
BDO Suspend: ভোট কর্মীদের ট্রেনিংয়ে মুখ্যমন্ত্রীর বিজ্ঞাপন নিয়ে কেন রণক্ষেত্র রানাঘাট? বিডিও-র বিরুদ্ধে শিক্ষককে রক্তাক্ত করার মারাত্মক অভিযোগ। শেষমেশ কড়া ব্যবস্থা নিল নির্বাচন কমিশন। সায়ন্তন ভট্টাচার্যের সাসপেনশন নিয়ে তোলপাড় রাজ্য রাজনীতি।
BDO Suspend: কড়া অ্যাকশনে নির্বাচন কমিশন, সাসপেন্ড হাঁসখালির বিডিও
লোকসভা ভোটের আবহে এবার ভোট কর্মীদের প্রশিক্ষণকে কেন্দ্র করে রণক্ষেত্রের চেহারা নিয়েছিল নদীয়ার রানাঘাট। এক শিক্ষককে মারধর ও রক্তাক্ত করার অভিযোগে হাঁসখালির বিডিও (BDO) সায়ন্তন ভট্টাচার্যকে সাময়িকভাবে সাসপেন্ড করল নির্বাচন কমিশন। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজ্য রাজনীতিতে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।
ঠিক কী ঘটেছিল? সূত্রের খবর, রানাঘাট দেবনাথ বয়েজ স্কুলে ভোট কর্মীদের প্রশিক্ষণের আয়োজন করা হয়েছিল। অভিযোগ, সেই প্রশিক্ষণ চলাকালীন সরকারি পর্দায় মুখ্যমন্ত্রীর বিজ্ঞাপন দেখানো হচ্ছিল। কয়েকজন শিক্ষক তথা ভোট কর্মী এই ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ জানান। অভিযোগ উঠেছে, সেই সময় হাঁসখালি ব্লকের বিডিও সায়ন্তন ভট্টাচার্যের নেতৃত্বে একদল লোক প্রতিবাদী শিক্ষকদের ওপর চড়াও হয়।
রক্তাক্ত শিক্ষক, তোলপাড় নদীয়া এই হামলায় গুরুতর আহত হন সৈকত চ্যাটার্জি নামে এক শিক্ষক। তাঁর মাথা ফেটে রক্তারক্তি কাণ্ড ঘটে। তড়িঘড়ি তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। এই ঘটনার পরই বিক্ষোভে ফেটে পড়েন উপস্থিত অন্য শিক্ষক ও ভোট কর্মীরা। তাঁরা স্পষ্ট জানান, প্রশাসনিক আধিকারিকদের এমন আচরণ মেনে নেওয়া যায় না।
কমিশনের কড়া পদক্ষেপ ঘটনার গুরুত্ব বুঝে দ্রুত হস্তক্ষেপ করে নির্বাচন কমিশন। অভিযোগ খতিয়ে দেখার পর প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ায় হাঁসখালির বিডিও সায়ন্তন ভট্টাচার্যকে সাসপেন্ড করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কমিশনের এই পদক্ষেপকে স্বাগত জানিয়েছেন আক্রান্ত শিক্ষকরা। তবে এই ঘটনায় জেলা প্রশাসনের নিরাপত্তা ও নিরপেক্ষতা নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন উঠে গেল।