
সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে বিজেপির পরর্বর্তী সর্বভারতীয় সভাপতি হতে চলেছেন নীতিন নবীন (Nitin Nabin)। আর সভাপতি পদে বসেই আসতে পারেন বাংলা সফরে। সূত্রের খবর, ২৭ বা ২৮ জানুয়ারি বঙ্গ সফরে আসতে পারেন নীতিন। সর্বভারতীয় সভাপতি হওয়ার পর পশ্চিমবঙ্গ-সহ কয়েকটি রাজ্যে বিধানসভা ভোটই তাঁর প্রথম পরীক্ষা। বর্তমানে ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) জাতীয় কার্যনির্বাহী সভাপতি পদে রয়েছেন নীতিন নবীন। ১৯ জানুয়ারি দলের সদর দফতরে বিজেপির জাতীয় সভাপতি পদের জন্য মনোনয়নপত্র জমা দিতে চলেছেন। বিজেপির প্রায় সমস্ত মুখ্যমন্ত্রী, রাজ্য সভাপতি এবং সিনিয়র নেতারা উপস্থিত থাকতে পারেন।
সংবাদ সংস্থা পিটিআই দলের সূত্রের বরাত দিয়ে জানিয়েছে, সম্প্রতি বিজেপির জাতীয় কার্যনির্বাহী সভাপতি হিসেবে নিযুক্ত বিহারের পাঁচবারের বিধায়ক নীতিন নবীন সম্ভবত বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় দলের দ্বাদশ জাতীয় সভাপতি নির্বাচিত হবেন। কারণ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ-সহ দলের শীর্ষ নেতৃত্ব এই পদের জন্য তাঁর প্রার্থীপদকে সমর্থন করছেন। বিজেপির জাতীয় রিটার্নিং অফিসার কে লক্ষ্মণ কর্তৃক ঘোষিত নির্বাচনী তফসিল অনুযায়ী, দলের জাতীয় সভাপতি পদের জন্য মনোনয়নপত্র সোমবার দুপুর ২টো থেকে বিকেল ৪টার মধ্যে জমা দিতে হবে। নির্বাচন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পরেরদিন নতুন বিজেপি সভাপতির নাম ঘোষণা করা হবে। ১৯ জানুয়ারি বিকেল ৪টে থেকে ৫টার মধ্যে মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই করা হবে। একই দিনে বিকেল ৫টা থেকে ৬টার মধ্যে প্রার্থীরা তাঁদের মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করার সুযোগ পাবেন।
বিজেপির জাতীয় সভাপতি একটি নির্বাচকমণ্ডলী দ্বারা নির্বাচিত হন, যা দলের জাতীয় পরিষদ এবং বিভিন্ন রাজ্য পরিষদের প্রতিনিধিদের নিয়ে গঠিত। পুরো প্রক্রিয়াটি দলের জাতীয় রিটার্নিং অফিসারের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হয়। বিজেপি-র সংবিধান অনুযায়ী, এই পদের জন্য একজন প্রার্থীকে একটি রাজ্যের নির্বাচকমণ্ডলীর কমপক্ষে ২০ জন সদস্যকে যৌথভাবে প্রস্তাব করতে হবে। মনোনীত প্রার্থীকে দলের একজন সক্রিয় সদস্য হিসেবে চারটি মেয়াদ পূর্ণ করতে হবে এবং তাঁর ন্যূনতম ১৫ বছরের সদস্যপদ থাকতে হবে। সংবিধানে আরও বলা হয়েছে যে, এই ধরনের একটি যৌথ প্রস্তাব অবশ্যই কমপক্ষে পাঁচটি রাজ্য থেকে আসতে হবে, যেখানে জাতীয় পরিষদের নির্বাচন ইতিমধ্যেই সম্পন্ন হয়েছে।