
Indian Football News: বিশ্বকাপ ফুটবল ২০২৬ (FIFA World Cup 2026) শেষ হওয়ার পরেই ২৫ জুলাই শুরু হতে চলেছে এশিয়ার প্রাচীনতম এবং বিশ্বের তৃতীয় প্রাচীনতম ফুটবল টুর্নামেন্ট ডুরান্ড কাপ ২০২৬ (Durand Cup 2026)। এবার ডুরান্ড কাপের ১৩৫-তম সংস্করণ হতে চলেছে। গতবারের চ্যাম্পিয়ন নর্থইস্ট ইউনাইটেড এফসি (NorthEast United FC), দুই বিদেশি দল-সহ মোট ২৪ দল এবারের ডুরান্ড কাপে যোগ দিতে চলেছে। কয়েকদিনের মধ্যেই গ্রুপবিন্যাস এবং সূচি ঘোষণা করা হবে। ২৩ অগাস্ট ডুরান্ড কাপ ফাইনাল হবে। ফলে প্রায় এক মাস ধরে চলবে এই টুর্নামেন্ট। সর্বভারতীয় ফুটবল মরসুমের প্রথম টুর্নামেন্ট হওয়ায় ডুরান্ড কাপ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই ঐতিহাসিক টুর্নামেন্টের আলাদা গুরুত্বও রয়েছে। ফলে সব দলই ডুরান্ড কাপকে গুরুত্ব দিচ্ছে।
কলকাতা-সহ দেশের পাঁচ শহরে ডুরান্ড কাপের ম্যাচগুলি হবে। প্রথমবার ঝাড়খণ্ডের রাঁচিতে ডুরান্ড কাপের ম্যাচ হবে। কলকাতার বিবেকানন্দ যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গন এবং কিশোর ভারতী ক্রীড়াঙ্গন, রাঁচির বিরসা মুন্ডা স্টেডিয়াম, গুয়াহাটির ইন্দিরা গান্ধী অ্যাথলেটিক স্টেডিয়াম, ইম্ফলের খুমান লাম্পাক স্টেডিয়াম এবং শিলংয়ের জওহরলাল নেহরু স্টেডিয়ামে ম্যাচ হবে।
কয়েক বছর আগে পর্যন্ত দিল্লিতে হত ডুরান্ড কাপ। ২০১৯ সাল থেকে কলকাতা-সহ পূর্ব ভারত ও উত্তর-পূর্ব ভারতের শহরগুলিতে এই টুর্নামেন্ট আয়োজন করা হচ্ছে। এর পর থেকেই ডুরান্ড কাপ যেন নবজন্ম লাভ করেছে। ১৬ দলের টুর্নামেন্ট থেকে এই টুর্নামেন্ট এখন ২৪ দলের এক মহাযুদ্ধে পরিণত হয়েছে। তিন সশস্ত্র বাহিনীর হয়ে ভারতীয় সেনার ইস্টার্ন কমান্ড এই টুর্নামেন্ট আয়োজন করছে। যেখানে সেনা দলগুলির সঙ্গে দেশের নামীদামি ক্লাবগুলির এক দারুণ লড়াই দেখতে পাওয়া যায়। সাম্প্রতিক বছরগুলিতে প্রতিবেশী দেশের সেনা দলগুলিও এই টুর্নামেন্টে যোগ দিচ্ছে। সাম্প্রতিক বছরগুলিতে ডুরান্ড কাপের বিস্তার চোখে পড়ার মতো। পূর্ব ও উত্তর-পূর্ব ভারতে ডুরান্ড কাপের জনপ্রিয়তা বেড়ে গিয়েছে।
আরও খবরের আপডেট পেতে চোখ রাখুন আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।