
North Bengal News: এসআইআর শুনানিতে ডাক পড়ল খোদ বিডিওর, সাধারণ মানুষের লাইনে দাঁড়িয়ে হাজির। ২০০২ এর ভোটার লিস্টে নাম না থাকায় শুনানিতে ডাক পড়লো বিডিও ভারতী চিক বড়াইক সহ বাবা, ভাই ও বোনের।—মেটলিতে তীব্র বিতর্ক।
যেখানে রাজ্য জুড়ে এসআইআর প্রক্রিয়া পরিচালনার দায়িত্বে রয়েছেন বিভিন্ন ব্লকের বিডিওরা, সেখানেই ব্যতিক্রমী ও চাঞ্চল্যকর ছবি। এসআইআর শুনানিতে ডাক পড়ল খোদ এক ব্লকের বিডিওর। সাধারণ মানুষের সঙ্গে একই লাইনে দাঁড়িয়ে শুনানিতে অংশ নিতে দেখা গেল লাভা ব্লকের বিডিও ভারতী চিক বড়াইককে। ঘটনাকে ঘিরে জোর বিতর্ক ও গুঞ্জন শুরু হয়েছে মাটিয়ালি ব্লকের মেটলি এলাকায়।
অভিযোগ, ২০০২ সালের ভোটার তালিকায় বিডিও ভারতী চিক বড়াইক, তাঁর পিতা কপিল চিক বড়াইক এবং পরিবারের আরও দুই সদস্যের নাম না থাকায় এসআইআর শুনানিতে চারজনকেই ডাকা হয়েছে। ইতিমধ্যেই বিডিও ভারতী চিক বড়াইক শুনানিতে অংশ নিয়েছেন। আগামী সোমবার শুনানিতে হাজির হওয়ার কথা তাঁর পিতা কপিল চিক বড়াইক, বোন আরতি চিক বড়াইক এবং ভাই প্রণব চিক বড়াইকের।
ভোটার তালিকায় নাম না থাকাকে কেন্দ্র করে বিরোধীদের তরফে বিদেশি নাগরিকত্বের অভিযোগ তোলা হয়েছে। বিরোধীদের দাবি, বিডিওর বাবা ও মা ভুটানের নাগরিক ছিলেন, সেই কারণেই ২০০২ সালের ভোটার তালিকায় তাঁদের নাম ছিল না।
এই অভিযোগ ঘিরেই উঠছে একাধিক প্রশ্ন। একজন ভুটানের নাগরিকের পরিবারের সদস্য কীভাবে ভারতের প্রশাসনিক পদে নিযুক্ত হলেন? তাও আবার এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট পদে তা নিয়েই শুরু হয়েছে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলে জোর আলোচনা।
যদিও এই সমস্ত অভিযোগ উড়িয়ে দিয়ে বিডিওর পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, তাঁরা ভারতীয় নাগরিক। বহু বছর ধরেই তাঁরা মালবাজার মহকুমার জুরন্তি চা বাগানের বাসিন্দা। পরিবার সূত্রে দাবি, ১৯৯৯ সালে মেটলি হাসপাতাল পাড়া এলাকায় জমি কিনে বাড়ি নির্মাণ করেন তাঁরা এবং ২০০৪ সালে তাঁদের নাম ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়। তার আগে একাধিকবার ভোটার তালিকায় নাম তোলার চেষ্টা করা হলেও তা সম্ভব হয়নি।
ঘটনাটি নিয়ে প্রশাসনিক মহলে যেমন চর্চা চলছে, তেমনই রাজনৈতিক মহলেও তৈরি হয়েছে তীব্র বিতর্ক। এখন এসআইআর শুনানির চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের দিকেই তাকিয়ে রয়েছে গোটা এলাকা।
আরও খবরের জন্য চোখ রাখুন এশিয়ানেট নিউজ বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।