
মাস কয়েক আগে তিনি ছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্য়ায়ের সৈনিক। ভোটে বিপর্যয়ের পর এবার দলবদল। কমাস আগে হওয়া রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনে মালদার গাজোলের তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী প্রসেনজিৎ দাস এ বার কংগ্রেসে যোগ দিলেন। তিনি আবার মালদা জেলার তৃণমূল যুব সংগঠনের সভাপতিও ছিলেন। মালদার কংগ্রেস সাংসদ ইশা মৌসম খানের হাত ধরে এদিন হাত শিবিরে নাম লেখান প্রসেনজিৎ। গাজোল বিধানসভায় বিজেপির চিন্ময় দেব বর্মনের কাছে প্রায় ৩৮ হাজার ভোটে হেরেছিলেন প্রসেনজিৎ। উত্তর মালদার এই আসনে কংগ্রেস মাত্র ২ শতাংশ ভোট পায়। সেখানে বিজেপি প্রায় ৫৪ শতাংশ ও তৃণমূল ৩৮ শতাংশ ভোট পায়। মৌসম বেনজির নুরের পাশে বসে দলবদল করে যুবনেতা প্রসেনজিৎ বলেন, কংগ্রেসই এখন রাজ্যের ভবিষ্যত।
গাজোল বিধানসভায় তৃণমূলের কখনও না জেতার ধারাটা এবারও প্রসেনজিৎ দাস ভেঙে দেবেন বলে ভোটের আগে অভিষেক বন্দ্য়োপাধ্যায় দাবি করেছিলেন। কিন্তু হয় ঠিক উল্টোটা। ভোটে হেরে দলটাই ছেড়ে দিলেন প্রসেনজিৎ। মালদায় আর তৃণমূল বলে কোনও দল থাকবে না বলে এদিন তিনি দাবি করেন। এমনিতেই দিদির জমানাতেও মালদা কখনই সেভাবে সুবিধা করতে পারেনি তৃণমূল। গত তিনটি লোকসভা ভোটে মালদা থেকে কোনও আসন পায়নি তৃণমূল।
বিধানসভা ভোটে বিপর্যয়ের পর থেকেই তৃণমূল কংগ্রেসে ভাঙন অব্যাহত। দিদির হাত ছেড়ে তৃণমূলে তৈরি হয়েছে আলাদা শিবির। ৬৬জন বিধায়ক, ২০ জন সাংসদ হারিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায় এখন কার্যত একা। এরই মধ্যে আবার জেলায় জেলায় ভাঙছে তৃণমূলের সংগঠন। মমতা বনমা ঋতব্রত, মহুয়া বনাম কাকলিদের দ্বৈরথে তৃণমূলের নিচুতলার অনেকেই তৃণমূল ছাড়তে চাইছেন। অনেকে আবার ছাড়তে চাইছেন রাজনীতিও। তৃণমূল ছেড়ে একটা অংশ আবার তাদের পুরনো দল কংগ্রেসে ফিরতে আগ্রহী। অধিকাংশ জেলাতেই এখন তৃণমূল করার লোক মিলছে না। জেলায়, ব্লকে কোথাও এখন তৃণমূলের নেতা নেই, কর্মী নেই।
West Bengal News (পশ্চিমবঙ্গের খবর): Read In depth coverage of West Bengal News Today in Bengali including West Bengal Political, Education, Crime, Weather and Common man issues news at Asianet News Bangla.