
সিম কার্ড আজীবন চলে না, তবে সঠিক যত্নে এটি ৫ থেকে ১০ বছর পর্যন্ত অনায়াসে চলতে পারে। প্রযুক্তিগত ত্রুটি বা নেটওয়ার্ক জনিত সমস্যা দেখা দিলে সাধারণত ৫-৬ বছর পর সিম কার্ড বদলে ফেলা বা অপারেটর থেকে রিফ্রেশ করে নেওয়া বুদ্ধিমানের কাজ।
সিম কার্ড মূলত তৈরি হয় প্লাস্টিক দিয়ে, যার মাঝখানে বসানো থাকে একটি সিলিকন চিপ। আপাতদৃষ্টিতে এর কোনও নির্দিষ্ট মেয়াদের কথা কোম্পানিগুলো না বললেও,ব্যবহারের ওপর ভিত্তি করে একটি নির্দিষ্ট সময় পর সিম কার্ড নষ্ট হয়ে যায়।
কখন বুঝবেন সিম কার্ডটি বদলে ফেলতে হবে?
যদি দেখেন আপনার ফোনে মাঝেমধ্যেই নেটওয়ার্ক উড়ে যাচ্ছে, কথা বলার সময় বারবার কল ড্রপ হচ্ছে বা ইন্টারনেট কানেকশন ধীর হয়ে গিয়েছে তাহলে বুঝবেন সিম কার্ড বদলানোর সময় এসে গিয়েছে।
সমাধান কী?
বিশেষজ্ঞদের মতে একটি সিম টানা ৮ থেকে ১০ বছর ব্যবহার করা উচিৎ নয়। যদি আপনার সিম অনেক বছরের পুরনো হয়ে থাকে তাহলে সিম কার্ডটি বন্ধ হয়ে যাওয়ার আগেই আপনার পুরনো নম্বর দিয়েই একটি নতুন সিম নিয়ে নিন। এতে আপনার ব্যাঙ্কিং পরিষেবা বা কন্ট্যাক্ট লিস্ট হারানোর কোনও ভয় থাকেনা। তাই সিম নষ্ট হওয়ার আগেই তা বদলে ফেলা জরুরি।
সিম কার্ড পরিবর্তনের বিস্তারিত বিষয়সমূহ:
* স্থায়িত্ব: একটি সিম কার্ড সাধারণত ১০ বছর পর্যন্ত সচল থাকতে পারে, যদি সেটির কোনো বাহ্যিক ক্ষতি না হয়।
* কখন বদলাবেন: ঘন ঘন নেটওয়ার্ক ড্রপ হলে, কল বা মেসেজ সমস্যা দিলে, অথবা পুরনো সিম কার্ডে নতুন 4G/5G প্রযুক্তি সাপোর্ট না করলে সিম কার্ড পরিবর্তন করা প্রয়োজন।
* সিম কার্ডের যত্ন: অতিরিক্ত তাপমাত্রা, আর্দ্রতা, এবং বারবার ফোন থেকে সিম কার্ড বের করলে এটি তাড়াতাড়ি নষ্ট হতে পারে।
* সক্রিয়তা: সাধারণত ৯০ দিন বা তার বেশি সময় রিচার্জ না করলে বা ব্যবহার না করলে অপারেটর সিমটি নিষ্ক্রিয় করে দিতে পারে।
দীর্ঘদিন একই নম্বর ব্যবহার করলে ব্যাংকিং বা নিরাপত্তা জনিত সমস্যার ঝুঁকি কম থাকে, তবে কার্ডটি পুরনো হলে তা পরিবর্তন করে নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়।