
সেই শিবির পরিচালনা করার জন্য শনিবার বেশ কিছু নির্দেশ দিয়েছে নবান্ন।
সেইসঙ্গে, সঠিকভাবে শিবির পরিচালনার জন্য মোট ১১টি নির্দেশ দেওয়া হয়েছে নবান্নর তরফ থেকে।
রাজ্যে এই নিয়ে নবমবার ‘দুয়ারে সরকার’ শিবির আয়োজিত হতে চলেছে।
আর এই শিবির নিয়েই শুক্রবার, জেলা প্রশাসনগুলির সঙ্গে ভার্চুয়াল বৈঠকে বসেন মুখ্যসচিব মনোজ পন্থ।
তারপরেই শনিবার, একটি নির্দেশিকা জারি করেছে রাজ্য সরকারের তরফ থেকে।
সেই নির্দেশিকায় ঠিক কী কী রয়েছে?
স্কুল, কলেজ কিংবা কমিউনিটি হলে এই শিবির বসাতে হবে।
তবে এর আগে যে সব এলাকা বা মৌজায় কম শিবির হয়েছে, সেখানে এবার অবশ্যই শিবিরের আয়োজন করতে হবে।
তার চেয়ে বেশি সংখ্যায় শিবির করা যায় কি না, সেই সিদ্ধান্তও নেবে স্থানীয় প্রশাসন।
ওয়ার্ড যদি ছোট হয়, তাহলে একাধিক ওয়ার্ডের বাসিন্দার আবেদন একটি নির্দিষ্ট শিবিরেই করতে পারবেন?
জানা যাচ্ছে, মোট শিবিরের ৩০% মোবাইল শিবির হতে হবে।
নির্ভুলভাবে আবেদনকারীদের কাছ থেকে তথ্য গ্রহণ করে আবেদনও নথিভুক্ত করতে হবে।
অন্যদিকে, স্বনির্ভর গোষ্ঠীর ভূমিকা নিয়েও একগুচ্ছ নির্দেশ দিয়েছে সরকার। সাধারণ মানুষকে সাহায্যের পাশাপাশি শিবিরে তাদের পণ্য বিক্রির কথাও বলা হয়েছে বলে জানা গেছে।
নোডাল বিভাগের তৈরি করা নির্দেশিকাও পাঠানো হয়েছে। সবশেষে রাজ্য সরকারের তরফ থেকে জানানো হয়েছে, উৎসবের আবহেই ‘দুয়ারে সরকার’ শিবিরের আয়োজন করতে হবে।
সেগুলি সব ২৮ ফেব্রুয়ারির মধ্যে ‘প্রসেসিং’ হয়ে যাবে।
আরও খবরের আপডেট পেতে চোখ রাখুন আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।