যোগী সরকারের গ্রামীণ আজীবিকা মিশনে বদলেছে ছবি, রিতুর সাফল্য তৈরি করল নজির

Published : Jan 20, 2026, 07:01 PM IST
যোগী সরকারের গ্রামীণ আজীবিকা মিশনে বদলেছে ছবি, রিতুর সাফল্য তৈরি করল নজির

সংক্ষিপ্ত

জাতীয় গ্রামীণ আজীবিকা মিশনের মাধ্যমে বিজনৌরের রিতুর জীবন বদলে গেছে। স্বনির্ভর গোষ্ঠী, প্রশিক্ষণ এবং আর্থিক সহায়তায় তিনি 'বিদুর ক্যাফে' শুরু করেন এবং আজ হাজার হাজার টাকা আয় করে গ্রামের অন্য মহিলাদেরও কর্মসংস্থান দিচ্ছেন।

লখনউ। মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের নির্দেশে রাজ্যজুড়ে পরিচালিত জাতীয় গ্রামীণ আজীবিকা মিশন (NRLM) গ্রামীণ মহিলাদের জীবনে বড় পরিবর্তন আনছে। এই প্রকল্পটি মহিলাদের শুধু আর্থিক সাহায্যই দেয় না, বরং তাঁদের স্বরোজগার এবং আত্মনির্ভরতার দিকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। প্রশিক্ষণ, আর্থিক সহায়তা এবং বাজারের সঙ্গে সরাসরি সংযোগ এই উদ্যোগের মজবুত ভিত্তি। বিজনৌর জেলার রিতুর সাফল্য এই পরিবর্তনের এক অনুপ্রেরণামূলক উদাহরণ।

সংগ্রামের জীবন থেকে আত্মনির্ভরতার পথে যাত্রা

বিজনৌর জেলার দেবমল ব্লকের ফিরোজপুর নরোত্তম গ্রামের বাসিন্দা রিতুর জীবন আগে স্বামীর দিনমজুরির উপর নির্ভরশীল ছিল। সীমিত এবং অনিশ্চিত আয়ের কারণে পরিবারের খরচ চালানো কঠিন হয়ে যেত। ভবিষ্যৎ নিয়ে দুশ্চিন্তা লেগেই থাকত। ২০২২ সালে লক্ষ্মী স্বনির্ভর গোষ্ঠীর সঙ্গে যুক্ত হওয়া তাঁর জীবনের মোড় ঘুরিয়ে দেয়।

প্রশিক্ষণ ও সহযোগিতায় এগিয়ে যাওয়ার সাহস

জাতীয় গ্রামীণ আজীবিকা মিশনের অধীনে রিতু উদ্যোগপতি হওয়ার প্রশিক্ষণ, সঞ্চয় ও ঋণের সুবিধা এবং ব্যবসা শুরু করার জন্য ক্রমাগত मार्गदर्शन পেয়েছেন। যোগী সরকারের লক্ষ্য হল গ্রামীণ মহিলারা যাতে আত্মসম্মানের সঙ্গে নিজের পায়ে দাঁড়াতে পারেন। এই চিন্তাই রিতুকে এগিয়ে যাওয়ার আত্মবিশ্বাস জুগিয়েছে।

সীমিত সম্পদে শুরু হয় ‘বিদুর ক্যাফে’

আজীবিকা মিশনের সহায়তায় রিতু ‘বিদুর ক্যাফে’ শুরু করেন। ছোট আকারে শুরু হলেও, কঠোর পরিশ্রম এবং সঠিক নির্দেশনা এটিকে সফল করে তুলেছে। আজ রিতু প্রতিদিন ৬ থেকে ৭ হাজার টাকা পর্যন্ত আয় করছেন। যিনি একসময় বাড়ির খরচ চালাতে পারতেন না, আজ তিনি পূর্ণ আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে পরিবারের দায়িত্ব পালন করছেন এবং ভবিষ্যতের পরিকল্পনা করছেন।

গ্রামের অন্য মহিলারাও পেলেন কর্মসংস্থান

রিতুর সাফল্য শুধু তাঁর পরিবারের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকেনি। তিনি তাঁর ক্যাফের মাধ্যমে গ্রামের অন্য মহিলাদেরও কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করেছেন। এর ফলে গ্রামে মহিলাদের মধ্যে আত্মনির্ভরতার भावना আরও শক্তিশালী হয়েছে এবং সামাজিক পরিবেশে একটি ইতিবাচক পরিবর্তন দেখা গেছে।

স্বনির্ভর গোষ্ঠী থেকে মিলেছে সম্মান ও পরিচিতি

রিতু জানান যে স্বনির্ভর গোষ্ঠীর সঙ্গে যুক্ত হওয়ার পর তিনি প্রশিক্ষণ, সুযোগ এবং সম্মান—তিনটিই পেয়েছেন। মহিলারা এখন কাজের জন্য বাইরে না গিয়ে গ্রামেই সম্মানজনক রোজগার পাচ্ছেন। যোগী সরকারের প্রকল্পগুলি তাঁদের এগিয়ে যাওয়ার পথ দেখিয়েছে।

গ্রামীণ মহিলারা পরিবর্তনের অংশীদার হচ্ছেন

মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের নেতৃত্বে রাজ্যের গ্রামীণ মহিলারা এখন পরিবর্তনের অংশীদার হচ্ছেন। জাতীয় গ্রামীণ আজীবিকা মিশনের মাধ্যমে সরকার মহিলাদের স্বরোজগারের সঙ্গে যুক্ত করে তাঁদের আর্থিকভাবে শক্তিশালী করছে। রিতুর মতো গল্প প্রমাণ করে যে উত্তরপ্রদেশে আত্মনির্ভরতা এখন শুধু একটি প্রকল্প নয়, বরং বাস্তবে পরিণত হয়েছে।

PREV
Read more Articles on
click me!

Recommended Stories

Yogi Adityanath: কুশীনগরে মশা আর মাফিয়া, দুটোকেই শেষ করেছি, ঘোষণা যোগী আদিত্যনাথের
UP Assembly Election: ২০২৭-এর আগেই কি উত্তরপ্রদেশে ভোট? অখিলেশের এক বার্তায় তোলপাড় রাজনীতি