স্নানে ব্যস্ত বাবা মা, দিঘার সমুদ্রে ডুবে মৃত্যু ছোট্ট আবিরের

Published : Sep 16, 2019, 01:30 PM IST
স্নানে ব্যস্ত বাবা মা, দিঘার সমুদ্রে ডুবে মৃত্যু ছোট্ট আবিরের

সংক্ষিপ্ত

দিঘার সমুদ্রে মর্মান্তিক দুর্ঘটনা উদ্ধার হল নিখোঁজ শিশুর দেহ শনিবার নিখোঁজ হয়ে যায় সাত বছরের বালক

শেষ পর্যন্ত আশঙ্কাই সত্য়ি হল। দিঘার সমু্দ্রে ভেসে উঠল নিখোঁজ বালক আবির ধাড়ার দেহ। শনিবার সকালেই দিঘার জগন্নাথ ঘাট থেকে নিখোঁজ হয়ে গিয়েছিল ছোট্ট আবির। বাবা- মায়ের গাফিলতিতেই শিশুটির জলে ডুবে মৃত্যু হয়েছে, এমনই মনে করছে পুলিশ। 

গত তেরো সেপ্টেম্বর হুগলির জলঙ্গিপাড়ার বাসিন্দা আবির বাবা, মা এবং দিদির সঙ্গে দিঘায় ঘুরতে গিয়েছিল। ষাট জনের একটি পর্যটকদের দলের সঙ্গে দিঘায় যায় তারা। কিন্তু শনিবার সকালে আবির এবং তার দু' বছরের বড় দিদিকে সমু্দ্রের পাড়ে বসিয়ে রেখেই স্নান করতে যান তার বাবা- মা। কিছুক্ষণ বাদে তাঁরা ফিরে এসে দেখেন, আবির নেই। এর পর দীর্ঘক্ষণ খোঁজাখুজি করলেও আবিরকে পাওয়া যায়নি। শেষ পর্যন্ত রবিবার দিঘা থানায় নিখোঁজ ডায়েরি করেন আবিরের বাবা- মা। 

শেষ পর্যন্ত এ দিন  সকালে জগন্নাথ ঘাট থেকে এক কিলোমিটার দূরে মেরিন বিচের কাছে সমুদ্রের জলে ভেসে ওঠে আবিরের দেহ। সমু্দ্রের পাড়েই বোল্ডারের উপরে দেহ পড়ে থাকতে দেখা যায়। দেহটি নজরে আসতেই স্থানীয় পুলিশে খবর দেন। দিঘা থানা থেকে খবর দেওয়া হয় আবিরের বাবা- মাকে। পুলিশের সন্দেহ, মা- বাবা স্নানে ব্যস্ত থাকায় নজর এড়িয়ে কোনওভাবে সমুদ্রে নেমে গিয়েছিল আবির। তার পরেই জলে তলিয়ে যায় ছোট্ট শিশুটি।

ছেলের মৃতদেহ দেখে কান্নায় ভেঙে পড়েন আবিরের বাবা- মা। তাঁরা স্বীকার করে নেন, নিজেদের গাফিলততিতেই সন্তানকে হারাতে হল তাঁদের। দেহটি ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায় পুলিশ। বেড়াতে এসে যে এভাবে সন্তানকে হারাতে হবে, তা ভাবতেও পারেননি তাঁরা। তাঁদের আশা ছিল, হারিয়ে গেলেও সুস্থ শরীরেই হয়তো ফিরে পাওয়া যাবে আবিরকে। 

PREV
West Bengal news today (পশ্চিমবঙ্গের লাইভ খবর) - Read Latest west bengal News (বাংলায় পশ্চিমবঙ্গের খবর) headlines, LIVE Updates at Asianet News Bangla.
click me!

Recommended Stories

Arpita Ghosh TMc Profile: অর্পিতা ঘোষের সম্পত্তি কীভাবে লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ে, দেখুন বালুরঘাটের তৃণমূল প্রার্থীর সাম্প্রতিক হলফনামা
Mamata Banerjee: পাকিস্তান ইস্যুতে নীরব মোদী! প্রধানমন্ত্রীকে ঝাঁজালো আক্রমণ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের