সরকার জেলাশাসকদের নির্দেশ দিয়েছে যেন তারা বিভিন্ন বিভাগ—যেমন পুলিশ, স্বাস্থ্য, পূর্ত (PWD), পরিবহন, দমকল ও জরুরি পরিষেবা—এবং রথযাত্রা কমিটিগুলোর সঙ্গে সমন্বয় বৈঠক করেন। অতীতে সরকারের এমন কোনও উদ্যোগের কথা রথযাত্রার কোনও আয়োজকই মনে করতে পারেননি। দিঘার শ্রী শ্রী জগন্নাথ মন্দিরের প্রধান পুরোহিত এবং মন্দির ট্রাস্টি কমিটির সদস্য রাধারমণ দাস বলেন, “আমি দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে ইসকনের রথযাত্রা উৎসবের সঙ্গে যুক্ত আছি, কিন্তু এত বড় মাপের আয়োজন আগে কখনও দেখিনি।” তিনি আরও বলেন, “বাংলার অন্য কোনও সরকার রথযাত্রার আয়োজকদের আর্থিক সহায়তা দেয়নি। ভগবান জগন্নাথ বাংলার সংস্কৃতির এক অবিচ্ছেদ্য অংশ। রাজ্যের বহু ক্লাব ও ছোট সংগঠন রথযাত্রার আয়োজন করে থাকে। এই আর্থিক সহায়তা আরও বেশি মানুষকে রথযাত্রার আয়োজনে উৎসাহিত করবে এবং এই অর্থ উৎসবের মাধ্যমে সমাজের কাজেই ফিরে আসবে।”