
Viral Video: মধ্যপ্রদেশের ইন্দোর-মহু (Mhow) ডিইএমইউ ট্রেনকে ঘিরে এক বিতর্কিত ঘটনার ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়ার পর নড়েচড়ে বসল ভারতীয় রেল। অভিযোগ, ট্রেনের লোকো পাইলট যাত্রাপথের মাঝখানে নির্ধারিত স্টেশন ছাড়াই ট্রেন থামিয়ে রাস্তার ধারের একটি দোকান থেকে সিঙারা কিনতে যান। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে যাত্রী নিরাপত্তা, রেল শৃঙ্খলা এবং অপারেশনাল নিয়ম নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল এক ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, ইন্দোর-মহু ডিইএমইউ ট্রেনটি একটি অননুমোদিত স্থানে দাঁড়িয়ে রয়েছে। অভিযোগ, সেই সময় লোকো পাইলট বা তাঁর নির্দেশে ট্রেন থামিয়ে ট্র্যাকের পাশের দোকান থেকে সামোসা সংগ্রহ করা হয়। ভিডিওটি দ্রুত সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়তেই তীব্র সমালোচনার মুখে পড়ে রেল কর্তৃপক্ষ।
ঘটনার সত্যতা যাচাই করতে ইতিমধ্যেই তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে ভারতীয় রেল। রেল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ঠিক কী পরিস্থিতিতে ট্রেনটি থামানো হয়েছিল, সেই সময় সমস্ত নিরাপত্তা বিধি মানা হয়েছিল কি না এবং লোকো পাইলট বা অন্য কোনও কর্মী রেলওয়ের নিয়ম ভেঙেছেন কি না, তা খতিয়ে দেখা হবে। রেল সূত্রে জানা গিয়েছে, নির্ধারিত কারণ ছাড়া যাত্রাপথে ট্রেন থামানো অত্যন্ত গুরুতর বিষয়। এতে শুধু ট্রেন চলাচলের সময়সূচিই ব্যাহত হয় না, যাত্রী নিরাপত্তা এবং রেল পরিচালনার ওপরও তার প্রভাব পড়তে পারে। তদন্তে যদি কোনও ধরনের গাফিলতি বা নিয়মভঙ্গের প্রমাণ মেলে, তবে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কড়া শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে।
দেখুন ভাইরাল ভিডিও
Viral Video Sparks Railway Probe in Indore!
A loco pilot of the Indore-Mhow DEMU train allegedly halted the train midway just to buy samosas from a roadside shop beside the tracks.
The clip has gone viral, prompting Indian Railways to order an immediate inquiry. Samosa stop or… pic.twitter.com/RLtwQEtmAH— Siraj Noorani (@sirajnoorani) July 8, 2026
এদিকে, ভিডিওটি সামনে আসতেই সোশ্যাল মিডিয়ায় ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন বহু নেটিজেন। অনেকেই প্রশ্ন তুলেছেন, গণপরিবহনের মতো গুরুত্বপূর্ণ পরিষেবায় দায়িত্বজ্ঞানহীন আচরণ কতটা গ্রহণযোগ্য। কেউ কেউ বাস বা অন্যান্য পরিবহণ ব্যবস্থার সঙ্গে তুলনা টেনে ভারতীয় রেলের কর্মসংস্কৃতি নিয়েও সমালোচনা করেছেন। তবে ভাইরাল ভিডিওর ভিত্তিতে ওঠা সমস্ত অভিযোগ এখনও প্রমাণিত হয়নি। তদন্ত শেষ হওয়ার পরই ঘটনার প্রকৃত কারণ এবং দায়িত্ব কার, তা স্পষ্ট হবে। সেই রিপোর্টের দিকেই এখন নজর রেল কর্তৃপক্ষ ও সাধারণ মানুষের।