
বাংলাদেশের ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ওসমান হাদি খুনে (Osman Hadi murder) পশ্চিমবঙ্গ থেকে গ্রেফতার ২ অভিযুক্ত। বনগাঁ সীমান্ত এলাকা থেকে তাদের গ্রেফতার করেছে এসটিএফ। ধৃতরা হল রাহুল ওরফে ফয়সাল করিম মাসুদ এবং আলমগির হোসেন। ফয়সাল পটুয়াখালির বাসিন্দা, আলমগিরের বাড়ি ঢাকায়। ফয়জাল হল এই খুনে মূল অভিযুক্ত। ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানের একজন বিশিষ্ট ব্যক্তি ওসমান হাদিকে ১২ ডিসেম্বর ঢাকার বিজয়নগর এলাকার বক্স কালভার্ট রোডে মাথায় গুলি করা হয়। চিকিৎসার জন্য তাঁকে বিমানে করে সিঙ্গাপুরে নিয়ে যাওয়া হয়, যেখানে ১৮ ডিসেম্বর রাতে তিনি মারা যান। ২০ ডিসেম্বর তাকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের কবরের পাশে সমাহিত করা হয়।
ওসমান হাদিকে খুনের পর মেঘালয় সীমান্ত দিয়ে ভারতে ঢোকে দুই অভিযুক্ত। এরপর বিভিন্ন জায়গায় গা ঢাকা দিয়ে থাকছিল। বনগাঁ সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে ফিরে যাওয়ার পরিকল্পনা ছিল অভিযুক্তদের। গোপন সূত্রে সেই খবর আসে রাজ্য পুলিশের স্পেশাল টাক্স ফোর্সের কাছে। শনিবার রাতে বনগাঁ এলাকা থেকে ২ জনকে গ্রেফতার করে তারা।
ওসমান হাদি কে ছিলেন?
৩২ বছর বয়সের ওসমান হাদি বাংলাদেশের ২০২৪ সালের ছাত্র-নেতৃত্বাধীন বিদ্রোহের একজন বিশিষ্ট নেতা ছিলেন। তিনি ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র হিসেবে কাজ করেছিলেন। গত ফেব্রুয়ারিতে সাধারণ নির্বাচনে বিজয়নগর এলাকার ঢাকা-৮ আসনে দাঁড়ানোর পরিকল্পনা করছিলেন। হাদি ভারতের কট্টর সমালোচকও ছিলেন। নানা সময়ে তিনি ভারত বিরোধী মন্তব্য করেছিলেন। প্রথম আলো জানিয়েছে, সেই রাজনীতির কারণেই ঢাকা মহানগর উত্তর যুব লিগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও মিরপুর এলাকার সাবেক ওয়ার্ড কাউন্সিলর তাইজুল ইসলাম চৌধুরীর (বাপ্পী) পরিকল্পনায় শরিফ ওসমান বিন হাদিকে গুলি করে হত্যা করা হয়। শরিফ ওসমান হাদিকে গুলি করেছিল ফয়সাল করিম। তাকে সহযোগিতা করে আলমগির হোসেন। ফয়সাল করিম ছাত্র লিগের সাবেক নেতা ও আলমগীর আদাবর থানা যুব লীগের কর্মী।
West Bengal News (পশ্চিমবঙ্গের খবর): Read In depth coverage of West Bengal News Today in Bengali including West Bengal Political, Education, Crime, Weather and Common man issues news at Asianet News Bangla.