Mission Shakti: যোগী সরকারের উদ্যোগে উত্তরপ্রদেশে মহিলাদের সুরক্ষায় জোর

Published : Apr 27, 2026, 05:42 PM IST
Yogi Adityanath nabadwip vidhan sabha bjp campaign rally

সংক্ষিপ্ত

উত্তরপ্রদেশে 'মিশন শক্তি' অভিযানের মাধ্যমে মহিলাদের সুরক্ষা ও ক্ষমতায়নের ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে। কর্মক্ষেত্রে যৌন হেনস্থা রুখতে POSH Act 2013-এর নিয়মকানুন সম্পর্কে সচেতনতা বাড়ানো হচ্ছে। পাশাপাশি, মহিলাদের আর্থিক ও আইনি অধিকার নিয়েও প্রচার চলছে।

লখনউ। মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের নেতৃত্বে উত্তরপ্রদেশে 'মিশন শক্তি' অভিযান এখন একটা বড়সড় গণআন্দোলনের চেহারা নিয়েছে। এই অভিযানের আওতায় রাজ্যের ৭৫টি জেলাতেই মহিলাদের সুরক্ষা, সম্মান এবং স্বনির্ভরতা বাড়াতে লাগাতার সচেতনতামূলক কর্মসূচি চলছে। বিশেষ করে, কাজের জায়গায় মহিলাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে 'পশ' (POSH) আইন, ২০১৩-এর বিভিন্ন নিয়মকানুন সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে।

POSH Act 2013 নিয়ে সচেতনতা: সব স্তরের মানুষের অংশগ্রহণ

এই সচেতনতা অভিযানে সরকারি ও বেসরকারি সংস্থার আধিকারিক-কর্মী, মহিলা স্বনির্ভর গোষ্ঠীর সদস্য, কলেজের ছাত্রী, আইনজীবী, শ্রমিক সংগঠন এবং স্থানীয় প্রতিনিধিরা সক্রিয়ভাবে অংশ নিচ্ছেন। মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের নারী ক্ষমতায়ন নীতির এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এর মাধ্যমে কর্মক্ষেত্রে যৌন হেনস্থা প্রতিরোধ, নিরাপত্তা এবং বিচার নিশ্চিত করার ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে।

কর্মক্ষেত্রে যৌন হেনস্থা আইন: POSH আইনের মূল বিষয়গুলি

এই প্রচারের সময়ে 'পশ' আইন, ২০১৩-এর নিয়মগুলি বিস্তারিতভাবে বোঝানো হচ্ছে। এই আইন অনুযায়ী, কর্মক্ষেত্রে যেকোনো ধরনের শারীরিক, মৌখিক বা ইঙ্গিতপূর্ণ আচরণ, যা একজন মহিলার সম্মানহানি করে, তাকেই যৌন হেনস্থা বলে ধরা হবে।

যেসব সংস্থায় ১০ জন বা তার বেশি কর্মী আছেন, সেখানে একটি অভ্যন্তরীণ অভিযোগ কমিটি (Internal Complaints Committee) থাকা বাধ্যতামূলক। জেলা স্তরে স্থানীয় কমিটি (Local Committee) অভিযোগের শুনানি করে। অভিযোগ জানানোর জন্য ৩ মাস সময় পাওয়া যায়, তবে বিশেষ প্রয়োজনে এই সময়সীমা বাড়ানো যেতে পারে। ৯০ দিনের মধ্যে তদন্ত শেষ করে রিপোর্ট জমা দেওয়া বাধ্যতামূলক। এই আইন মহিলাদের গোপনীয়তা রক্ষা করে এবং দোষী প্রমাণিত হলে নিয়োগকারীকে কড়া ব্যবস্থা নেওয়ার অধিকার দেয়।

মহিলাদের সুরক্ষা ও স্বনির্ভরতা: অভিযানের মূল লক্ষ্য

মিশন শক্তি অভিযানের মূল লক্ষ্য হল মহিলা ও কিশোরীদের সুরক্ষা, সম্মান এবং আত্মনির্ভরতা নিশ্চিত করা। এর আওতায় শুধু আইনি তথ্যই দেওয়া হচ্ছে না, কর্মক্ষেত্রকে নিরাপদ করে তোলা, সচেতনতা বাড়ানো এবং নিয়মকানুন মেনে চলা নিশ্চিত করার দিকেও নজর দেওয়া হচ্ছে।

মহিলাদের আর্থিক ও আইনি অধিকারে বিশেষ জোর

এই অভিযানে মহিলাদের আর্থিক এবং আইনি অধিকারের বিষয়টিকেও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে মাতৃত্বকালীন ছুটি, সমান কাজের জন্য সমান বেতন, কর্মক্ষেত্রে স্বাস্থ্য ও সুরক্ষা, শ্রম আইনের অধীনে বিশেষ সুবিধা, আর্থিক সাক্ষরতা, এবং বিভিন্ন ব্যাঙ্কিং ও বিমা প্রকল্প সম্পর্কে তথ্য দেওয়া হচ্ছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, মহিলারা অর্থনৈতিকভাবে শক্তিশালী হলেই তাঁদের আসল সুরক্ষা নিশ্চিত হবে।

PREV
Read more Articles on
click me!

Recommended Stories

Yogi Government: বিল বাকি থাকলেও ৩০ দিন কাটবে না বিদ্যুৎ, যোগী সরকারের বিরাট ঘোষণা!
Yogi Adityanath: ‘সপা-কে দেখে মেয়েরা ভয় পায়’— বিরোধীদের চাঁচাছোলা আক্রমণ যোগীর