I-PAC-এর অফিসে ম্য়ারাথন তল্লাশি শেষ, ইডির আধিকারিকরা বেরোতেই স্লোগান তৃণমূলের

Published : Jan 08, 2026, 07:45 PM IST
ED dismissed Mamata Banerjee allegations regarding the Prateek Jain issue

সংক্ষিপ্ত

প্রায় ১২ ঘণ্টা পরে সেক্টর ফাইভে আইপ্যাকের অফিস থেকে বেরিয়ে গেল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের আধিকারিকরা।  অন্যদিকে ইডির আধিকারিকদের দেখে স্লোগান এলাকায় জড়ো হওয়া তৃণমূল কংগ্রেসের নেতা আর কর্মীরা। 

প্রায় ১২ ঘণ্টা পরে সেক্টর ফাইভে আইপ্যাকের অফিস থেকে বেরিয়ে গেল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের আধিকারিকরা। একদিকে ইডির আধিকারিকদের যেমন ঘিরে রেখেছিল কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা। অন্যদিকে ইডির আধিকারিকদের দেখে স্লোগান এলাকায় জড়ো হওয়া তৃণমূল কংগ্রেসের নেতা আর কর্মীরা। বিকেলবেলা হঠাৎ করেই বাসে করে আসে তৃণমূল কংগ্রেস কর্মীরা। সকাল থেকেই ছিলেন তৃণমূল কংগ্রেস নেতা সব্যসাচী দত্ত, রাজ্যের মন্ত্রী সুজিত বসু, সল্টলেকের মেয়ক কৃষ্ণা বসু। সন্ধ্য়ে পর্যন্ত তারা ছিলেন।

এদিন সকাল ৬টা নাগাদ ইডির আধিকারিকরারা প্রতীক জৈনের অফিস আর বাড়িতে তল্লাশি চালায়। বেলা ৪টের সময় প্রতীক জৈনের লাউডন স্ট্রিটের বাড়ি থেকে বেরিয়ে যায়। আর সন্ধ্যে ৬টারও কিছু পরে সেক্টেরফাইভের আইপ্যাকের অফিস থেকে বেরিয়ে যায়। তবে ইডির আধিকারিকদের রীতিমত নিরাপত্তার ঘেরাটোপে মুড়ে অফিস থেকে গাড়িতে তোলা হয়। আর সেখান থেকে আগেপিছে কেন্দ্রীয় বাহিনীর গাড়ি দিয়ে কর্ডন করে গোডরেজ ওয়াটার সাইটের অফিস থেকে নিয়ে যাওয়া যায়। ইডির আধিকারিকদের গন্তব্য ছিল সল্টলেকের সিজিও কমপ্লেক্স।

'অমিত শাহের দাদাল', 'জয় বাংলা'- ইডির আধিকারিকরা যখন আইপ্যাকের অফিস থেকে বেরিয়ে যাচ্ছিল তখন তৃণমূল কংগ্রেস কর্মীরা তাদের লক্ষ্য করে এজাতীয় স্লোগান তোলেন। তবে সন্দেশখালির মত পরিস্থিতি যাতে আর না তৈরি হয় তার জন্য এদিন প্রথম থেকেই তৈরি ছিল কেন্দ্রীয় বাহিনী।

আইপ্যাক-এর কর্ণধার প্রতীক জৈনের বাড়ি আর অফিসে তল্লাশি অভিযান চালাচ্ছে কেন্দ্রীয় সংস্থা ইডি। যা নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায় সরকারি কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে তোপ দাগেন। তিনি অভিযোগ করেন কেন্দ্রীয় সরকার কেন্দ্রীয় সংস্থাকে দিয়ে রাজনৈতিক প্রতিহিংসা চরিতার্থ করছে। তিনি সরাসরি নিশানা করেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে। কিন্তু মমতার এই বক্তব্যের পরই এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের পক্ষ থেকে একটি বিবৃতি জারি করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অভিযোগ নস্যাৎ করা হয়। কেন্দ্রীয় সংস্থার দাবি দুর্নীতির বিরুদ্ধেই এই অভিযান।

ইডির বিবৃতিঃ

ইডির বিবৃতিতে বলা হয়েছে, 'এই তল্লাশি হাতে পাওয়া প্রমান্য নথির ওপর ভিত্তি করে। এটি কোনও রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠানকে লক্ষ্য করে করা হয়নি।' ইডির তরফ থেকে বলা হয়েছে, ইডি একই সঙ্গে দেশের ১০টি স্থানে তল্লাশি অভিযান চালানো হচ্ছে। যার মধ্যে পশ্চিমবঙ্গে ৬টি আর দিল্লির চারটি স্থান। মামলাটি অবৈধ কয়লা পাচারের সঙ্গে সম্পর্কিত। এই মামলায় নগদ অর্থ তৈরি, হাওয়ালা লেনদেন ইত্যাদির সঙ্গে যুক্ত বিভিন্ন প্রাঙ্গণে তল্লাশি চালান হচ্ছে। কোনও রাজনৈতিক দলের কার্যালয়ে তল্লাশি চালানো হয়নি। এই তল্লাশি কোনও নির্বাচনের সঙঅগে সম্পর্কিত নয়। এটি অর্থ পাচারের বিরুদ্ধে নিয়মিত একটি অভিযানের অংশ। তল্লিশিটি প্রতিষ্ঠিত আইনি সুরক্ষাবিধি কঠোরভাবে মেনেই করা হচ্ছে। ইডির বিবৃতিতে মুখ্যমন্ত্র মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়কেও নিশানা করা হয়েছে। বলা হয়েছে, 'সাংবিধানিক পদাধিকারীসহ কিছু ব্যক্তি দুটি স্থানে এসে এসে তাঁদের পদের অপব্যবহার করে অবৈধভাবে প্রবেশ করেছেন ও নথি নিয়ে নিয়ে গেছেন।'

 

PREV
Read more Articles on
click me!

Recommended Stories

কুয়াশার চাদরে ঢাকবে বাংলা! শীতের দাপটে জুবুথুবু অবস্থা থেকে কবে মিলবে মুক্তি? জানুন পূর্বাভাস
Suvendu Adhikari: ‘অনেক চুরি দেখেছি কিন্তু ফাইল চুরি এই প্রথম!’ মমতাকে ধুয়ে দিলেন শুভেন্দু