জেলায় জেলায় ঘন্টাখানেকের ঝড়ে ক্ষয়ক্ষতি প্রচুর! নবান্ন থেকে ক্ষতিপূরণ ঘোষণা করলেন শুভেন্দু

Published : May 29, 2026, 08:43 PM IST
Suvendu money

সংক্ষিপ্ত

শুক্রবার সন্ধ্যায় নবান্নে সাংবাদিক বৈঠক করে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জানান, কালবৈশাখীর ঘটনায় মৃত প্রত্যেকের পরিবারকে চার লক্ষ টাকা করে আর্থিক সাহায্য দেওয়া হবে। পাশাপাশি আহতদেরও ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে বলে ঘোষণা করেন তিনি।

শুক্রবার দুপুরের ভয়ঙ্কর কালবৈশাখী ও ঝড়বৃষ্টিতে কার্যত বিপর্যস্ত হয়ে পড়ল রাজ্যের একাধিক জেলা। প্রবল ঝোড়ো হাওয়া, বজ্রবিদ্যুৎ এবং মুষলধারে বৃষ্টির জেরে বিভিন্ন জায়গায় গাছ উপড়ে পড়া, বিদ্যুতের খুঁটি ভেঙে যাওয়া এবং বাড়িঘরের ক্ষতির ঘটনা সামনে এসেছে। এই প্রাকৃতিক দুর্যোগে এখনও পর্যন্ত কমপক্ষে ৭ জনের মৃত্যুর খবর মিলেছে। মৃতদের পরিবারগুলির পাশে দাঁড়াতে দ্রুত ক্ষতিপূরণের ঘোষণা করল রাজ্য সরকার।

শুক্রবার সন্ধ্যায় নবান্নে সাংবাদিক বৈঠক করে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জানান, কালবৈশাখীর ঘটনায় মৃত প্রত্যেকের পরিবারকে চার লক্ষ টাকা করে আর্থিক সাহায্য দেওয়া হবে। পাশাপাশি আহতদেরও ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে বলে ঘোষণা করেন তিনি। যদিও আহতদের জন্য কত টাকা বরাদ্দ করা হবে, সেই বিষয়ে এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি বলে মুখ্যমন্ত্রী স্পষ্ট করে দেন।

রাজ্য প্রশাসন সূত্রে খবর, সবচেয়ে বেশি ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায়। প্রবল ঝড়ে বহু এলাকায় বিদ্যুৎ পরিষেবা ব্যাহত হয়েছে। কোথাও কোথাও রাস্তায় বড় গাছ ভেঙে পড়ায় যান চলাচলও দীর্ঘ সময় বন্ধ ছিল। দমকল, বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী এবং স্থানীয় প্রশাসন দ্রুত উদ্ধারকাজ শুরু করে। বহু জায়গায় রাত পর্যন্ত গাছ কাটার কাজ চলেছে।

আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, বিকেলের পর থেকেই পরিস্থিতির অবনতি হতে শুরু করে। ঘণ্টায় ৭০ থেকে ৯০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে থাকে কয়েকটি এলাকায়। তার সঙ্গে বজ্রবিদ্যুৎ ও ভারী বৃষ্টির জেরে সাধারণ মানুষের জীবন কার্যত থমকে যায়। বহু মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ে যেতে বাধ্য হন।

নবান্ন সূত্রে জানা গিয়েছে, ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলির পরিস্থিতির উপর নজর রাখা হচ্ছে। জেলা প্রশাসনগুলিকে দ্রুত ক্ষয়ক্ষতির রিপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বিদ্যুৎ ও পানীয় জল পরিষেবা দ্রুত স্বাভাবিক করার কাজও শুরু হয়েছে।

প্রতি বছর গরমের শেষে কালবৈশাখী বাংলার পরিচিত আবহাওয়া হলেও, এদিনের ঝড়ের তীব্রতা অনেককেই আতঙ্কিত করেছে। বিশেষজ্ঞদের একাংশের মতে, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবের কারণেই এই ধরনের ঝড় আরও বেশি ভয়ঙ্কর হয়ে উঠছে। আপাতত মৃতদের পরিবারের পাশে দাঁড়ানো এবং ক্ষতিগ্রস্ত মানুষদের দ্রুত সাহায্য পৌঁছে দেওয়াই প্রশাসনের কাছে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।

PREV
Read more Articles on
click me!

Recommended Stories

LPG Price Hike: আবার বাড়বে রান্নার গ্যাসের দাম? কলকাতায় LPG-র নতুন রেট জানুন
Rain Alert: বিকেলেই নামবে স্বস্তির বৃষ্টি! ঘণ্টায় ৫০ কিমি বেগে ঝড়ের পূর্বাভাস কলকাতায়, জেনে নিন সময়