (Indian Army Football Team) সহজেই হারিয়ে ডুরান্ড কাপ (Durand Cup 2026) সেমিফাইনালে পৌঁছে গেল ইস্টবেঙ্গল (East Bengal FC)। এক গোলে জয় পেল লাল-হলুদ ব্রিগেড। প্রতিপক্ষ দুর্বল হওয়ায় এদিন রক্ষণ নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষার পথে হাঁটেন ইস্টবেঙ্গলের (East Bengal FC) প্রধান কোচ অ্যান্টনিও লোপেজ হাবাস। বরিস সিং, লালচুংনুঙ্গা, নরেন্দ্র গহলট ও জয় গুপ্তাকে নিয়ে রক্ষণ সাজান হাবাস।
মাঝমাঠে ছিলেন রোহিত কুমার, বিষ্ণু পি ভি, ড্যানিয়েল রামিরেজ ও মহম্মদ বাসিম রশিদ। আক্রমণে ভরসা ছিলেন ডেভিড লালহ্লানসাঙ্গা ও ক্রিস্টোফার জেমস ইকনোমিডিস। প্রথম গোল পাওয়ার জন্য আটত্রিশ মিনিট পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হয়। লেফট উইংয়ে বল পেয়ে ইকনোমিডিসকে বাড়ান রামিরেজ। ইকনোমিডিসের ক্রস থেকে হেডে গোল করেন বিষ্ণু। প্রথমার্ধের শেষে এক গোল এগিয়েছিল ইস্টবেঙ্গল। বিষ্ণুর গোলের আগে একাধিক সুযোগ পেয়েছিল লাল-হলুদ ব্রিগেড। তবে সুযোগ কাজে লাগেনি। সেনার ফুটবলাররা লড়াই করছিলেন। তবে লাল-হলুদ রক্ষণে ফাটল ধরানো সম্ভব হয়নি। ঝুঁকিহীন ফুটবল ইস্টবেঙ্গলের গোল করার সময় সেনার ফুটবলারদের সঙ্গে সংঘর্ষে চোট পান বিষ্ণু।
Calcutta Football League: ভবানীপুরের কাছে আটকে গেল ইস্টবেঙ্গল! খেলা শেষ ১-১ গোলে
প্রথম গোল পাওয়ার জন্য আটত্রিশ মিনিট পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হয়। লেফট উইংয়ে বল পেয়ে ইকনোমিডিসকে বাড়ান রামিরেজ। ইকনোমিডিসের ক্রস থেকে হেডে গোল করেন বিষ্ণু। প্রথমার্ধের শেষে এক গোল এগিয়েছিল ইস্টবেঙ্গল। বিষ্ণুর গোলের আগে একাধিক সুযোগ পেয়েছিল লাল-হলুদ ব্রিগেড। তবে সুযোগ কাজে লাগেনি। সেনার ফুটবলাররা লড়াই করছিলেন। তবে লাল-হলুদ রক্ষণে ফাটল ধরানো সম্ভব হয়নি। ঝুঁকিহীন ফুটবল ইস্টবেঙ্গলের গোল করার সময় সেনার ফুটবলারদের সঙ্গে সংঘর্ষে চোট পান বিষ্ণু।
Durand Cup 2026: ডুরান্ড কাপ কোয়ার্টার-ফাইনালে ইস্টবেঙ্গল-মোহনবাগানের প্রতিপক্ষ কারা?
বৃষ্টিভেজা মাঠে কোনও ঝুঁকি না নিয়ে প্রথমার্ধের পর তাঁকে তুলে নেন হাবাস। দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই মাঠে নামেন বিপীন সিং। সাতান্ন মিনিটে জোড়া পরিবর্তন করেন হাবাস। ইকনোমিডিসের পরিবর্তে মাঠে নামেন এডমুন্ড লালরিন্ডিকা এবং ডেভিডের পরিবর্তে মাঠে নামেন জেসিন টি কে। মাঠে নামার কিছুক্ষণের মধ্যেই বক্সের মধ্যে ফাঁকায় বল পেয়ে যান জেসিন। তখন তাঁর সামনে শুধু সেনার গোলকিপার ভবীন্দ্র মাল্লা ঠাকুরী। কিন্তু গোলকিপারকে কাটিয়েও পোস্টে বল মেরে সুযোগ নষ্ট করেন জেসিন। আটষট্টি মিনিটে বক্সের ঠিক বাইরে থেকে রামিরেজের শট অল্পের জন্য বারের উপর দিয়ে চলে যায়।
উনআশি মিনিটে বিপীনের মাইনাস থেকে বলে পা ছোঁয়াতে পারলেই গোল করতেন জেসিন। কিন্তু কেরলের এই স্ট্রাইকার সহজতম গোলের সুযোগ নষ্ট করলেন। বিরাশি মিনিটে রোহিত কুমারের পরিবর্তে মাঠে নামেন জিকসন সিং। তিরাশি মিনিটে জেসিনের মাইনাস থেকে বক্সের মধ্যে ফাঁকায় বল পেয়েও বাইরে মারেন বিপীন। শেষদিকে সমতা ফেরানোর লক্ষ্যে মরিয়া হয়ে ওঠে সেনা। তবে লাল-হলুদ রক্ষণ অটুট থাকে। ফাইনালে ফের কলকাতা ডার্বি? ইস্টবেঙ্গল ও মোহনবাগান সুপার জায়ান্ট (Mohun Bagan Super Giant) ফাইনালে পৌঁছে গেলে পরস্পরের মুখোমুখি হবে। বাংলার ফুটবলপ্রেমীরা এখন থেকেই আশা করছেন, ফাইনালে ফের কলকাতা ডার্বি দেখতে পাবেন।
আরও খবরের আপডেট পেতে চোখ রাখুন আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।